নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে তাশফির ‘আলো’



রুদ্র হক, বার্তা ২৪.কম
তাশফি

তাশফি

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজের জীবনের অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে আলো খুঁজে পেয়েছিলেন সুরের পথে। সংগীত জীবনে পরিচিতি পেলেও নিজের সৃষ্টি মৌলিক গানে এবার তিনি ফিরিয়ে আনলেন সেই বেদনার কথা।

সম্প্রতি প্রকাশিত হল নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পী তাশফির একক গান ‘আলো’।

তাশফির মতে, ‘আলো’ গানটি তার জন্য প্রথম একক- যার কথা, সুরে ও গানের চিত্রায়ণে শুধু তাকেই খুঁজে পাওয়া যাবে।

আরাফাত কাজীর কথায় তাশফির সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সংগীত পরিচালক সুদীপ্ত পাল। সম্প্রতি তাশফির ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশিত হয়েছে। গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছেন মডেল ও উপস্থাপিকা সারাহ আলম।

ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন ইলাজার ইসলাম।

তাশফি জানান, গান তৈরির পেছনের গল্পটাও। নিজের বেদনার কথা তুলে ধরেন তিনি গীতিকার আরাফাত কাজীকে। সঙ্গে দিয়ে দেন সুদীপ্ত পালের মিউজিকে তার করা সুরটিও। তাশফির বয়ান থেকে রচিত কথায় তৈরি হয় গানটি।

তবে, তাতেই তৃপ্ত হননি তাশফি। তার লক্ষ্য এ গানে যে মডেল হবে সে যেন আরেকজনই তাশফিই হয়ে ওঠে। বন্ধু সারাহকে সাথে নিয়েই নির্মিত হয় গান-চিত্রটি।


তাশফি বলেন, “একজন মানুষ যখন কারো দ্বারা নির্যাতন বা সহিংসতার স্বীকার হন, অবদমিত হন তখন তিনিই জানেন, তার কেমন লাগে। সে অন্ধকার থেকে অনেকেই তখন আলো খুঁজে পান না। এ গান সেইসব মানুষদের শক্তি এবং সাহস যোগাবে। তাই এর নাম ‘আলো’। আমি সারাজীবন যত গানই করি এটি আমার কাছে বিশেষ একটি গান হয়ে থাকবে।”

সংগীত পরিচালক সুদীপ্ত পাল বলেন, “বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম যৌথ কাজ। গানটা আমার খুবই ভালো লেগেছে। আমি খুবই আনন্দিত এ গানের সংগীত প্রযোজনাটি করতে পেরে।”

গানবাংলা টেলিভিশনের ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’ এ পান্থ কানাইয়ের সঙ্গে ‘নৌকা’ গানে একসঙ্গে পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন সংগীতশিল্পী তাশফি। প্রকাশিত হয়েছে তার বেশকিছু একক গান। গান করেছেন বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে।

সদ্যবিদায়ী বছরে জি সিরিজে প্রকাশিত ‘রাজকুমারী’ গানটি দারুণ শ্রোতাপ্রিয়তা ও প্রশংসা অর্জন করে। বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক শিল্পী হিসেবে চীনের ‘ইন্টারন্যাশনাল গোস্ট ফেস্টিভাল’-এ অংশ নেয়ার অর্জনও আছে তার ঝুলিতে।

গানের লিংক

শুভ জন্মদিন হুমায়ুন ফরীদি



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হুমায়ুন ফরীদি

হুমায়ুন ফরীদি

  • Font increase
  • Font Decrease

তার রক্তে মিশে ছিলো অভিনয়, নাট্য জগতের সবাই বুঝে ফেলেছিলো ধূমকেতুর জন্ম হয়েছে, একদিন শাসন করবে এই যুবক। সেদিনের হিসেব এক চিলতেও ভুল হয়নি, টানা তিন দশক তার ম্যাজিকাল অভিনয় বুঁদ করে রেখেছিলেন পুরো বাঙালি অভিনয় প্রিয় জাতিকে। কথা হচ্ছে- হুমায়ুন ফরীদিকে নিয়ে।

খুব আয়োজন করে না হলেও আজ হয়তো রাজধানীর ধানমন্ডির ৯/এ’র ৭২ নাম্বার বাসায় একটা কেক আসতো। আর সেই কেকের উপর মোটা করে লেখা থাকতো ‘শুভ জন্মদিন হুমায়ুন ফরীদি’। যদি না ২০১২ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি, বসন্তের প্রথম সকালে ঢাকা হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে না যেত।

১৯৫২ সালের ২৯ মে ঢাকার নারিন্দায় জন্মেছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। আজ প্রয়াত এই তারকার ৬৯তম জন্মদিন।

হুমায়ুন ফরীদির বাবার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মায়ের নাম বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে ফরীদি ছিলেন দ্বিতীয়। ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেন চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে ভর্তি হন স্নাতক করতে। কিন্তু পরের বছরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় খাতা-কলম বাক্সবন্দি করে কাঁধে তুলে নেন রাইফেল। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে দামাল ছেলের মতো লড়াই করেছেন ফরীদি।

১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন হুমায়ুন ফরিদী নাট্য সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন। ১৯৬৪ সালে প্রথম কিশোরগঞ্জে মহল্লার মঞ্চনাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। টিভি নাটকে প্রথম অভিনয় করেন ‘নিখোঁজ সংবাদ’ শিরোনামের নাটকে। ফরিদীর প্রথম অভিনয় করা সিনেমার নাম ‘হুলিয়া’।

এরপর মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র এই মাধ্যমেই সমান তালে তিন দশক আলো ছড়িয়ে হয়ে উঠেছিলেন দেশের শোবিজের অন্যতম সেরা অভিনেতা। নায়ক-খলনায়ক দুই চরিত্রেই তিনি ছিলেন সাবলীল। তবে ফরিদী বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বিখ্যাত সংশপ্তক নাটকে ‘কানকাটা রমজান’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত হয়েছিলেন।

‘মাতৃত্ব’ সিনেমার জন্য ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছিলেন হুমায়ুন ফরিদী। এছাড়া নৃত্যকলা ও অভিনয় শিল্পের জন্য ২০১৮ সালের একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেছিলেন এই অভিনেতা।

এরপর ২০১২ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি, বসন্তের প্রথম সকাল। ঢাকা বাসন্তী রঙে বসন্তকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত। সকাল ১০টায় হঠাৎ সব রঙ কেড়ে নিলো রাজধানীর ধানমন্ডির ৯/এ’র ৭২ নাম্বার বাসা। খবর এলো, বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী আর নেই।

এরপর থেকে হুমায়ুন ফরীদির শহরে নিয়ম করে বসন্ত নামে। সেই বসন্তের আগমনে শহরের চারদিকে রঙের ছড়াছড়ি হয়। শুধুই থাকেন না একজন হুমায়ুন ফরিদী।

;

১০০ কোটি আয়, ভাত-পাপড় খেয়ে উদযাপন করলেন কার্তিক



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দর্শক মনে জায়গা করে নিতে সফল হয়েছে আনিজ বাজমি পরিচালিত ও কার্তিক আরিয়ান অভিনীত হরর কমেডি ‘ভুল ভুলাইয়া টু’। শনিবার (২৮ মে) ১০০ কোটির ঘরে পৌঁছে গেছে ছবিটি।


এদিন, ছবির গান 'আমি যে তোমার' লঞ্চে কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন কার্তিক। সেখানে প্রচারণার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরেন তিনি। পরে রাত ২টার সময় রাস্তার পাশের স্টলগুলো থেকে ভাত ও পাপড় কিনে খেয়ে ছবিটির শত কোটি রুপি আয়ের খুশি উদযাপন করলেন বলিউডের এই অভিনেতা। আর সেই ভিডিও এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

রাস্তার পাশের স্টল থেকে কেন খাচ্ছেন জানতে চাইলে, কার্তিকের মন্তব্য, ‘কোথাও খাবার পাচ্ছি না, কেউ দোকান খোলা রাখেনি।’ অভিনেতা জানিয়েছেন, রাত ২টা বাজে, ছবির প্রোমোশন করে ফিরছেন তিনি।

 
 
 
View this post on Instagram

A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani)

এখানেই শেষ নয়, কলকাতার হাওড়া ব্রিজে যান অভিনেতা। কলকাতার গৌরব হলুদ ট্যাক্সির মাথায় উঠে ফটোসেশনও করতে দেখা যায় তাকে।

কার্তিক-কিয়ারা ছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন টাবু, রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্রার মতো অভিনেতারা।

;

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে চরকির জয়গান



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় বসছিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারা ঝলমলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের ২৩তম আসর।

বিনোদন জগতের তারকাদের অংশগ্রহণের বিবেচনায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অনুষ্ঠান দেশের সবচেয়ে বড় আসর।

নানা কারণে এই পুরস্কারের প্রতি দেশের তারকা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষ প্রিয় তারকা নির্বাচনের জরিপে অংশ নেন। আর চূড়ান্ত ফলাফল জানতে পুরস্কার অনুষ্ঠানের দিনটির জন্য কৌতূহল নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন।

কোভিড অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সাল—এই দুই বছর অনুষ্ঠান হয়নি। তাই এবারের আয়োজনে ছিল সবার নজর। কার হাতে উঠবে সেরাদের সেরা পুরস্কার, দর্শক কাকে বেছে নিবে বছরের সেরা শিল্পী হিসেবে... সব প্রশ্ন, উৎসাহ, উদ্দীপনার অবসান ঘটেছে ২৭ মে।

সমালোচক ও দর্শকদের ভোটে পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে চরকির কাজের জন্য চারজন পুরস্কার জিতেছেন।

*সমালোচকের রায়ে সেরা
সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা: ফজলুর রহমান বাবু (খাঁচার ভেতর অচিন পাখি)
সেরা ওয়েব সিরিজ বিশেষ সম্মাননা: সুকর্ন সাহেদ ধীমান (বাংকার বয়)
সীমিতদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্রে সেরা অভিনেত্রী: তাসনিয়া ফারিন (তিথির অসুখ)

*তারকা জরিপে সেরা
সেরা গায়িকা: অবন্তী সিঁথি (রূপকথার জগতে: নেটওয়ার্করে বাইরে)

প্রথমবারের মতো মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের আয়োজনে উপস্থিত ছিল চরকি। আর প্রথমবারেই চরকির কাজগুলো বাজিমাত করেছে বলা যায়।

;

স্বর্ণপাম জিতলো সুইডেনের ছবি ‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রুবেন অস্টলান্ড

রুবেন অস্টলান্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৫তম আসরে স্বর্ণপাম (পাম দ’র) জিতলো সুইডেনের ছবি ‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’। রুবেন অস্টলান্ডের এই ছবিকে দেওয়া হলো উৎসবের সবচেয়ে বড় সম্মান।

তিনি এর আগে ২০১৭ সালে ‘দ্য স্কয়ার’ ছবির জন্য স্বর্ণপাম জিতেছেন। পরপর দুই ছবির জন্য এমন অর্জন বিশ্বের আর কোনো পরিচালকের নেই।

শনিবার (২৮ মে) কানের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট) পালে দে ফেস্টিভাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে বসেছিল সমাপনী আয়োজন।

রুবেন অস্টলান্ডের হাতে স্বর্ণপাম তুলে দেন এবারের আসরের মূল প্রতিযোগিতা শাখার বিচারকদের প্রধান ফরাসি অভিনেতা ভাসোঁ লাদোঁ এবং মেক্সিকান পরিচালক আলফনসো কুয়ারন।

সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন বেলজিয়ান অভিনেত্রী ভার্জিনি এফিরা।

৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের বিজয়ী তালিকা:

স্বর্ণপাম: ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস (রুবেল অস্টলান্ড, সুইডেন)

গ্র্যাঁ প্রিঁ (যৌথভাবে): স্টারস অ্যাট নুন (ক্লেয়ার ডেনি, ফ্রান্স) এবং ক্লোজ (লুকাস ডোন্ট, বেলজিয়াম)

সেরা পরিচালক: ডিসিশন টু লিভ (পার্ক চ্যান-উক, দক্ষিণ কোরিয়া)

সেরা চিত্রনাট্যকার: তারিক সালেহ (ছবি: বয় ফ্রম হ্যাভেন, সুইডেন)

সেরা অভিনেত্রী: জার আমির ইব্রাহিমি (ছবি: হলি স্পাইডার, ইরান)

সেরা অভিনেতা: সং কাং হো (ছবি: ব্রোকার, দক্ষিণ কোরিয়া)

জুরি প্রাইজ (যৌথভাবে): দ্য এইট মাউন্টেন (ফেলিক্স ফন খ্রোনিনেন ও শার্লোট ফান্দারমিয়ার্স,
বেলজিয়াম) এবং ইও (ইয়াজি স্কলিমোস্কি, পোল্যান্ড)

কান উৎসবের ৭৫ বছর পূর্তি পুরস্কার: জ্যঁ-পিয়েরে দারদেন ও লুক দারদেন (টরি অ্যান্ড লকিটা, বেলজিয়াম)

ক্যামেরা দ’র: জিনা গামেল ও রাইলি কিয়াও (ছবি: ওয়ার পনি, যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র)

ক্যামেরা দ’র (বিশেষ সম্মান): হায়াকাওয়া চিয়ে (ছবি: প্ল্যান সেভেনটি ফাইভ, জাপান)

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি: দ্য ওয়াটার মারমার্স (জিয়ানিং চেন, চীন)

স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি (বিশেষ সম্মান): মেলানকলি অব মাই মাদার’স লালাবাইস (অবিনাশ বিক্রম শাহ, নেপাল)

;