শাহরুখ বলছেন, ‘চাই তো আলিয়াকে!’ শুনে কী বললেন অভিনেত্রী



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাহরুখ বলছেন, ‘চাই তো আলিয়াকে!’ শুনে কী বললেন অভিনেত্রী

শাহরুখ বলছেন, ‘চাই তো আলিয়াকে!’ শুনে কী বললেন অভিনেত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

‘জাওয়ান’ আসছে। তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে আজ মুক্তি পেল শাহরুখ খানের এই ছবির ট্রেলার। খুব দ্রুতই সেটি হিট হয়ে গেল দর্শকের মধ্যে। অনুরাগীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন এই ছবিটি নিয়ে। ছবিতে শাহরুখ ছাড়াও রয়েছেন নয়নতারা, বিজয় সেতুপতি এবং আরও অনেকে। ছবির ট্রেলার মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই তার একটি সংলাপ বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে। যার সঙ্গে সম্পর্ক আছে আলিয়া ভাটের। কী সেই সংলাপ?

ট্রেলারের একটি অংশে শাহরুখ খান অভিনীত চরিত্রকে জিজ্ঞাসা করা হয় ‘তুমহে চাহিয়ে কেয়া’, তাঁর উত্তরে সেই চরিত্র বলে, ‘চাহিয়ে তো আলিয়া ভাট।’ বাংলায় বললেন, ‘চাই তো আলিয়া ভাট’। আর এই সংলাপ মুহূর্তে হয়ে গেল ভাইরাল। কিন্তু যাকে নিয়ে এই সংলাপ, তিনি নিজে কী বলছেন? হ্যাঁ, আলিয়াও এই সংলাপ শুনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

ট্রেলারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রী। এই সংলাপের প্রেক্ষিতে তাঁর জবাব, ‘আর দুনিয়ার সকলের চাই শুধু এসআরকে’। আলিয়ার এই জবাবও ভালো লেগেছে তাঁর অনুরাগীদের। তার পরে এই সংলাপ আরও হিট হয়েছে।

ছবির ট্রেলারে এবার দেখা গেল শাহরুখ খানের আরও একাধিক লুক। যত দূর জানা গিয়েছে, বাবা ও ছেলে দুই চরিত্রেই অভিনয় করেছেন তিনি। ছবিতে দক্ষিণী তারকা বিজয় সেতুপতির অভিনীত চরিত্রটি সম্পর্কেও বেশি করে জানা গেল ট্রেলরে। নজর কেড়েছেন নয়নতারাও। এই ছবিতে গুরুত্বপূ্র্ণ চরিত্রে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনকেও। ট্রেলর দেখে আন্দাজ করা গেল সেটিও। ছবিটি অ্যাকশনে ভরপুর, সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

ছবির আরও একটি সংলাপ জনপ্রিয় হয়েছে। শাহরুখকে বলতে শোনা যাচ্ছে ‘বেটে কো হাত লাগানে সে প্যাহেলে বাপ সে বাত কর’ অর্থাৎ ‘ছেলের গায়ে হাত দেওয়ার আগে বাবার সঙ্গে কথা বল।’ এই অংশটি আলাদা করে কেটে ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল করে দিয়েছেন শাহরুখ অনুরাগীরা। বহু নেটিজেনের দাবি, শাহরুখ এই ডায়ালগের মাধ্যমে আসলে ব্যক্তিগতভাবে সকলকে বার্তা দিয়েছেন। আর এই বার্তা ‘বাদশা’ পুত্র আরিয়ানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে।

টলিউড নায়িকা সোহিনী সরকারের বিয়ের একগুচ্ছ ছবি



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিয়ের আসরে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

বিয়ের আসরে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

  • Font increase
  • Font Decrease

অবশেষে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন কলকাতার সিনেমার পর্দাকাপানো নায়িকা সোহিনী সরকার ও গায়ক শোভন গাঙ্গুলি। আজ কলকাতার বাইরে একটি ফার্মহাউসে গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই লাভ বার্ড!

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

সোহিনী-শোভন জুটি একেবারেই সাদামাটাভাবে বিয়ে করেছেন। বিয়ের ছবিগুলো নিজেই ফেসবুকে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন নায়িকা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দেখা হওয়ার এক বছরে, একই সাথে একই ঘর ‘!

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

সোহিনীর বিয়ের সাজ দেখে মনটা ভরে উঠেছে ভক্তদের। একেবারে ছিমছাম মেকাপ নায়িকার মুখে। মেরুণ শাড়িতে সোনালী জরির ক্ল্যাসি কাজ। গয়নাও নেই ভারিক্কী। সাবেকী ডিজাইনের সোনার পাতলা গায়না আর টুকটুকে লাল ঠোট, ব্যাস এটুকুতেই বিয়ের সাজ কমপ্লিট এই তারকার!

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

অনেকদিন থেকেই কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের সঙ্গে সেখানকার উঠতি গায়ক শোভন গাঙ্গুলির বিয়ের গুঞ্জন চলছিলোৈ। গত বছর অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তাদের। 

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

এদিন সকাল বেলা গায়ে হলুদের পর রেজিস্ট্রি বিয়ে করবেন তারা। আপাতত বিয়ের অন্যসব নিয়ম বাদ রেখে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে ছোটখাটো একটি অনুষ্ঠান হবে। এ বছরের শীতকালে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য একটা বড় পার্টি দেবেন সোহিনী-শোভন।

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

মাসখানেক আগে এই জুটি একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে আংটি বদল সেরেছেন। তেমন বড় তারকা কিংবা অনেক ধনী না হলেও সোহিনীর আগে শোবিজ তারকাদের মধ্যেই একাধিক প্রেমিকা ছিলো সারেগামাপা বাংলা’র চ্যাম্পিয়ন হওয়া শোভনের। সেই তালিকায় রয়েছেন তুমুল জনপ্রিয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত। সোহিনীও শোভনের আগে কলকাতার হ্যান্ডসাম হাঙ্ক অভিনেতা রণজয়ের সঙ্গে দারুণ রোমান্টিক সম্পর্কে ছিলেন।

বিয়ের সাজে সোহিনী সরকার ও শোভন গাঙ্গুলি

;

কোটা আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে তারকারা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
মানিক, রুনা খান, সুমন আনোয়ার, মৌটুসী বিশ্বাস, আশফাক নিপুণ ও তুষ্টি

মানিক, রুনা খান, সুমন আনোয়ার, মৌটুসী বিশ্বাস, আশফাক নিপুণ ও তুষ্টি

  • Font increase
  • Font Decrease

শিল্পী সমাজ তথা শোবিজ তারকারা তাদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে আনন্দ বিনোদনের পাশাপাশি সমাজের নানা সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। চলচ্চিত্র-নাটক-গান-নাচের মাধ্যমে সহজেই সামাজিক বার্তা দর্শকের হৃদয় স্পর্শ করে।

তবে সকল শিল্পী একইভাবে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন না। বলা ভালো, আমাদের দেশ কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনের তারকারাও শুধু তাদের শিল্প আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। একজন শিল্পীরও যে রাজনৈতিক দর্শন থাকতে পারে কিংবা একজন শিল্পীর পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে যে সামাজিক-রাষ্ট্রীয় ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত রাখার বিষয়টিও পড়ে সে কথা বেশিরভাগ মানুষই ভুলে যান।

আশফাক নিপুণ

তবে কিছু তারকা নিজের দায়িত্বের জায়গায় সচেতন থাকেন। যেমন চলমান কোটা আন্দোলন নিয়ে নিজেদের মতামত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন একাধিক জনপ্রিয় তারকা। কারণ দেশে এখন সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু এটি।

রাজনীতি সচেতন নির্মাতা আশফাক নিপুণ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘ছাত্রদের পাশে দাঁড়ান’। এই স্ট্যাটাসের কমেন্টে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর হামলার একটি ভিডিও লিংক শেয়ার করেছেন তিনি।

সমালোচকপ্রিয় নির্মাতা ও অভিনেতা সুমন আনায়ারও আন্দোলনকারী ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেছেন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে। তিনি লিখেছেন, ‘দেশটা তাহলে শুধুই আপনাদের, আমরা ধৈঞ্চা? আসলে যেখানে দায়িত্ব শব্দটা ‘‘ক্ষমতা’’ হিসেবে ব্যবহার হয় সেখানে নাগরিক ধৈঞ্চা!’

মৌটুসী বিশ্বাস

তবে বিপক্ষেও মত রয়েছে বেশ কয়েকজন তারকার। মেধাবী অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস ফেসবুকে ‘আছিস যত রাজাকার! এই মুহূর্তে বাঙলা ছাড়’ স্লোগান লেখা পোস্টার শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘তোমাদের দেশ আছে তো ময়নারা, গোষ্ঠী নিয়ে যাও না... সাথে করে দুর্নীতিবাজদেরও নিয়ে যাও।’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক লিখেছেন, ‘তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। জয় বাংলা।’

অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি লিখেছেন, ‘যারা নিজেদের রাজাকার বলতেও দ্বিধা করে না, আবার তারাই সরকারী চাকরীর জন্য কোটা চায় না, তাদের হাতে দেশ গেলে কি হবে সেটাই ভাবতেসি...’।

রুনা খান

তবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী রুনা খান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিরপেক্ষ থেকেছেন। ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’ স্লোগান লেখা একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে কমেন্টে সঞ্জয় সরকার মুক্তনীল নামের একজনের একটি লেখাও শেয়ার করেছেন। তাতে লেখা আছে, ‘প্রধান-এর কাছ থেকে আর একটু ম্যাচিউরিটি আশা করেছিলাম। স্লোগানে স্লোগানে শাহবাগ কাঁপছে, ঘরে বসে মৌলবাদীরা হাসছে। বিষয়টা ভালো হলো না। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ৭১-এ কোন রাজাকারও এই স্লোগান দেবার দুঃসাহস করেনি। এই ভুলের মাশুল বাংলাদেশকে অনেক বছর দিতে হবে। নতুন প্রজন্মের বিশাল একটি অংশকে অবহেলা করার খেসারত শাসকদের দিতে হবে। প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এই ফসল ঘরে তুলবে। মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বীর সন্তান জন্যই তাদেরকে বিতর্কের উর্দ্ধে রাখা উচিত ছিল। তবে মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজাকারের বাইরেও দেশে মানুষ আছে এবং তাদের দুঃখ দুর্দশা আছে। আর যতই ষড়যন্ত্র হোক, দিন শেষে ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’।

;

ববির হাতে চড় খেলেও ঋতুপর্ণা ফেরাননি পলাশকে!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
ববি, রাশিদ পলাশ ও ঋতুপর্ণা

ববি, রাশিদ পলাশ ও ঋতুপর্ণা

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ঈদুল আযহায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমাটি বেশ ভালোই আলোচনায় জন্ম দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ছবির প্রশংসা কিংবা বক্স অফিস সাফল্য নয়, নায়িকা ববির হাতে এ ছবির নির্মাতা রাশিদ পলাশ চড় খেয়ে বেশ আলোচনায় আসেন!

ইয়ামিন হক ববি

তবে দমে যাবার পাত্র নন এই নির্মাতা। ববি তাকে অপমান করলেও কলকাতার প্রখ্যাত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তাকে সমীহ করেছেন। তাইতো পলাশের নতুন ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে তাকে ফেরাননি ঋতু।

রাশিদ পলাশ তার নতুন ছবির ঘোষণা দিয়েছেন। নাম ‘তরী’। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নির্মাতা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ঋতুপর্ণার সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তিনি গল্প শুনে আমাদের চলচ্চিত্রে কাজ করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। এর মধ্যে আমরা আনুষ্ঠানিক বিষয়গুলো ঠিক করে ফেলবো।’

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

রাশিদ পলাশের ‘তরী’তে ঋতুপর্ণার এখনো চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও ইতোমধ্যে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। পরিচালক জানিয়েছেন, কিছু অংশের কাজ হয়েছে রাজশাহীতে। বাকি অংশের শুটিং সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত তখনই ঋতুপর্ণার অংশের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছবিতে ঋতুপর্ণাকে চলচ্চিত্রের এক্সট্রা আর্টিস্টের ভূমিকায় (সিনেমার মূল শিল্পীদের পেছনে বা পাশে কিছু ছোট ছোট চরিত্র থাকে, যাদের ‘এক্সট্রা’ বলা হয়) দেখা যাবে।

‘তরী’ সিনেমায় আর কোন কোন শিল্পী অভিনয় করছেন এখনই জানাতে চান না নির্মাতা। ছবিটির গল্প আহাদুর রহমানের, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। পুণ্য ফিল্মসের ব্যানারে এ বছরই শুটিং-ডাবিং শেষ করে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে পরিচালকের।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

;

কোনালের ‘আলো কি আটকানো’ গানে শুদ্ধ-সুন্দরের বার্তা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। এ সময়ের ব্যস্ত শিল্পী হিসেবে নতুন গান নিয়ে আসা তেমন বড় ঘটনা নয়। তবে তিনি যখন ‘এক নির্ঝরের গান’ প্রজেক্টের গান নিয়ে হাজির হন সেটি অবশ্যই এক শ্রেণীর দর্শক-শ্রোতার কাছে দারুণ ব্যাপার।

কেননা, মেধাবী নির্মাতা ও সঙ্গীতকার এনামুল করিম নির্ঝরের প্রতিটি কাজে থাকে স্বকীয়তা ও নতুনত্বের ছাপ। তার কম্পোজিশনে এক ধরনের সিম্ফনি তৈরী হয় যা শ্রোতাদের আলাদা আবেশে ভাসায়। ফাহমিদা নবীর কণ্ঠে সেই বিখ্যাত গান ‘লুকোলুরি লুকোচুরি গল্প’র কথা নিশ্চয়ই সবাই জানেন! তেমনি আমেজ পাওয়া যাচ্ছে কোনালের এই নতুন গানটিতে। যার নাম ‘আলো কি আটকানো’।

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

দুদিন হলো ‘গানশালা’ ইউটিউব চ্যানেলে গানটির ইনডোর মিউজিক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। এর কথা ও সুর করেছেন এমানুল করিম নির্ঝর। সঙ্গীত পরিকল্পনা সৈয়দ কামরুজ্জামান সুজনের। ‘যেটা আমাদের নিজের মতোন’ শিরোনামের অ্যালবামের আওতায় রয়েছে ‘আলো কি আটকানো’ গানটি।

কোনাল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নির্ঝর ভাইয়ের কাজগুলো আমার ভালোই লাগে। কারণ তার গানগুলো ভিন্নধর্মী হয়। আমরা সাধারনত যে ধরনের গান বেশি গাই, সেগুলো সাধারন মানুষের কাছে সহজে পৌঁছনোর জন্য সহজ সরল কথা ও সুর বেছে নেওয়া হয়। কিন্তু নির্ঝর ভাইয়ের টার্গেট অডিয়েন্স হয়তো আলাদা। এজন্য তার গানে নিজের চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জায়গাটা মনের মতো করে প্রকাশ করেন। তিনি সমাজের নানা সমস্যা নিয়ে গান করেন। আবার সেই সমস্যার সমাধান কী হতে পারে তা নিয়েও তার গান রয়েছে। ফলে গানগুলো করার পরিকল্পনাতেও ভিন্নতা থাকে। সেটা অডিও হোক কিংবা ভিডিও। ফলে আমার খুব ভালো লেগেছে তার সঙ্গে কাজ করতে।’ 

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

‘আলো কি আটকানো’ গানটি নিয়ে কোনাল আলাদা করে বলেন, ‘‘এই গানটি নির্ঝর ভাই কোভিডের সময় লিখেছিলেন। আসলে আমাদের জীবনের অনুভূতির জানালাগুলো যদি নিজেরাই বন্ধ করে রাখি তাহলে শুদ্ধতা এসে কিভাবে আমাদের মনকে আলোকিত করবে? এজন্য শুদ্ধ, সুন্দর ও সুস্থতার চর্চা করতে হবে যাতে আমাদের জীবন আলোয় ভরে ওঠে। এমন চিরন্তন অনুভূতির বানী ও সুরের আবেশ রয়েছে ‘আলো কি আটকানো’ গানটিতে। আশা করছি গানটি সবার ভালো লাগবে।’’

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

গানটির কথা এমন -‘আলো কি আটকানো জানালা কারণে/ বন্ধ বাড়িটার দরজার মনে! খুলতে ভয় পায়, কি জানি কী যে হয় / সবারই সংশয়; কি জানি কী যে হয়! / স্বপ্ন উল্টানো মানো বা না-ই মানো / স্বভাবে চমকানো দুচোখই আটকানো / নাই মানো নাই মানো / সহজ সন্ধানে, প্রকৃতি সবখানে / থমকে দাঁড়িয়ে, দুহাত বাড়িয়ে চাইছে বাঁচতে / অচেনা তাপ নিয়ে, আগুনে ঝাঁপ দিয়ে / ইনিয়ে-বিনিয়ে/ মুখোশে বাঁচতে চাইছে বাঁচতে / ভালো কি থেমে গেল ছাদের বারণে / অন্ধ দেয়ালের এলোমেলো বনে / সচল ঘড়িকাঁটা, বলছে চশমাটা / সামাল সামলানো, মনের জানালাটা / মনের দরজাটা, খুললে খুলে দাও / যেভাবে প্রকৃতির প্রকৃত আলো চাও / আদরে-অনাদরে ভুলেছ কোন ঘোওে / তফাৎ শব্দটা আলোর কালোটাও / হয়তো জানো না আসলে কী যে চাও!’

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

;