নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা ভ্যান চালক রেজাউল



এস এম জামাল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা ভ্যান চালক রেজাউল

নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা ভ্যান চালক রেজাউল

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামের দরিদ্র ভ্যান চালক খন্দকার রেজাউল ইসলামকে ঘর উপহার দিয়েছে বেসরকারি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম। আর এই ঘর পাওয়ার পর খুশিতে আত্মহারা তার পরিবার।

তিন শতাংশ জমির ওপর ভাঙাচোরা খুপরি ঘরে স্ত্রী ও আট সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন দরিদ্র ভ্যান চালক খন্দকার রেজাউল ইসলাম। বিষয়টি বেসরকারি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের নজরে আসে।

এরপর মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে রেজাউল ইসলামের বাড়িতে খুপরি ঘরের পরিবর্তে সেথানে নতুন করে আধাপাকা ঘর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার(২৯ মে) এ ঘরটি হস্তান্তর করা হয়।

ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল এর সভাপতিত্বে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুজ্জামান তুষার, আলহাজ্ব জহুরুল হক মাষ্টার, কাজী লিয়াকত আলী, মিজানুর রহমান মাষ্টার, সদর উদ্দিন মল্লিক, মো. লাভলু হাসান, তরুণ সমাজকর্মী শাব্বির আহমেদ, মিয়া মো. তৌসিফ, সিরাজুল ইসলাম লিটু সহ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল বলেন, ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম একটি অলাভজনক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা চেষ্টা করে থাকি। শীতবস্ত্র, খাদ্য সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় দরিদ্র মানুষের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ ও পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপনসহ ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকি। এজন্য আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে ও বিভিন্নভাবে সহায়তা নিয়ে এসব অসহায় মানুষের পাশে থাকি।

তিনি বলেন, দরিদ্র ভ্যান চালক খন্দকার রেজাউল ইসলাম ও তার পরিবারের জন্য তিন রুম বিশিষ্ট বারান্দাসহ আধাপাকা একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। এটি নির্মাণ করতে মোট ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৪০ টাকা।

নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায় দরিদ্র ভ্যান চালক খন্দকার রেজাউল ইসলাম। এসময় তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, আমি একজন ভ্যান চালক। নিজের একটুখানি মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকলেও এতোদিন পরিবার-পরিজন নিয়ে খুপরি ঘরের মধ্যে কোনোমতে জীবনযাপন করতাম। এখন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল আমাকে ঘর দিয়েছেন। আমিসহ আমার পরিবারের সবাই খুব খুশি। এ আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।