বিজয়ের দিনে বীর সন্তানদের স্মরণ মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের



ওয়াশিংটন ডিসি থেকে শিব্বীর আহমেদ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়াশিংটন ডিসি: সমগ্র জাতির সাথে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে বীর সন্তানদের স্মরণ করেছে যাদের রক্তের বিনিময়ে দুই যুগের পাকিস্তানি শাসনের অবসান ঘটেছিল এবং বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন বাংলাদেশের। ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভার্জিনিয়ার আলির্ংটনস্থ আলাদীন রেস্টুরেন্টে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি সাদেক এম খান এবং সভা পরিচালনা করেন সহ সভাপতি কৃষিবীদ ও ডাটা অ্যানালিষ্ট আনোয়ার হোসাইন।

নেতাকর্মীদের কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবশেনার মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়। জাতীয় সঙ্গীত পরিবশেনা শেষে সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি লেখক সাংবাদিক শিব্বীর আহমেদ, সহ সভাপতি জি আই রাসেল, সহ সভাপতি নাজমুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ন দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজ সহ আরো অনেকে। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেবা বানু, শাকিলা লুলু, মিরাজ হক সহ আরো অনেকে।

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ নামে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে আস মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অপশক্তিকে উৎখাত, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিসহ সকল ‘অন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ রুখে দেয়ার অঙ্গীকার করেন।

নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। সেই বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভুলে গেলে চলবে না- আমরা একটা ফুলের জন্য যুদ্ধ করেছি, একটি মুখের হাসির জন্য যুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রীরা যাতে এই ফুলকে নষ্ট করতে না পারে, কারো মুখের হাসি কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য আমাদের সবাইকে একতাবদ্ধ থাকতে হবে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের রক্ত বৃথা না যাওয়ার শপথ নেয় নেতাকর্মীবৃন্দ। বাংলাদেশ সরকারের নেয়া ভিশন ২০৪১ কে সামনে রেখে জাতির পতিা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার দীপ্ত আহবান জানানো হয় আলোচনা সভায়।

শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসায় স্পেনের প্রেসিডেন্ট



কবির আল মাহমুদ, স্পেন
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্বশীল, সক্রিয় ও দৃশ্যমান ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

বাংলাদেশ ও স্পেনের কূটনৈতিক সম্পর্কের সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তায় এ অভিমত ব্যাক্ত করেন স্পেনের প্রেসিডেন্ট। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

রোববার (১৫ মে) স্পেনের মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১২ মে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে স্পেন।

দূতাবাস জানায়, জাতিসংঘের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মাদ্রিদে ২০২০ গৃহীত ‘টুগেদার ফর এ রিনফোর্সড মাল্টিলেটারেলইউম’ শীর্ষক যৌথ ঘোষণা পত্রে বহুপাক্ষিক বিশ্বব্যবস্থার নীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন ও অঙ্গীকারের প্রশংসা করে স্পেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০০৮ সালে ঢাকায় স্পেনের আবাসিক দূতাবাস চালুর পর থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বেগবান ও বিস্তৃত হয়েছে।

স্পেন বর্তমানে বাংলাদেশের চতুর্থ রফতানি গন্তব্য। স্পেনের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের উপস্থিতি সম্প্রসারণে ক্রমবর্ধমান করছেন। বাণিজ্যের পরিধি ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিবিধ ক্ষেত্রে বিদ্যমান অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে স্পেন বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পেদ্রো সানচেজ।

অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালে মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত কপ-২৫ সম্মেলনের সাইডলাইনে স্পেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের বিষয়টি স্মরণ করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে সামনের দিনগুলোতে শিল্প ও প্রযুক্তি সহায়তা, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, লজিস্ট্রিক্স ও পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং গবেষণাক্ষেত্রে পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় সেক্টরে স্পেনীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধিরও আহ্বান জানান। শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী স্পেনের প্রেসিডেন্টেকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

;

বাংলাদেশের নির্বাচন পূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগ্রহী মালদ্বীপ ইসি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশের নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগ্রহী মালদ্বীপ ইসি

বাংলাদেশের নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগ্রহী মালদ্বীপ ইসি

  • Font increase
  • Font Decrease

ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন-এর মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী (শনিবার ১৪ মে) মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ফুয়াদ তৌফিকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময়ে দুই দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক দলসমূহের অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়ায় আমরা সন্তোষ প্রকাশ করেছি। ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সার্কভুক্ত দেশসমূহের নির্বাচন কমিশনার এবং মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী। আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে আমন্ত্রণ পেলে পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রতিনিধি প্রেরণ করবে মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশন।

চেয়ারম্যান আরো বলেন, একটি দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিকল্প নেই। আর নির্বাচন আয়োজনের মূখ্য ভূমিকা পালন করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সরকারের সহযোগিতা থাকবে, হস্তক্ষেপ নয়। রাজনৈতিক দলসমূহের উচিত নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন মালদ্বীপের বিশেষ প্রতিনিধি ও মালদ্বীপ নির্বাচন কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান ইসমাইল হাবিব, মালদ্বীপের কর্মসংস্থান ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট আমজাদ মোস্তফা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও নিউজ বিএন -এর সম্পাদক মিজানুর রহমান মজুমদার, কেন্দ্রীয় পরিচালক বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী ও এম এ মালেক।

;

লিসবনে বরিশাল অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
লিসবনে বরিশাল অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

লিসবনে বরিশাল অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

পুর্তগালের রাজধানী লিসবনে বৃহওর বরিশাল অ্যাসোসিয়েশন অব পর্তুগালের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) লিসবনের একটি স্থানীয় হল রুমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে পর্তুগালে  অবস্থানরত বৃহত্তর বরিশালের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির সভাপতি শাহীন সাঈদ এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি মিজানুর রহমান খান, বর্তমান সেক্রেটারী এম কে নাসির, মহিলা সম্পাদিকা মারিয়া অলী, উপদেষ্টা মাওলানা হেলাল উদ্দিন সহ-সভাপতি আবদুস সালাম ও  ফরিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েলসহ কমিটির  সদস্যবৃন্দ । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কমিউনিটির প্রচার সম্পাদক স্বপ্নীল নিশান।


অনুষ্ঠানে বক্তারা পর্তুগালে বসবাসকারী বাংলাদেশী কমিইনিটির সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা কাজের মাধ্যেমে পর্তুগালের মূলধারায় আরো বেশী করে সম্পৃক্ততা, দেশের সুনাম বৃদ্ধি ও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরো উন্নত ও দৃড় করার জন্য সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির পক্ষ থেকে উপদেষ্টা জনাব মিজানুর রহমান খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

;

ইতালিতে বাংলা স্কুলের বই বিতরণ



ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি থেকে
ইতালিতে বাংলা স্কুলের বই বিতরণ

ইতালিতে বাংলা স্কুলের বই বিতরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার প্রদান করেছে বর্তমান সরকার। সেই লক্ষ্যে প্রবাসে বসবাসরত নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা শিক্ষা, বাংলা সংস্কৃতি, বাংলাদেশের ইতিহাসকে জানতে রোম দূতাবাসের সহায়তায় বিনামূল্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের নতুন বই বিতরণ করেছে পালেরমো পিয়াচ্ছা নসে বাংলা স্কুল।

স্থানীয় সময় রোববার (৮ মে) বইগুলো বিতরণ করা হয়। নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কামরুল আহসান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পালেরমো আওয়ামী লীগ সভাপতি সেকান্দর মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি জাহিদ আহমেদ রুবেল,সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, রুহুল আমীন আলম, ইতালি বিএনপির সদস্য খোরশেদ আলম, পালেরমো বিএনপির সাবেক সভাপতি বদরুল আলম শিপু, উপদেষ্টা সানি ভূঁইয়া, নাজমুল হুদা তুহিন, স্কুলের শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার, শিউলি আক্তার, আক্তারুজ্জামান সেন্টু, মোশাররফ হোসেন, খায়রুল ইসলাম, শেখ আলমগির, আবুল বাশার যুবলীগের সভাপতি এম এ হালিম, শাহিদুল আব্দুল রিফাত প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে আমাদের প্রজন্মকে দেশের জন্য যোগ্য দায়িত্বশীল শিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের ভূমিকা অপরিসীম। উপস্থিত সকলে এমন অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

;