আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবে মুণ্ডা জনগোষ্ঠির চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা উপকূলবর্তী সাতক্ষীরা জেলাধীন শ্যামনগরবাসী ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি মুণ্ডা জনগোষ্ঠির জন্য ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসব (ডিআইএমএফএফ)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল ৬-দিনব্যাপী সিডিএসটি মোবাইল ফিল্মমেকিং ওয়ার্কশপ উইথ মুন্ডা কমিউনিটি শীর্ষক চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা।

২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই কর্মশালাটি জলবায়ু পরিবর্তন ও মুণ্ডা জনগোষ্ঠির দৈনন্দিন জীবনে এর নানা প্রভাবকে মূল উপজীব্য করে আয়োজন করা যেখানে ১০ জন স্থানীয় মুণ্ডা তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মোবাইল চলচ্চিত্রের ক্যানভাসে জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাব বৈশ্বিক উষ্ণায়ণ এবং মুণ্ডা জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনে এর দীর্ঘমেয়াদী নানা প্রভাবকে কেন্দ্র করে তাদের নিজ নিজ চিন্তাধারার ভিত্তিতে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাদের নির্মীত মোবাইল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উঠে আসে বাঘ-বিধবা, বাল্যবিবাহ, সংস্কৃতি ও ভাষা, জীবিকার অভাব ও এর প্রতিকার থেকে শুরু করে স্থানচ্যুতির জীবনযন্ত্রনার গল্প।

তাদের গল্পে দেখা মেলে মুণ্ডাদের জীবনযুদ্ধের নানান দিক, বাল্যবিবাহের দরূন সৃষ্ট যন্ত্রণাকাতর দাম্পত্যের গাঁথা। পাশাপাশি নিজস্ব ঐতিহ্যকে রক্ষার আহ্বানও ফুটে ওঠে এসব চলচ্চিত্রের নানান প্রেক্ষাপটে।

এই প্রথমবারের মতো শ্যামনগরে বসবাসকারী মুণ্ডা জনগোষ্ঠির জন্য মোবাইল ফোন দ্বারা চিত্রধানের মাধ্যমে নিজের গল্প নিজেই উপস্থাপনের এই কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাটি কর্মশালাটিতে অংশগ্রহনকারীদের চলচ্চিত্র নির্মাণের মৌলিক খুঁটিনাটি বিষয়গুলোর বিষয়েও ধারনা দেয়া হয়। এই উদ্যোগটি ভবিষ্যতে সুবিধাবঞ্চিত এই জনগোষ্ঠিকে বৃহৎ পরিমণ্ডলে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের নির্মীত চলচ্চিত্র আমন্ত্রিত দর্শকদের সামনে প্রদর্শণ করা হয় যেখানে তাদের দৈনন্দিন জীবনযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রকৃতির বৈরীরূপের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকার লড়াইকে উপস্থাপন করেন কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা।

গত ২৮ জানুয়ারি,শুক্রবার বিকেলে সিডিএসটি মোবাইল ফিল্মমেকিং ওয়ার্কশপ উইথ মুন্ডা কমিউনিটি, শ্যামনগর ২০২২ শীর্ষক এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যতম আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এর গণমাধ্যম শিক্ষণ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডক্টর জুড উইলিয়াম হেনিলো তার প্রেরিত বার্তায় অংশগ্রহনকারীদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

অন্যতম আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডারহাম ইউনিভার্সিটির প্রকল্প গবেষক আনহেলো থিওক্যারিস তার প্রেরিত বক্তব্যে কমিউনিটি ডিজিটাল স্টোরিটেলিং অ্যান্ড ডেল্টা ফিউচার্স ইন ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ এন্ড ভিয়েতনাম (সিডিএসটি) প্রকল্পটির নান দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অতিথিদের আলোচনাপর্ব শেষে অংশগ্রহণকারীদের নির্মীত চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শন করা হয়।

সমাপনী এই অনুষ্ঠানে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব ভবতোষ কুমার মণ্ডল, ইনিশিয়েটিভ ফর কোস্টাল ডেভলোপমেন্ট (আইডিসি) এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আশিকুজ্জামান আশিক ও শ্যামনগর এর আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থা পিপলস রিসার্চ অন গ্রাসরুট ওনারশীপ অ্যান্ড ট্রেডিশনাল ইনিশিয়েটিভ (প্রগতি)-এর প্রতিষ্ঠাতা আশেক-ই-এলাহী উপস্থিত ছিলেন।

কমিউনিটি ডিজিটাল স্টোরিটেলিং অ্যান্ড ডেল্টা ফিউচার্স ইন ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ অ্যান্ড ভিয়েতনাম (সিডিএসটি) শীর্ষক এই প্রকল্পটির যৌধ অর্থায়নে রয়েছে ইউকেআরআই জিসিআরএফ লিভিং ডেল্টাস হাব এবং ডারহাম ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব হ্যাজার্ড, রিস্ক অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (আইএইচআরআর)।

প্রকল্পের অধীনে এই কর্মশালাটির যৌথ আয়োজনে ছিলো ইউল্যাব এবং শ্যামনগর এর আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থা প্রগতি। ডিআইএমএফএফ-এর পক্ষ থেকে এর উপদেষ্ঠা ডক্টর আব্দুল কাবিল খান ও নির্বাহী উপদেষ্টা সৈয়দা সাদিয়া মেহজাবিন কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। আয়োজনটির সমন্বয়ে ইউল্যাব এর পক্ষ থেকে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কাদের, জেষ্ঠ্য প্রভাষক মুহাম্মদ আমিনুজ্জামান এবং প্রগতির পক্ষ থেকে ছিলেন জনাব আশেক-ই-এলাহী।

শুভ জন্মদিন হুমায়ুন ফরীদি



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হুমায়ুন ফরীদি

হুমায়ুন ফরীদি

  • Font increase
  • Font Decrease

তার রক্তে মিশে ছিলো অভিনয়, নাট্য জগতের সবাই বুঝে ফেলেছিলো ধূমকেতুর জন্ম হয়েছে, একদিন শাসন করবে এই যুবক। সেদিনের হিসেব এক চিলতেও ভুল হয়নি, টানা তিন দশক তার ম্যাজিকাল অভিনয় বুঁদ করে রেখেছিলেন পুরো বাঙালি অভিনয় প্রিয় জাতিকে। কথা হচ্ছে- হুমায়ুন ফরীদিকে নিয়ে।

খুব আয়োজন করে না হলেও আজ হয়তো রাজধানীর ধানমন্ডির ৯/এ’র ৭২ নাম্বার বাসায় একটা কেক আসতো। আর সেই কেকের উপর মোটা করে লেখা থাকতো ‘শুভ জন্মদিন হুমায়ুন ফরীদি’। যদি না ২০১২ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি, বসন্তের প্রথম সকালে ঢাকা হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে না যেত।

১৯৫২ সালের ২৯ মে ঢাকার নারিন্দায় জন্মেছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। আজ প্রয়াত এই তারকার ৬৯তম জন্মদিন।

হুমায়ুন ফরীদির বাবার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মায়ের নাম বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে ফরীদি ছিলেন দ্বিতীয়। ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেন চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে ভর্তি হন স্নাতক করতে। কিন্তু পরের বছরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় খাতা-কলম বাক্সবন্দি করে কাঁধে তুলে নেন রাইফেল। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে দামাল ছেলের মতো লড়াই করেছেন ফরীদি।

১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন হুমায়ুন ফরিদী নাট্য সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন। ১৯৬৪ সালে প্রথম কিশোরগঞ্জে মহল্লার মঞ্চনাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। টিভি নাটকে প্রথম অভিনয় করেন ‘নিখোঁজ সংবাদ’ শিরোনামের নাটকে। ফরিদীর প্রথম অভিনয় করা সিনেমার নাম ‘হুলিয়া’।

এরপর মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র এই মাধ্যমেই সমান তালে তিন দশক আলো ছড়িয়ে হয়ে উঠেছিলেন দেশের শোবিজের অন্যতম সেরা অভিনেতা। নায়ক-খলনায়ক দুই চরিত্রেই তিনি ছিলেন সাবলীল। তবে ফরিদী বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বিখ্যাত সংশপ্তক নাটকে ‘কানকাটা রমজান’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত হয়েছিলেন।

‘মাতৃত্ব’ সিনেমার জন্য ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছিলেন হুমায়ুন ফরিদী। এছাড়া নৃত্যকলা ও অভিনয় শিল্পের জন্য ২০১৮ সালের একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেছিলেন এই অভিনেতা।

এরপর ২০১২ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি, বসন্তের প্রথম সকাল। ঢাকা বাসন্তী রঙে বসন্তকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত। সকাল ১০টায় হঠাৎ সব রঙ কেড়ে নিলো রাজধানীর ধানমন্ডির ৯/এ’র ৭২ নাম্বার বাসা। খবর এলো, বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী আর নেই।

এরপর থেকে হুমায়ুন ফরীদির শহরে নিয়ম করে বসন্ত নামে। সেই বসন্তের আগমনে শহরের চারদিকে রঙের ছড়াছড়ি হয়। শুধুই থাকেন না একজন হুমায়ুন ফরিদী।

;

১০০ কোটি আয়, ভাত-পাপড় খেয়ে উদযাপন করলেন কার্তিক



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দর্শক মনে জায়গা করে নিতে সফল হয়েছে আনিজ বাজমি পরিচালিত ও কার্তিক আরিয়ান অভিনীত হরর কমেডি ‘ভুল ভুলাইয়া টু’। শনিবার (২৮ মে) ১০০ কোটির ঘরে পৌঁছে গেছে ছবিটি।


এদিন, ছবির গান 'আমি যে তোমার' লঞ্চে কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন কার্তিক। সেখানে প্রচারণার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরেন তিনি। পরে রাত ২টার সময় রাস্তার পাশের স্টলগুলো থেকে ভাত ও পাপড় কিনে খেয়ে ছবিটির শত কোটি রুপি আয়ের খুশি উদযাপন করলেন বলিউডের এই অভিনেতা। আর সেই ভিডিও এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

রাস্তার পাশের স্টল থেকে কেন খাচ্ছেন জানতে চাইলে, কার্তিকের মন্তব্য, ‘কোথাও খাবার পাচ্ছি না, কেউ দোকান খোলা রাখেনি।’ অভিনেতা জানিয়েছেন, রাত ২টা বাজে, ছবির প্রোমোশন করে ফিরছেন তিনি।

 
 
 
View this post on Instagram

A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani)

এখানেই শেষ নয়, কলকাতার হাওড়া ব্রিজে যান অভিনেতা। কলকাতার গৌরব হলুদ ট্যাক্সির মাথায় উঠে ফটোসেশনও করতে দেখা যায় তাকে।

কার্তিক-কিয়ারা ছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন টাবু, রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্রার মতো অভিনেতারা।

;

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে চরকির জয়গান



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় বসছিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের তারা ঝলমলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের ২৩তম আসর।

বিনোদন জগতের তারকাদের অংশগ্রহণের বিবেচনায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অনুষ্ঠান দেশের সবচেয়ে বড় আসর।

নানা কারণে এই পুরস্কারের প্রতি দেশের তারকা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষ প্রিয় তারকা নির্বাচনের জরিপে অংশ নেন। আর চূড়ান্ত ফলাফল জানতে পুরস্কার অনুষ্ঠানের দিনটির জন্য কৌতূহল নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন।

কোভিড অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সাল—এই দুই বছর অনুষ্ঠান হয়নি। তাই এবারের আয়োজনে ছিল সবার নজর। কার হাতে উঠবে সেরাদের সেরা পুরস্কার, দর্শক কাকে বেছে নিবে বছরের সেরা শিল্পী হিসেবে... সব প্রশ্ন, উৎসাহ, উদ্দীপনার অবসান ঘটেছে ২৭ মে।

সমালোচক ও দর্শকদের ভোটে পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে চরকির কাজের জন্য চারজন পুরস্কার জিতেছেন।

*সমালোচকের রায়ে সেরা
সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা: ফজলুর রহমান বাবু (খাঁচার ভেতর অচিন পাখি)
সেরা ওয়েব সিরিজ বিশেষ সম্মাননা: সুকর্ন সাহেদ ধীমান (বাংকার বয়)
সীমিতদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্রে সেরা অভিনেত্রী: তাসনিয়া ফারিন (তিথির অসুখ)

*তারকা জরিপে সেরা
সেরা গায়িকা: অবন্তী সিঁথি (রূপকথার জগতে: নেটওয়ার্করে বাইরে)

প্রথমবারের মতো মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের আয়োজনে উপস্থিত ছিল চরকি। আর প্রথমবারেই চরকির কাজগুলো বাজিমাত করেছে বলা যায়।

;

স্বর্ণপাম জিতলো সুইডেনের ছবি ‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রুবেন অস্টলান্ড

রুবেন অস্টলান্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৫তম আসরে স্বর্ণপাম (পাম দ’র) জিতলো সুইডেনের ছবি ‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’। রুবেন অস্টলান্ডের এই ছবিকে দেওয়া হলো উৎসবের সবচেয়ে বড় সম্মান।

তিনি এর আগে ২০১৭ সালে ‘দ্য স্কয়ার’ ছবির জন্য স্বর্ণপাম জিতেছেন। পরপর দুই ছবির জন্য এমন অর্জন বিশ্বের আর কোনো পরিচালকের নেই।

শনিবার (২৮ মে) কানের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট) পালে দে ফেস্টিভাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে বসেছিল সমাপনী আয়োজন।

রুবেন অস্টলান্ডের হাতে স্বর্ণপাম তুলে দেন এবারের আসরের মূল প্রতিযোগিতা শাখার বিচারকদের প্রধান ফরাসি অভিনেতা ভাসোঁ লাদোঁ এবং মেক্সিকান পরিচালক আলফনসো কুয়ারন।

সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন বেলজিয়ান অভিনেত্রী ভার্জিনি এফিরা।

৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের বিজয়ী তালিকা:

স্বর্ণপাম: ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস (রুবেল অস্টলান্ড, সুইডেন)

গ্র্যাঁ প্রিঁ (যৌথভাবে): স্টারস অ্যাট নুন (ক্লেয়ার ডেনি, ফ্রান্স) এবং ক্লোজ (লুকাস ডোন্ট, বেলজিয়াম)

সেরা পরিচালক: ডিসিশন টু লিভ (পার্ক চ্যান-উক, দক্ষিণ কোরিয়া)

সেরা চিত্রনাট্যকার: তারিক সালেহ (ছবি: বয় ফ্রম হ্যাভেন, সুইডেন)

সেরা অভিনেত্রী: জার আমির ইব্রাহিমি (ছবি: হলি স্পাইডার, ইরান)

সেরা অভিনেতা: সং কাং হো (ছবি: ব্রোকার, দক্ষিণ কোরিয়া)

জুরি প্রাইজ (যৌথভাবে): দ্য এইট মাউন্টেন (ফেলিক্স ফন খ্রোনিনেন ও শার্লোট ফান্দারমিয়ার্স,
বেলজিয়াম) এবং ইও (ইয়াজি স্কলিমোস্কি, পোল্যান্ড)

কান উৎসবের ৭৫ বছর পূর্তি পুরস্কার: জ্যঁ-পিয়েরে দারদেন ও লুক দারদেন (টরি অ্যান্ড লকিটা, বেলজিয়াম)

ক্যামেরা দ’র: জিনা গামেল ও রাইলি কিয়াও (ছবি: ওয়ার পনি, যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র)

ক্যামেরা দ’র (বিশেষ সম্মান): হায়াকাওয়া চিয়ে (ছবি: প্ল্যান সেভেনটি ফাইভ, জাপান)

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি: দ্য ওয়াটার মারমার্স (জিয়ানিং চেন, চীন)

স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি (বিশেষ সম্মান): মেলানকলি অব মাই মাদার’স লালাবাইস (অবিনাশ বিক্রম শাহ, নেপাল)

;