মর্যাদাকর ডব্লিউজিইএস নোভা অ্যাওয়ার্ড ২০২২ পেলেন আজিজ আহমদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়ার্ল্ড গ্রিন এনার্জি সিম্পোজিয়াম-ডব্লিউজিইএস কাউন্সিলের নোভা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন বাংলাদেশি আমেরিকান আইটি থিংকট্যাংক ও উদ্যোক্তা আজিজ আহমদ।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। ডব্লিউজিইএস'র সাইটেশনে বলা হলা হয় অনুকরণীয় নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী দক্ষতা ও সামাজিক অসমতা নিরসনে টেকসই ও শিক্ষণীয় সমাধান দিতে অসাধারণ সক্ষমতা দেখানোয় ২০২২ সালে আজিজ আহমদকে দেওয়া হচ্ছে সম্মানজনক এই আন্তর্জাতিক পুরষ্কার।

আজিজ আহমদ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইউটিসি অ্যাসোসিয়েটস, কোডার্সট্রাস্ট ও প্রবিটি কেয়ার-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি একাধারে একজন তথ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবক, গবেষক, শিক্ষক ও উদ্যোক্তা। একজন জনহিতৈষী, সমাজসেবক হিসেবেও যুক্তরাষ্ট্রে সুবিদিত এই বাংলাদেশি-আমেরিকান।

মর্যাদাকর এই আন্তর্জাতিক নোভা অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় আজিজ আহমদ বলেন, এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আর বার বার মনে পড়ছে সেইসব মুখগুলো যারা আমাদের এগিয়ে দেওয়া সুবিধা নিয়ে এখন আইটি জগতে তাদের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। গ্লোবাল মার্কেট থেকে আয় করছে। তাদের একেকটি হাসিমুখ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। 

কিছু বিবেচক ও প্রত্যয়ী মানুষ বিশ্বটাকে বদলে দিতে পারেন, এমনটাই বলেছিলেন মার্গারেট মিড। এবারের নোভা পুরষ্কার হস্তান্তরের সময় এই উক্তিটিই স্মরণ করে ডব্লিউজিইএস।

আর প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সিইও ডেইজি গ্যালাগার বলেন, আমাদের এবারের সিম্পোজিয়াম ও পুরস্কার মূল প্রতিপাদ্যে রয়েছে মানুষ। যারা এবার অ্যাওয়ার্ড ভূষিত হলেন তারা তাদের কাজ দিয়ে মানুষের কাছে যেতে পেরেছেন।

আজিজ আহমদ ছাড়া নোভা অ্যাওয়ার্ড ২০২২ এ ভূষিত হয়েছে অপর দুই আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। তাদের একজন ফাদার এলবার্স জর্জ। এলডার জর্জ নামে যিনি সমধিক পরিচিত। গ্রিসের এই ক্যারিসম্যাটিক ধর্মযাজক মানবতা ও প্রকৃতির সেবায় নিয়োজিত একজন অন্যতম রোলমডেল। অপরজন হচ্ছেন কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি-সিএসআর এর পরিচালক মাইকেল জোন্স বে। টেকসই কর্পোরেট ব্যবস্থার চ্যাম্পিয়ন বলা হয় তাকে।

ডেইজি গ্যালাগার আরও বলেন, ভীষণ ভিন্নরকম এই তিনটি মানুষকে পুরষ্কৃত করতে পেরে আমরা নিজেরা গর্বিত বোধ করছি।

বাংলাদেশি আমেরিকান আজিজ আহমদ তাদেরই একজন। যিনি ১৯৮০'র দশকের শেষভাগে উচ্চশিক্ষা লাভে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে সেখানে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজ কৃতিত্বে তিনি অর্জন করেছেন মূলধারার একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার গৌরব।

এর আগে পুরষ্কার ঘোষণার পর ডব্লিউজিইএস এর নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যাপক জর্জ রবার্টস বলেন, আজিজ আহমদের মতো ব্যক্তিত্বকে নোভা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করতে পেরে ডব্লিউইজিএস গর্ববোধ করছে। আজিজ আহমদ একজন প্রভাবক ও গেম চেঞ্জার, বলেন রবার্ট গ্যালাগার। 

আজিজ আহমদ তার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান কোডার্সট্রাস্টের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া, অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রযুক্তিনির্ভর কাজের সুবিধা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এশিয়া ইউরোপ, আমেরিকার পাশাপাশি বাংলাদেশেও রয়েছে তার কার্যক্রমের বড় বিস্তৃতি। এই মানুষগুলোর জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কোডার্সট্রাস্টের মাধ্যমে তাদের দেওয়া হচ্ছে বিশ্বমানের আইটি দক্ষতা। আর তার মাধ্যমেই তারা অর্জন করতে পারছেন বিশ্ববাজার থেকে আইটি খাতে কাজের সুযোগ। 

তরুণ সমাজ, বিশেষ করে নারীরা যারা একটু সাচ্ছন্দের জীবনের সন্ধানে সংগ্রাম করে যাচ্ছে তারাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য, বলেন আজিজ আহমদ। শিক্ষার্থী-প্রশিক্ষণার্থীদের তথ্য-প্রযুক্তির কিছু সফট-স্কিল দিতে পারলেই তারা বিশ্ববাজার থেকে কাজ খুঁজে নিয়ে ঘরে বসেই আয় করতে পারে বৈদেশিক মুদ্রা। আমরা তাদের কাছে প্রশিক্ষণের উপযোগী টুলসগুলো সহজলভ্য করে দিতে পারছি, দক্ষতার প্রশিক্ষণ দিতে পারছি, যা হয়তো তাদের নাগালের মধ্যে ছিলো না। কিন্তু সামান্য সুযোগই তাদের করে তুলতে পারে বিশ্বমানের দক্ষ কর্মী, যার প্রমাণ আমরা আমাদের উদ্যোগসমূহের মধ্য দিয়ে পেয়েছি, বলেন এই ফিলানথ্রপিস্ট আইটি উদ্যোক্তা। কেবল বাংলাদেশেই এরই মধ্যে ৬০ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে আইটি দক্ষতা দিয়েছে কোডার্স ট্রাস্ট, জানান তিনি।

কেবল উদ্যোক্তাই নন, আইটি খাতে বিশ্ববরেণ্য একজন থিংকট্যাঙ্ক ও সুবক্তা হিসেবেও রয়েছে আজিজ আহমদের সুনাম। ভ্যাটিক্যান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি সেখানে আলোচনা করেছেন ডিজিটাল যুগে সাধারণের জন্য ভালো কি হতে পারে তা নিয়ে। বেলজিয়ামে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে তিনি কথা বলেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অর্থবহ ব্যবহার ও নীতি কর্মকাঠামো নিয়ে। গুয়াতেমালায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান কনফারেন্সে প্রযুক্তির অগ্রসরতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে কথা বলেছেন। ডেভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামেও তিনি প্যানেলিস্ট হিসেবে আইটি খাতে তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন বিশ্বের অন্যান্য থিংকট্যাংকের সঙ্গে।

পুরষ্কার নেওয়ার পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ সিম্পোজিয়ামে মাস্টারক্লাস কিনোট স্পিকার হিসেবে আজিজ আহমদ কথা বলেন, টেকসই তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে।

উপস্থাপনায় তিনি জোর দেন আজিজ আহমদ বলেন, প্রযুক্তি যতটা এগিয়ে যাচ্ছে তার সাথে সাথে মানুষের এগিয়ে যাওয়াটাও সমানভাবে জরুরি। সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অগ্রসরতার পাশাপাশি আমরা কিছু অপরাধপ্রবণতাও দেখতে পাচ্ছি এই জগতে। সাইবার অপরাধের একটি তালিকা উপস্থাপন করে তিনি বলেন, এই অপচেষ্টাগুলো থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে।

অতীতে যে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই ডব্লিউইজিএস নোভা পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে টেকসই কর্মসূচি গ্রিনওয়ার্কসের জন্য সিটি অব ফিলাডেলফিয়া। যার পুরস্কার গ্রহণ করেন সিটি মেয়র মাইকেল নাটার। রিও ডি জেনেরিওতে টেকসই কর্মসূচির জন্য দেশ হিসেবে এই পুরষ্কার পায় ব্রাজিল, কর্পোরেট লিডারশিপের জন্য পুরস্কার পেয়েছে তিশমান, ডিওডব্লিউ, জনসন কন্ট্রোলস, উদ্ভাবনী পণ্য ও প্রযুক্তির জন্য পেয়েছে ড্রেক্সেল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিন ও শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি স্মার্ট হাউজের জন্য এই পুরস্কার পান। সাসটেইনেবল ডিসি প্ল্যান তৈরির জন্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এই পুরস্কারে ভূষিত হয়, যা গ্রহণ করেন এর মেয়র ভিনসেন্ট গ্রে। ইউনিভার্সিটি অব ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া ককাস এই পুরস্কার পায় তাদের আরবান ফুড হাবের জন্য। যা গ্রহণ করেন এর ডিন সাবিন ও'হারা। শহুরে কৃষির একটি মডেল তৈরি করেছিলো এই বিশ্ববিদ্যালয়।   

সিম্পোজিয়ামে ডব্লিউজিইএস সেইসব মানুষের সমাগম ঘটায় যারা বৈশ্বিক ও স্থানীয় পর্যায়ে শীর্ষস্থানীয় দক্ষ, নীতিনির্ধারক, ক্রেতা, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও চিন্তক।

বিভিন্ন মাস্টার লেকচার, কেসস্টাডি ও ইন্টারঅ্যাকশনের মধ্য দিয়ে সবুজ জ্বালানি ও টেকসই প্রচেষ্টাসমূহের বাস্তবায়নে প্রযোজনীয় শিক্ষা ও তথ্য বিনিময় করা হয় এই সিম্পোজিয়ামে।

অন্যান্য বছরের মতো এবছরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চমাপের বহুমূখি প্রতিভার অধিকারী বক্তাদের আমন্ত্রণ জানায় ডব্লিউজিইএস। বক্তারা তাদের উপস্থাপনায় বাস্তবভিক্তিক কেসস্টাডি, টেকসই অর্থনৈতিক সুযোগ ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরেন। কোভিড-১৯ অতিমারি পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা কথা বলেন নিরাপদ ভবন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ, জলবায়ূ, ক্লিন এনার্জি ও টেকসই অর্থায়ন, গ্রিড বিদ্যুতায়ন, সাইবার সিকিউরিটির সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা, পরিষ্কার পানির সুষ্ঠু সমাধান, সঠিক বিনিয়োগ, পরিবহণ ও ক্লিন এনার্জি কর্মসূচির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থাসমূহের পূর্বাভাস নিয়ে।

কর্মসূচির মূল নেতৃত্বে ছিলেন ডব্লিউইজিএস এর নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যাপক জর্জ রবার্টস। গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনার মাধ্যমে দিনভর আলোচনাকে যারা সম্মৃদ্ধ করেছেন তাদের মধ্যে ছিলেন, ইউএস জেনারেল সার্ভিসেস এডমিন্সট্রেশনের প্রধান সাসটেইন্যাবিলিটি অফিসার, ফেডারেল হাই পারফরম্যান্স গ্রিন বিল্ডিংস কার্যালয়ের পরিচালক কেভিন ক্যাম্পস্রোয়ার,  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রধান সাসটেইন্যাবিলিটি অফিসার এন্ড্রু নক্স,  ওয়াশিংটন এক্সিকিউটিভ ক্লাইমেট চেঞ্জ কাউন্সিলেন চেয়ারম্যান ও ক্লাইমেট উপদেষ্টা স্টেফেন অ্যাম্ব্রোস,  ইউএস এয়ারফোর্সের পরিবেশ বিষয়ক সাবেক সহকারী সেক্রেটারি ও জ্যেষ্ঠ জ্বালানি নির্বাহী, জেনারেশনস অ্যাডভাইজরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উইলিয়াম এন্ডারসন,  ইউনিভার্সিটি অব ডিস্ট্রিক্ট কলাম্বিয়ার আরবান সাসটেইন্যাবিলিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের কলেজ অব এনভায়রনমেন্টর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ও প্রতিষ্ঠাতা ডিন ড. স্যাবিন ও'হারা,  ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্স এমবিডিএ'র ব্যবসা উন্নয়ন কার্যালয়ের ব্যবসা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত সুপারভাইজর রন উবা,  ক্যাপিটাল অ্যাকসেস অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেট এর সিনিয়র অ্যাডভাইজর ব্লক চেইন, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিশেষজ্ঞ জন রবার্ট বাগুইডি, রুবিক্স লাইফ সায়েন্সেস এর প্রতিষ্ঠাতা বিজ্ঞানী ড. রেগিনাল্ড সুইফট, সাসটেইনেবল অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট স্ট্রাটেজিস ডব্লিউ জিআই ইনকর্পোরেটেড এর পরিচালক গ্যারি লরেন্স, ইউটিসি অ্যাসোসিয়েটস ও কোডার্সট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজিজ আহমদ, জিজিডব্লিউ ইনক. এর প্রতিষ্ঠাতা সিইও ডেইজি গ্যালাগার, কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট রিকভারি, কন এডিসনের পরিচালক মাইকেল জোনস-বে, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবস-এর মেরি রজার্স, সাসট্যাপ এলএলসি'র কো-ফাউন্ডার ভার্জিনিয়া গিবসন, আইএমএমআই'র প্রেসিডেন্ট সেলেস্টে উয়ান্ডার, ডিসি আরচেঞ্জেলস ইনভেস্টর গ্রুপ'র প্রেসিডেন্ট ড্যান লোয়াগ প্রমুখ।

ইতালিতে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন



ইসমাইল হোসেন স্বপন ইতালি থেকে
ইতালিতে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন

ইতালিতে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন

  • Font increase
  • Font Decrease

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইতালির মিলান লোম্বার্দিয়া আওয়ামী লীগ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ জুন) মিলানস্থ একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় এক আনন্দ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনসহ সাধারণ প্রবাসীরা এতে অংশ নেয় ।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল মান্নান মালিথা।এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল কবির জামান, সদস্য আকরাম হোসেন, সহ সভাপতি আবু আলম, খোরশেদ আলম, অপু হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক চঞ্চল রহমান, মঞ্জুরুল হোসেন সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক আরফান সিকদার, প্রচার সম্পাদক মামুন হাওলাদার, মমিনুর রহমান, মিজান হাওলাদার, মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম কাওছার, ইব্রাহিম মিয়া, শামিম হাওলাদারসহ অনেকে।

পদ্মা সেতুর আনন্দে কেক কেটে আনন্দ ভাগাভাগি করেন নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইমরান হোসাইন, আব্দুল বাছিত, জাসিম আহমেদ, ফয়সাল খান, মাসুদ হাওলাদার, তাজুল খানসহ অনেকে। পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বক্তারা।

;

‘পদ্মা সেতু ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা’



কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে
স্পেনে উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

স্পেনে উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ অপেক্ষার পর শনিবার (২৫ জুন) স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের ইতিহাসে অবকাঠামো হিসেবে সবচেয়ে বড় এ প্রকল্পটি উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। দেশের জন্য ঐতিহাসিক এ দিনটিতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় দূতাবাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশেষ এ আনন্দ উৎসবে দূতালয় হল বর্ণাঢ্য ব্যানার ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বিশেষ এই অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

আনন্দমুখর বিশেষ এ উৎসবে প্রবাসীদের স্বাগত জানান স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মোতাসিমুল ইসলামের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় এসময় বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল, বাণিজ্যিক সচিব রেদোয়ান আহমেদ, কউন্সিলর দীন মোহাম্মদ ইমাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ এই উৎসবে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য আজ অত্যন্ত আনন্দের দিন। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বহুল আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করেছেন। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের বিস্ময়। আমাদের জাতীয় জীবনে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে আজ এক বিশাল মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত সারওয়ার মাহমুদ বলেন, পদ্মা সেতু ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের নতুন বাণিজ্য, সম্ভাবনা তৈরি করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ ও বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক মর্যাদা, স্বনির্ভরতা, সাহস, সক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। বিশ্বে আমাজনের পরে দ্বিতীয় খরস্রোতা পদ্মা নদীর উপরে সেতু নির্মাণ করে বাংলাদেশ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি তার বক্তব্যে পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রবাসীদের অবদানকেও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি প্রবাসের সকল বাংলাদেশি নাগরিককে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ স্পেন শাখার সভাপতি এসআরআইএস রবিন, সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল কামালী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তারেক হোসেন।

অনুষ্ঠানে পদ্মা সেতুর উপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারিসহ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মাসেতু উদ্বোধনের ভিডিও ক্লিপস প্রদর্শন করা হয়। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন করেন।

পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত, পদ্মা সেতুর স্থায়ীত্ব এবং দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশিরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং সেতুর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাহরাইনে দূতাবাসের আনন্দ উৎসব



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাহরাইনে দূতাবাসের আনন্দ উৎসব

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাহরাইনে দূতাবাসের আনন্দ উৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাহরাইনের বিখ্যাত ডিলমানিয়া মলে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক উৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২৫ জুন) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদেশি কূটনীতিক, বাহরাইনের সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, লেখক, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী এবং বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরাসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি তিন পর্বে বিভক্ত করা হয়। প্রথম পর্বে পদ্মা বহুমুখী সেতুর উপর নির্মিত প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা, দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সর্বশেষে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, পদ্মা সেতু হলো বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের সেতু। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাসের কারণে এই পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। তিনি এই আনন্দক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রসংশা করেন এবং বাহরাইন প্রবাসীদের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশে যোগাযোগের নতুন মাত্রা উন্মোচিত হলো, যা বাংলাদেশের ২১টি জেলার মানুষের জীবনমান বদলে দিবে।

রাষ্ট্রদূত ড. ইসলাম বলেন, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুটি কোন বিদেশি সাহায্য ব্যতিরেখে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়। সমস্ত দেশি-বিদেষি ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উচ্চ আয়ের দেশে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলছেন। দেশের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের আহবান জানান।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের সাথে নিয়ে দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন যেখানে বাংলাদেশ স্কুল, বাহরাইনের শিক্ষার্থীরা তিনটি দেশীয় গানের সাথে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর, রাষ্ট্রদূত আগত অতিথিদের সাথে ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক স্থানসমূহের এমন সৌন্দর্য্যপূর্ণ ছবি দেখে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীরা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে পেরে আনন্দিত হন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথি, দর্শনার্থী, বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

পরিশেষে, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর মাধ্যমে যাতে বাংলাদেশের মানুষ উপকৃত হতে পারে তার জন্য দোয়া কামনা করা হয় এবং উপস্থিত সকলের মাঝে দেশীয় খাবার পরিবেশন করার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: স্বপ্ন পুরনের আনন্দের ঢেউ স্পেনে



কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে
পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। বাংলাদেশের কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে চলেছে আজ ২৫ জুন। এক সময়ের স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে চোখ জুড়াচ্ছে কোটি বাঙালির। বহুল প্রতীক্ষিত লাল-সবুজের গর্বের এই পদ্মা সেতুর গৌরবগাঁথা এবার পৌঁছে গেলো ইউরোপের পর্যটন ও ফুটবলের দেশ খ্যাত স্পেনে।

দেশে-বিদেশে আলোচিত পদ্মা সেতুর স্বপ্ন পুরনের আনন্দের ঢেউ আছড়ে পড়ছে সাত সমুদ্র তের নদীর ওপারে সুদুর স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মাঝেও।

পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়ায় দেশের মানুষের ন্যায় উচ্ছ্বাসিত স্পেনে বসবাসরত প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশিও।

বিশ্ব দরবারে পদ্মা সেতুর পটভূমি ও আগমনী বার্তা তুলে ধরতে এবং সেতুর উদ্বোধনকে আরও স্মরণীয় করে রাখতেই স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসীদের নিয়ে ভিন্নধর্মী বিশেষ আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিনকে বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন অভিহিত করে দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল জানান, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে রাখতে আজ ২৫ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় দূতাবাস হলে এক আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এ জন্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার আহবান জানান তিনি।

আজ ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু। ২৬ জুন সকালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে সেতুটি। সাত সমুদ্দুর তেরো নদীর এপারেও তাই সেই আনন্দের ছটা। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় প্রবাসীদের এখন একটাই আলোচনার বিষয়। কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় বর্তমান সরকারের ভূঁয়সী প্রশংসার পাশাপাশি সেদিনের বিরোধিতাকারীদেরও সমালোচনায় মুখর প্রবাসীরা।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে স্বাগত জানিয়ে, দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সরওয়ার মাহমুদ বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক।‘দেশ স্বাধীন করার সময় যেভাবে গোটা জাতি এক হয়েছিল, সেভাবে পদ্মা সেতুর জন্যও দেশে -বিদেশে সবাই এক হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় যেভাবে দেশের মানুষ তার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই এখন দেশের মানুষ পদ্মা সেতুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।স্বাধীনতার পর একমাত্র পদ্মা সেতুর জন্যই আবারও গোটা জাতি এক হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেনের বাণিজ্যিক সচিব রেদোয়ান আহমেদ বলেন, পদ্মার বুকে মাথা উচূ করে দাঁড়ানো সেতুটি আজ থেকে হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের আশা আকঙ্ক্ষার প্রতীক। পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের জন্য আস্থা তৈরি করেছে। পদ্মা সেতু ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনা তৈরি করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ ও বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

স্পেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা জাকির হোসেন বলেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেখ হাসিনা নিজেই পদ্মা সেতু করলেন। আজ সেই নদীর বুক চিরে পদ্মা সেতু দাঁড়িয়ে যেন বঙ্গবন্ধুকেই কুর্নিশ করছে। এই সেতুর ফলে এখানকার জনপদে উন্নয়নের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনন্দ উৎসব করা হবে জানিয়ে স্পেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল কামালী বলেন, যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতা করেছিল, তাদের বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

;