ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটিতে বিএসএসএ'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন



মোহাম্মাদ আনিসুর রহমান, চীন থেকে, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘চীনের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ’- এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশি মাস্টার্স, পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল গবেষকদের সংগঠন 'বাংলাদেশ স্টুডেন্টস এন্ড স্কলারস এসোসিয়েশন'র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

গত রোববার (২৫ অক্টোবর) ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আসিফ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মোহাম্মদ শাহ আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি ও ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটি বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ কর্মসূচী হাতে নেয়।

পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয় এবং তিলাওয়াত করেন মোহাম্মদ শাহ আলম। পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন রানা ধর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সাধারণ সম্পাদকের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। এরপর স্যুভেনির, ভিডিও, ওয়েবসাইট ও সামাজিক গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। মোড়ক উন্মোচনের সময় স্ব স্ব কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ড. মো. মাসুম হায়দার, ড. আনিসুর রহমান, মো. সানোয়ার হোসেন, মো. খায়রুল কায়েস, ড. দিলারা আক্তার (লুনা), মো. আশিকুজ্জামান এবং নাঈমুল করিম বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া ড. মো. আজিজুল হাসান, ড. ইমরুল মোছাদ্দেক আহমদ ও ড. মো. আসিফ আহসান উপস্থিত সকলের জন্য শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন যা অনুষ্ঠানকে একটি ভিন্ন মাত্রা এনে দেয়। পরে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ড. মো. আসিফ আহসান অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন ড. মো. আমানুল্লাহ। পুরো অনুষ্ঠানটি বিএসএসএ-এর ফেসবুক পেইজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানে নানা রকম সুস্বাদু বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয়। আরো ছিলো নারী, পুরুষ ও শিশু সকলের জন্য বিভিন্ন ধরণের আনন্দদায়ক খেলা ও র‍্যাফেল ড্র-এর আয়োজন। খেলা ও র‍্যাফেল ড্র-এ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন উপকমিটির আহ্বায়কবৃন্দ। এসোসিয়েশনের সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের উপস্থিতিতে এবং করোনা সংক্রমণের মানসিক অশান্তি দূর করে অনুষ্ঠানটি প্রবাসে স্বদেশের আনন্দ উপভোগের এক মহা মিলন মেলায় পরিণত হয়।