মণিপুরি থিয়েটারের রজতজয়ন্তী



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসছে ২৬ সেপ্টেম্বর মণিপুৃরি থিয়েটারের রজতজয়ন্তী।

মণিপুরি থিয়েটারের জন্ম ১৯৯৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। ‘মেঘ-বৃষ্টি-রোদ’ নাটকটির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা দলটি ২৫ বছরে নাট্যপ্রযোজনা ছাড়াও ঐতিহ্যবাহী পালা, গান, নৃত্য, সাহিত্য, গবেষণা, পাঠচর্চাসহ নানান ক্ষেত্রে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবছর মণিপুরিদের কৃত্যমূলক উৎসবের মঞ্চপরিবেশনা, বিভিন্ন সময়ে নাট্যোৎসব, কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন, নিয়মিত থিয়েটার ও সাহিত্যপত্রিকা প্রকাশ ইত্যাদি কার্যক্রম ছাড়াও মণিপুরি থিয়েটারের রয়েছে বাংলা ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার ৩২টি প্রযোজনা। প্রতিটি প্রযোজনাই পূর্ববর্তী কাজ থেকে আঙ্গিকে ভাষ্যে ভিন্ন হতে চেষ্টা করেছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অসংখ্য উৎসবে দেশে এবং দেশের বাইরে নাট্যমঞ্চায়ন করেছে দলটি।

মণিপুরি থিয়েটারের বর্তমান সভাপতি শুভাশিস সিনহা এবং সাধারণ সম্পাদক জ্যোতি সিনহা।

মণিপুৃরি থিয়েটার ২০০৮ সালে অর্জন করেছে সুবচন প্রবর্তিত আরজু স্মৃতি পদক, ২০১১ সালে চলচ্চিত্রকার আব্দুল জব্বার খান স্মৃতিপদক (‘কহে বীরাঙ্গনা’ নাটকের জন্য) এবং ২০১৩ সালে থিয়েটার আর্ট ইউনিট প্রবর্তিত এসএম সোলায়মান প্রণোদনাা।

এছাড়াও বংলাদেশ ও ভারতের নানান সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মাননা অর্জন করেছে দলটি।

কহে বীরাঙ্গনা, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, ধ্বজো মেস্তরীর মরণ, রুদ্রচ-, দেবতার গ্রাস, লেইমা, ভানুবিল, ইঙাল আধার পালা, হ্যাপি ডেজ, ও মন পাহিয়া দলটির উল্লেখযোগ্য প্রযোজনা। শিশুদের নিয়েও নিয়মিত নাটক মঞ্চায়ন করে মণিপুরি থিয়েটার।

মণিপুরি থিয়েটার ২০১০ সালে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে নির্মাণ করে প্রথম গ্রামীণ থিয়েটার স্টুডিও নটম-প। ২০১৯ সালে ভারতীয় দুতাবাসের আর্থিক সহযোগিতায় নটম-পের পূর্ণাঙ্গ একটি বিল্ডিং নির্মিত হয়। এখানে দর্শনীর বিনিময়ে নাটক মঞ্চায়িত হয়।

রজতজয়ন্তীর দিন রাত ৯টায় মণিপুরি থিয়েটারের নটম-প থেকে সীমিত পরিসরে নাটকটি অনুষ্ঠান মণিপুরি থিয়েটারের পেজে সরাসরি প্রচার করা হবে। অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় যোগ দেবেন দেশের প্রথিতযশা কয়েকজন নাট্যব্যক্তিত্ব। এদিন উদ্বোধন করা হবে মণিপুরি থিয়েটারের ওয়েবসাইটও। এরপর থেকে বছরব্যাপী বিভিন্ন পর্যায়ে নাট্যোৎসব-নাট্যভ্রমণ-সেমিনার-কর্মশালা ইত্যাদি আয়োজন করা হবে।