সাদাকালোয় ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’, বড়পর্দায় আতিকের ‘ফাইটব্যাক’!



বিনোদন রিপোর্ট, বার্তা ২৪.কম
নূরুল আলম আতিক

নূরুল আলম আতিক

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘদিন পর বড়পর্দায় ফিরছেন নূরুল আলম আতিক। ২০১০ সালে চলচ্চিত্র ‘ডুবসাঁতার’ মুক্তির পর টানা ১১ বছর পর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে এ নির্মাতার নতুন চলচ্চিত্র ‘লাল মোরগের ছুটি’। আগামী ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। তার আগে আজ (২৫ নভেম্বর) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটির ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে অন্তর্জালে।

২ মিনিট ২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যর এই ট্রেলারটি নির্মাণ করেছেন রাশিদ শরীফ শোয়েব। এর আগে ২০ নভেম্বর মুক্তি দেওয়া হয় সরকারি অনুদানের ছবিটির অ্যানিমেশন টিজার।

ট্রেলারে ধরা পড়েছে চলচ্চিত্রটির প্রেক্ষাপট। শুরুতেই লেখা হয়েছে-১৯৭১ আগস্ট মাস। বাংলাদেশ এক বন্দীশালা। বিহারী অধ্যুষিত এক ছোট্ট শহর। এই শহরে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নির্মিত একটি এয়াফিল্ড। আর আছে পক্ষ-প্রতিপক্ষ, পূর্ব-পশ্চিমের চরিত্রসমূহ..।

চরিত্রগুলো এক ঝলক দেখাও দিলেন দেশসেরা নানা অভিনয়শিল্পীর অভিনয়ে। নাম ‘লাল মোরগের ঝুটি’ হলেও সিনেমার রং সাদাকালো। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সেই পাক বাহিনীর নির্যাতন আর মুক্তির স্বপ্নে প্রত্যয়ী মুখগুলো ধরা পড়েছে ট্রেলারে। দু’টি লাল মোরগের যুদ্ধে কে জয়ী হয়? উত্তর আছে ট্রেলারের শেষ মুহূর্তের সংলাপে। আহমেদ রুবেলের কন্ঠে শোনা গেলো সংলাপ-লিডার ওই শেখের ডাকে পান্তা খাওয়া পোলাপান আবার ফাইটব্যাক করতে শিখসে। ফাইটব্যাক!

দারুণ সিনেমাটিক ইমেজে সিনেমার যুদ্ধে নুরুর আলম আতিকের ঘুরে দাঁড়ানোও ধরা পড়লো ট্রেলারে।

শোয়েব বলেন, “স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমরা মুভিটা নিয়ে হাজির হচ্ছি। এটা একটা আনন্দের বিষয়। আর ১১ বছর পর আতিক ভাইয়ের মুভি দেখবো বড় পর্দয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে সিনেমার ট্রেলারে সবকিছু বলে দেওয়ার পক্ষে না। তাই ট্রেলারটা সেইভাবে বানানো। যেহেতু আতিক ভাইয়ের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের একটা জার্নি আছে মুভিটা নিয়ে তাই প্যানেলে বসে গেলাম। এভাবেই তৈরি হলো ট্রেলার।”

গত ৭ নভেম্বর ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পায়। ১০ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি পর্বে আছেন নির্মাতা ও এ ছবির কলাকুশলীরা। চলছে প্রচার প্রচারণার কাজও।

পাণ্ডুলিপি কারখানা প্রযোজিত ছবিটি ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পায়। ২০১৬ সালে শুটিং শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের গল্পের এই ছবির।

এ ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, লায়লা হাসান, আহমেদ রুবেল, আশনা হাবিব ভাবনা, অশোক বেপারী, আশীষ খন্দকার, জয়রাজ, শিল্পী সরকার, ইলোরা গওহর, জ্যোতিকা জ্যোতি, দিলরুবা দোয়েল, স্বাগতা, শাহজাহান সম্রাট, দীপক সুমন, খলিলুর রহমান কাদেরী, অনন্ত মুনির, সৈকত, যুবায়ের, আশেক-মাশেক, মতিউল আলম, হাসিমুনসহ কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল এবং গৌরীপুর এলাকার সাধারণ মানুষ।

ছবিটির প্রযোজক হিসেবে আছেন মাতিয়া বানু শুকু, চিত্রগ্রহণে সুমন সরকার, কাশেফ শাহবাজী, মাজাহারুল ইসলাম, সম্পাদনা সামির আহমেদ, শব্দে সুকান্ত মজুমদার, সংগীতে আছেন রাশিদ শরীফ শোয়েব, শিল্প নির্দেশনায় লিটন কর, ওয়াদুদ রেইনি, পোশাক পরিকল্পনায় শারমিন নাহার লাকী, আফরোজা, মৃন্ময়ী সরকার, রূপসজ্জায় মো. ফারুক, ফরহাদ রেজা মিলন।