শুক্রবার ঢাকায় ভিন ডিজেল!

বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভিন ডিজেল

ভিন ডিজেল

  • Font increase
  • Font Decrease

হলিউডের কমিকস ভিত্তিক সুপারহিরো সিনেমার জয়জয়কার চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বিশ্বজুড়ে অগণিত কমিকস প্রিয়দের কাছে সিনেমাগুলো দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। প্রতি বছরই হলিউডে ব্লকবাস্টার সিনেমার তালিকায় কোন না কোন সুপারহিরো সিনেমা।

সুপারহিরো সিনেমা ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, পর্দায় আসছে নতুন সুপারহিরো ছবি। এবারের সিনেমার নাম ‘ব্লাডশট’। ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত সিনেমাটি ১৩ মার্চ আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

সিনেমাটির একটি দৃশ্য

‘ব্লাডশট’ নির্মিত হয়েছে একই নামের বেস্টসেলার কমিক বুক অবলম্বনে। ডেভিড এসএফ উইলসনের পরিচালনায় এ ছবির মূল নায়ক ভিন ডিজেল।আরও অভিনয় করেছেন গাই পিয়ার্স, এজাগনজালেস, স্যাম হিউগান, টবি কেববেল সহ অনেকে।

সম্প্রতি সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট সিনেমাটির টিজার ইউটিউবে প্রকাশ করেছে। ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের টিজারে একজন অতিমানবী সুপারহিরো রূপে রয় গ্যারিসন চরিত্রে দেখা যায় ভিন ডিজেলকে। প্রতিশোধের নেশাআর অতিমানবীয় শক্তির গোলকধাঁধায় রয় গ্যারিসন প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। এখানে দর্শক আবিষ্কার করবেন ভিন্ন এক ভিন ডিজেলকে। রয় গ্যারিসন এবং তার স্ত্রী এইজা গঞ্জালেজকে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত।

হত্যার অল্প সময়ের মধ্যে একদল বিজ্ঞানীর দীর্ঘ চেষ্টায় মেরিন রয় গ্যারিসনকে পুনরায় জীবিত করার চেষ্টা চলে। ন্যানো টেকনোলজির সাহায্যে সে রূপান্তরিত হয় একজন অতিমানব বায়োটেক কিলিং মেশিন ব্লাডশট হিসেবে। দুর্বৃত্তের হাতে মারা গেলেও তাকে বিশেষ কায়দায় বিজ্ঞানীদের গোপন একটি দল বাঁচিয়ে তোলে। তার মাঝে জাগিয়ে দেয় অতিমানবীয় সত্তা। এ জন্য বিজ্ঞানীদের রয়েছে নিজস্ব পরিকল্পনা, যা বাস্তবায়নের জন্য দরকার এমন শক্তিমান কেউ। শুরুতে রয় গ্যারিসন পৃথিবী থেকে তার এবং তার স্ত্রীর বেদনাময় বিদায়ের স্মৃতি স্মরণ করতে ব্যর্থ হন।কিন্তু পরবর্তী সময় স্মরণশক্তি ফিরে আসে এবং সে বুঝতে পারে কে তার স্ত্রীকে হত্যার জন্য দায়ী। তখন তিনি প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠেন। শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ।

সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ২০১২ সালে। এরপর অনেকটা সময় গড়িয়ে যায়। ২০১৮ সালের আগস্টে শুরু হয় মূল শুটিংয়ের কাজ। লোকেশন তালিকায় ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন, চেক রিপাবলিকের প্রাগ ও হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট। একই বছরের অক্টোবরে শেষ হয় চিত্র ধারণের কাজ।

আপনার মতামত লিখুন :