ক্রিকেটে মজে দুই তারকা পুত্র



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আরিয়ান খান ও আহান শেঠি

আরিয়ান খান ও আহান শেঠি

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘনিষ্ঠ বন্ধু শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান ও সুনিল শেঠির ছেলে আহান শেঠি। দু’জনকে একসঙ্গে প্রায় সময়ই পাপারাজ্জিদের ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যায়।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি মাঠে ক্রিকেটে মজে থাকতে দেখা গেলো দুই তারকা পুত্রকে। আর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসতেই তা রীতিমতো ভাইরাল।

ভাইরাল হওয়া ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, হাতে ব্যাট-বল নিয়ে ক্রিকেট খেলতে ব্যস্ত আরিয়ান ও আহান।

এদিকে, শিগগিরই বলিউডে পা রাখতে যাচ্ছেন সুনীল পুত্র আহান শেঠি। ছবির নাম ‘তাড়াপ’। তার বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেত্রী তারা সুতারিয়াকে।

ইন্টারনেটবিহীন সময়ে যা যা করেছেন তারকারা



মেহনাজ খান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
পূজা চেরী, সিয়াম আহমেদ, মোশাররফ করিম ও সুনেরাহ বিনতে কামাল

পূজা চেরী, সিয়াম আহমেদ, মোশাররফ করিম ও সুনেরাহ বিনতে কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা আন্দোলনের জেরে সম্প্রতি সপ্তাহখানেক ইন্টারনেটবিহীন কাটাতে হয়েছে পুরো দেশবাসীকে। তারমধ্যে ছিলো টানা কারফিউ। বর্তমানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আসলেও ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রামসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অনেকটাই অকার্যকর হয়ে আছে! দেশের এই পরিস্থিতিতে কেমন কাটছে তারকাদের জীবন?

এ বিষয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, ‘শুধু কারফিউয়ের ৫দিন নয়, কোটা আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে বাসায় বেশিরভাগ সময় থাকতে হয়েছে। তবে ফেসবুকের মাধ্যমে নিউজ কিংবা পরিস্তিতির বিষয় জানা যাচ্ছিল। ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার যেন পুরো সব কিছুই থমকে গেয়েছিলো। প্রতিটা দিনই মনে হয়েছে কি হতে পারে অথবা পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে।’

সুনেরাহ বিনতে কামাল

তিনি আরও বলেন, ‘পুরো আন্দলোন থেকে শুরু করে ইন্টারনেট বন্ধের সময়টা আতঙ্কজনক ছিলো। এটা এমন সময়ও নয় যে পরিবারের সাথে মজা করে সময় কাটাবো কিংবা আনন্দের সাথে থাকবো। অব্যশই অনেক দিন পর পরিবারের সাথে সময় কাটিয়েছি। নিজেকেও সময় দিয়েছি। কারণ ইন্টারনেট না থাকায় পুরো সময়টা যেন কেমন অচল হয়ে গেয়েছিল। যেহেতু আমরা সব সময় ইন্টারনেট ব্যস্ত থাকি অনেকেই। আর আন্দোলনে পুরো বিষয় নিয়ে একটি লাইন বলবো, শুরুতে যদি বসে আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়টা সমাধান করা হতো তাহলে অনেক মায়ের সন্তান আজ বেঁচে থাকতো। আশা করি এমন পরস্থিতি আর কখনো যেন বাংলাদেশে না ঘটে।’

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘একটা দমবন্ধ সময় পার করেছি। আমাদের প্রিয় দেশটার বয়স ৫০ পার হওয়ার পরও যদি এরকম সময় পার করতে হয় তাহলে এটা খুব দুঃখজনক। অন্য সবার মতো আমিও দ্রুত স্বাভাবিক সময়ে ফিরতে চাই।’

সিয়াম আহমেদ

এতদিন শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছিলেন সিয়াম আহমেদ। শেষ করেছেন আকাঙ্খিত ছবি ‘জংলি’র শুটিং। তাই বেশ কিছুদিন পরিবারকে খুব বেশি সময় দেয়া হয়নি। কারফিউ-এর সময়টাতে তাই সন্তানকে সময় দিয়েছেন সিয়াম আহমেদ। বলা যায় পুরোটা সময় কাটিয়েছেন পরিবারের সঙ্গেই।

জীবনের এই অস্বাভাবিক সময় নিয়ে দেশের অন্যতম মেধাবী অভিনেতা মোশারফ করিম বার্তা২৪কে বলেন, ‘আধুনিক সময়ে এসে দেশের এমন স্থবির অবস্থা একেবারেই কাম্য নয়। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। দেশ আবার আগের মতো সুন্দর ও স্বাভাবিক হবে।’এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘কারফিউর এই সময়ে সব কাজ বন্ধ। বাসায় বসে বই পড়ে, টিভিতে খবর দেখে সময় কেটেছে।’

মোশাররফ করিম

তবে টানা ইন্টারনেট সংযোগ না থাকাটাকে ইতিবাচক হিসেবেও দেখছেন মোশাররফ করিম। তিনি বলেন, ‘এর একটা ইতিবাচক প্রভাবও পড়েছে। মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমে আসছে। জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধি করা হচ্ছে। অনেকেই বই পড়ায় ফিরে গিয়েছে।’

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর সঙ্গে যখন যোগাযোগ করা হয় তখনও দেশে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু হয়নি। নেটহীন জীবন কেমন লাগছে জানতে চাইলে পূজা বলেন, ‘২০২৪ সালে এসে এক সপ্তাহ নেট ছাড়া থাকবে এটা কেউ ভেবেছিল। আমাদের এখন তো সকল যোগাযোগ ইন্টানেটনির্ভর, সেটাই নেই। তার উপর কারফিউয়ে কোথাও বের হওয়া যাচ্ছে না। ভাবুন কতটা অসহায় লাগছে।’

পূজা চেরী

কোটা আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে আজও সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা’র পর পুরোটা সময় কারফিউ রয়েছে।

ইন্টারনেটবিহীন সময় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। সময়টিকে দুর্যোগময় বলে অবিহিত করেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তিনি জানেন, এই সময়টাতে তিনি ঢাকায় নিজ বাসাতেই ছিলেন। তার ভাষায়, ‘এই কটা দিন একটা দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে ছিলাম। আমি কেন, পুরো দেশের মানুষই তাই ছিলো। এর আগে এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিলো করোনার লকডাউনের সময়। তখন অবস্থা সোশ্যাল হ্যান্ডেল বন্ধ ছিলো না। ফলে এবার তারচেয়েও কঠিন অবস্থায় ছিলাম।’

চঞ্চলের মতে এখনও দুর্যোগ পুরোপুরি কাটেনি। তবে যত দ্রুত সেটি কেটে যায়, সেটাই সবার জন্য মঙ্গল বলে মনে করছেন অভিনেতা।

চঞ্চল চৌধুরী

তার ভাষায়, ‘দেখুন ইন্টারনেট তো শুধু ফেসবুক আর ইউটিউব দেখার জন্য না। ইন্টারনেট এখন আমাদের যোগাযোগ ও বাণিজ্যের অন্যতম মাধ্যম। অসংখ্য মানুষের রুটি-রুজির বিষয়। এটা এখন আমাদের জীবনযাত্রা খুবই দরকারি অনুষঙ্গ। ফলে এটা ছাড়া সময়টা খুবই কঠিন। আশা করছি, ইন্টারনেটসহ আমাদের জীবনযাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক হবে। আমরা দ্রুত কাজে ফিরতে পারবো।’

;

গোপন জবানবন্দিতে কী বলেছেন সালমান, জানা গেলো পুরোটাই!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বলিউড মেগাস্টার সালমানের খান

বলিউড মেগাস্টার সালমানের খান

  • Font increase
  • Font Decrease

এ বছরের ১৪ এপ্রিল মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় বলিউড মেগাস্টার সালমানের খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে চালানো হয় গুলি। এ ঘটনায় আতংকিত হয়ে পড়েছিলেন ভক্তরা। সেই ঘটনার জেরেই মুম্বাই পুলিশের পেশ করা চার্জশিটে সালমান খান গোপনে জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে কী বলেছেন সালমান? জানা গেল অবশেষে।

অভিনেতা তার জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে লরেন্স বিষ্ণোই তার দলের সদস্যদের সহায়তায় গুলি চালিয়েছিল। তখন আমার পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন এবং তারা আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলতে চেয়েছিল।’

বলিউড মেগাস্টার সালমানের খান

সালমান বলেছেন, এটাই প্রথম নয়। এর আগেও নাকি বিষ্ণোই গ্যাং তাকে হুমকি দিয়েছে ও আঘাত হানার চেষ্টা করেছে। লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের কাছ থেকে এর আগেও হুমকি পেয়েছিলেন সালমান ও তার পরিবারের সদস্যেরা। সেই কথা স্মরণ করে সালমান বলেন, ‘২০২৩ সালের মার্চ মাসে আমার এক কর্মচারীর অফিশিয়াল মেইলে একটি মেইল আসে। সেখানেও বিষ্ণুই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে আমাকে ও আমার পরিবারকে খুন করার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর আমার ওই কর্মচারী বান্দ্রা থানায় এ নিয়ে একটি কেস দায়ের করে।’

সালমান আরও উল্লেখ করেছেন যে এই মাসের শুরুতে পুলিশ মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্ট মামলার বিশেষ আদালতে গুলি চালানোর মামলায় ১,৭৩৫ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেছিল। আদালত সম্প্রতি চার্জশিট গ্রহণ করে বলেছে, গ্রেফতার হওয়া ছয় আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

বলিউড মেগাস্টার সালমানের খান

পুলিশ এখন পর্যন্ত যাদের গ্রেপ্তার করেছেন তারা হলেন ভিকিকুমার গুপ্তা, সাগরকুমার পাল, সনুকুমার বিষ্ণোই, অনুজকুমার থাপন (বর্তমানে প্রয়াত), মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী এবং হরপাল সিং। গ্রেফতারের পর পুলিশ হেফাজতে আত্মহত্যা করেন অনুজকুমার। বাকি পাঁচজন বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

;

নতুনদের জন্য গানের প্ল্যাটফর্ম গড়েছিলেন শাফিন



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সঙ্গীত গুরুমূখী বিদ্যা। এ কথা সব বড় বড় শিল্পীরাই বলে থাকেন। ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়, তবে বতিক্রম কখনোই উদাহরন হতে পারে না। তাইতো একটা সময় বিশেষত ভারতীয় উপমহাদেশে পণ্ডিতরা তাদেও সারা জীবন লাগিয়ে দিতেন যোগ্য শীষ্য তৈরি করতে। নিজের সঙ্গীত ধারা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা পরের প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুদের ভূমিকা ছিলো অনবদ্য।

তবে এখন গান বানিজ্যিক উপকরণ হয়ে পড়ায় সবাই শুধু নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই ব্যস্ত। খুব কম শিল্পী আছেন যারা পরের প্রজন্মের কথা ভাবেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন শাফিন আহমেদ।

নতুন প্রজন্মের মেধাবী শিল্পীদের গানের জগতে আত্মপ্রকাশ করার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডাবল বেইজ প্রোডাকশন হাউজ। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী নতুন শিল্পীদের গান প্রকাশ করছিলেন নিয়মিত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘নিয়মিত নতুন শিল্পীদের গান আসছে আমার প্রডাকশন হাউজ থেকে। ডাবল বেউজ ইউটিউব চ্যানেলে আসছে ভিডিও ভার্সন। আর অডিও ভার্সন আসছে বিভিন্ন স্ট্রিমিং অ্যাপে।’

বাংলা র‌্যাপ গানকেও প্রমোট করতে দেখা গেছে তাকে। ঢাকার র‌্যাপার ওজি’র ‘গান পাউডার’ নামে একটি ইংরেজি র‌্যাপ গান প্রকাশ করেন নিজের প্রোযোজনায়। পাবনার র‌্যাপার টি.জেড ও ঢাকার র‌্যাপার বিশালের একাধিক গান প্রকাশ করেন তিনি।

প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

র‌্যাপ গান নিয়ে এত কাজ করা প্রসঙ্গে শাফিন বলেছিলেন, ‘আমরা যখন রক গানের চর্চা শুরু করলাম তখন কিন্তু এদেশে সেভাবে তা জনপ্রিয় ছিল না। আমরাই সেটা জনপ্রিয় করেছি। কিছুদিন আগেই মেটাল আমাদের দেশে চলত না। এখন তা বড় পরিসরে চর্চা হচ্ছে। আর এখন সময় এসেছে বাংলা র‌্যাপ জনপ্রিয় হওয়ার। তাই যারা এ ধাঁচের গানে মেধার পরিচয় দিচ্ছে তাদের সবার সামনে তুলে ধরতে চাইছি।’

১৯৭৯ সালে ব্যান্ডদল মাইলস-এর মাধ্যমে সঙ্গীতাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন কিংবদন্তি নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজা বেগম ও উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতকার কমল দাশগুপ্তের সুযোগ্য পুত্র শাফিন আহমেদের। মাইলসের প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে। তার আগে প্রকাশিত হয় দু’টি ইংরেজি গানের অ্যালবাম ‘মাইলস’ ও ‘এ স্টেপ ফারদার’।

;

মাইলস ছেড়ে একক ক্যারিয়ারে কতোটা সফল ছিলেন শাফিন!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম নাম শাফিন আহমেদ। তার ব্যান্ড মাইলস দেশের শ্রোতাকে নতুন ধারার বাংলা সংগীতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। সেই মুগ্ধতা আজও অটুট। তাই তো চল্লিশ পেরিয়েও মাইলস এখনো নিজের গতিতে পথ হাঁটছে। করোনাকালে কেউ সেভাবে কাজ করতে পারেনি। বিশেষ করে ব্যান্ড দলের জন্য স্টেজ কনসার্টটাই প্রধান। সেটা কোনোভাবেই সম্ভব হয়নি। কিন্তু লকডাউন উঠে যাওয়ার পর যে কজন শিল্পী অল্প বিস্তর কনসার্টে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তার মধ্যে মাইলস ব্যান্ড ছিলো অন্যতম। ওপেন এয়ার কনসার্টে তার পারফরমেন্স ছিলো দেখার মতো। 

মাইলস নিয়ে বড় পরিকল্পনা ছিলো শাফিন আহমেদের। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়েছে মাইলসের কিছু মিউজিক ভিডিও গান করা দরকার। বড় পরিসরে কাজগুলো করব।’

তবে এই কথা বলার কিছুদিন পরেই ২০২১ সালের শেষের দিকে অন্তঃকোন্দলের কারণে মাইলস ছেড়ে একক সঙ্গীত ক্যারিয়ারে মনোনিবেশ করেন শাফিন।

মাইলসের বাইরের মিউজিশিয়ান নিয়ে নিয়মিত দেশে বিদেশে বড় বড় কনসার্টে গাইতেন তিনি। পাশাপাশি নিজের ইউটিউব চানেলে মিউজিক ভিডিওসহ প্রকাশ করতেন নতুন নতুন একক গান।

এরমধ্যে পপ ধাঁচের ‘শূন্যতা’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। এছাড়া ভারত, ইউরোপ ও আফ্রিকান মিউজিশিয়ানদের নিয়ে ভারতীয় রাগের ওপর একটি ব্লুজ- ফিউশন যন্ত্রসংগীতের ভিডিও প্রকাশ করেন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। চ্যানেল আইয়ের জন্য ‘পিয়ানো রাউন্ড’ নামের একটি অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র পিয়ানোর ওপর বেইজ করে জনপ্রিয় গানের নতুন কম্পোজিশন করেছিলেন সম্প্রতি। সেই গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনিসহ দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা। বাবা উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতজ্ঞ কমল দাশগুপ্ত’র গানেরও নতুন সংগীতায়োজন করেছিলেন। এই গানগুলো দর্শকের কাছে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনেন শাফিন।

প্রয়াত ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্রে সলো কনসার্টে অংশ নিতে গিয়েছিলেন দেশের শীর্ষ ব্যান্ড ‘মাইলস’ এর ভীষণ জনপ্রিয় ভোকাল, বেজ গিটারিস্ট শাফিন আহমেদ। শোয়ের আগে অসুস্থ হয়ে ভার্জিনিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ফেরানো যায়নি তাকে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন শাফিন। হৃদরোগসহ বেশকিছু জটিলতার কথা প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার ভাই ও মাইলস সদস্য হামিন আহমেদ।

বর্তমানে শাফিনের মরদেহ ভার্জিনিয়ার সেই হাসপাতালেই রয়েছে বলেও জানান হামিন। তিনি জানান, আমেরিকায় তাদের বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় রয়েছেন। তারাই আপাতত সব দেখছেন। তবে শাফিনের মরদেহ দেশে নিয়ে আসতে বৃহস্পতিবারই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন হামিন।

;