ফ্রান্সে 'প্যারি-টেক' মোবাইল রিপারেশন ও ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন



প্রবাস ডেস্ক
ফ্রান্সে 'প্যারি-টেক' মোবাইল রিপারেশন ও ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন

ফ্রান্সে 'প্যারি-টেক' মোবাইল রিপারেশন ও ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ 'প্যারি-টেক' মোবাইল রিপারেশন ও ট্রেনিং সেন্টার যাত্রা শুরু করেছে। গতকাল রোববার (২৪ জুলাই) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের 22 boulevard Ornano 75018-এ সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়।

প্যারিসের সুপরিচিত বাংলাদেশ ফার্ণিচারের স্বত্ত্বাধিকারী মিয়া মাসুদ, দেশ জিএসএম'র সিইও মো. আবদুর রব এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্সের (বিসিএফ) এমডি নূর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন 'প্যারি-টেক'র স্বত্ত্বাধিকারী মীর সাজ্জাদ আহমেদ জয় ও আপেল মাহমুদ।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনার পর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সফলতা কামনা করা হয়।

প্যারি-টেকের স্বত্ত্বাধিকারী মীর সাজ্জাদ আহমেদ জয় বলেন, প্রবাসী যারা ফ্রান্সে আছেন তাদের অনেকের যথাযথ দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। দক্ষতা না থাকায় তাদের অনেককে কম আয়ের কাজ বেছে নিতে হয়। মোবাইল রিপারেশন একটি সম্মানজনক পেশা এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে অনায়াসে ভাল রেমিট্যান্স উপার্জনের সুযোগ আছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে 'প্যারি-টেক' আধুনিক ও সুসজ্জিত প্রশিক্ষণ সেন্টার চালু করেছে। এখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষে যে কেউ যার যার মতো কর্মসংস্থান করে নিতে সক্ষম হবেন।

বাহরাইনে জাতীয় শোক দিবস পালিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাহরাইনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

বাহরাইনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  • Font increase
  • Font Decrease

যথাযথ মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ. কে. এম. মহিউদ্দিন কায়েস।

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতেই বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রর্দশন করা হয় এবং জাতির পিতার জীবন ও কর্মের ওপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স মহিউদ্দিন কায়েস বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তার ব্যক্তি সত্তাকে বাঙালি জাতিসত্তায় রূপান্তরিত করেছিলেন। নিজের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে জাতীয় স্বার্থের তরে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাই তিনি বাংলার সব বর্ণের, সব ধর্মের, সব মানুষের এক অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরেই দেশ পরিচালনার এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে বঙ্গবন্ধুর মানবিক হাতের স্পর্শ লাগেনি।

তিনি আরও বলেন, যে নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ঘাতকেরা সেই নীতি ও আদর্শকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু, ঘাতকের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধু মিশে আছেন মানুষের হৃদয় জুড়ে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে।

এছাড়া, তিনি বাহরাইনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে জাতির পিতার মহান আদর্শ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলতে সকলকে তাদের প্রয়াস অব্যাহত রাখার আহবান জানান এবং দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের অনুরোধ করেন।

পরিশেষে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসকল অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

;

কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে মহিলা সংস্থা‌ ইতালির আনন্দ ভ্রমণ



মিনহাজ হোসেন, ইতালি থেকে
কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে মহিলা সংস্থা‌র আনন্দ ভ্রমণ

কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে মহিলা সংস্থা‌র আনন্দ ভ্রমণ

  • Font increase
  • Font Decrease

মহিলা সংস্থা ইতালির আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন আনন্দ ভ্রমণ রোম থেকে শত কিলোমিটার দূরে লাগো দি বোলসেনায় এ আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে সকলেই আনন্দে মেতে ওঠেন। প্রবাসে ক্লান্তির শেষ মুহূর্তে বিনোদনের রঙে মন রাঙিয়ে তোলেন সবাই। এ যেন প্রবাসের মাটিতে এক টুকরা বাংলাদেশ।

বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে মহিলা সংস্থার ইতালির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্নি রওশন আরার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা মাসুদা আক্তারের পরিচালনায় আয়োজিত আনন্দ ভ্রমণে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন নারী নেত্রী ও সুলতানা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী সুলতানা লিপি,‌ তিবুরতিনা সমাজ কল্যাণ সমিতি ইতালির সভাপতি মনির হোসেন, বাংলাদেশ প্রবাসী ক্রিস্টান মহিলা সমিতির সভাপতি রূপালী গোমেজ,‌পল্লী বালা সংঘের সভাপতি ফরিদা রহমান,‌ লন্ডন থেকে আগত মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি আমিন ভুঁইয়া, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেশমা আমিন,‌বিশ্ব সংগীত কেন্দ্র রুমের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী জাকারিয়া, গ্রত্তোসেলনে সমাজ কল্যাণ সংঘের মোঃ শাহিন, যুব উন্নয়ন ব্যবসায়ী সমিতি উপদেষ্টা হক শহিদুল্লাহ,‌‌ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আফরোজা আক্তার ডেইজি, আতিকুর রহমান রাসেল, জামাল আহমেদ, মামুন আহমেদ, মুরাদ আহমেদ, ফারুক আহমেদ কন্ঠশিল্পী রত্না বশাক, মোঃ মশিউর রহমান, সাংবাদিক শাহীন খলিল কাওসার, আখি সীমা কাউসার, মিনহাজ হোসেনসহ মহিলা সংস্থা ইতালির অধিকাংশ সদস্যরা ও আঞ্চলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক,‌ ব্যাবসায়িক ও‌ নারী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আনন্দ ভ্রমণ সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা মাসুদা আক্তার বলেন, প্রতি বছর আমরা মহিলাদের উদ্যেগে এ আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করে থাকি। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে একটু বিনোদন খুজঁতেই এ আয়োজন।


এসময় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্নি রওশনআরা বলেন, আমরা সবার অংশগ্রহণে আনন্দ ভ্রমণ করতে পেরেছি। তাই সবার কাছে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এতে ভুলত্রুটি থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা করবেন। এবং‌ আগামীতেও এরকম আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের প্রবাসে বেড়ে ওঠা দ্বিতীয় প্রজন্মের মাঝে যেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে পারি এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে রাফেল ড্র, শিশু কিশোরদের দৌড় প্রতিযোগিতা, বড়দের হাড়িভাঙ্গা, মহিলাদের বালিশ খেলা ও রোমের স্থানীয় বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।শেষে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে মহিলা সংস্থার পক্ষ থেকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

;

ব্রাসিলিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্রাসিলিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালন

ব্রাসিলিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালন

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় অবস্থিত দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের একমাত্র দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী।

স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে নিহত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনাড়ম্বর এই অনুষ্ঠান। এ সময় শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসা। ক্রীড়া সংগঠক ও ফুটবল প্রেমী, আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠের পর তাঁর স্মরণে বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের কর্মময় ও বর্ণিল জীবনের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

রাষ্ট্রদূত তাঁর স্বাগত বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর নির্ভীক, বীরোচিত অংশগ্রহণ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে দেশ গড়ার কাজে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি ১৫ আগস্ট কালরাতের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বাধীন বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবল জাগরণে শেখ কামালের অগ্রণী ভূমিকার কথাও তিনি স্মরণ করেন। ঢাকা থিয়েটার ও স্পন্দন শিল্প গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে একজন শিল্পানুরাগী এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে শেখ কামালকে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত শহীদ শেখ কামালের কর্মময় জীবন ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সকল তরুণকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিজেদের গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

;

স্পেনে প্রবাসীদের ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’



কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে
স্পেনে প্রবাসীদের ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’

স্পেনে প্রবাসীদের ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ঈদের দুই দিন মঙ্গলবার (১২ জুলাই) স্পেনের মাদ্রিদের একটি পার্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা একত্রিত হয়ে ঈদ আনন্দ উৎসব উদযাপন করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানী মাদ্রিদের ঐতিহ্যবাহী পিরামিডস পার্কে দেশটিতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এই ‘ঈদ আনন্দ’ উৎসব।

মাদ্রিদের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের উদ্যোগে ঈদের পরের দিনে অনুষ্ঠিত এ ঈদ উৎসব এবং মিলন মেলায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আলামীন মিয়া, ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের উপদেষ্টা এস এম আহমেদ মনির, ইনসাফ সুমন ভূঁইয়া সুমন, ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মো. ফজলে এলাহী, খুলনা বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি স্পেনের সভাপতি সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা সাইফুল মুন্সী ইকবাল, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্ম সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন প্রমুখ।

রাজধানী মাদ্রিদ ও এর আশেপাশে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ‘ঈদ আনন্দ’ উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। ফলে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।

ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুদুর রহমান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রুবেল সামাদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই ঈদ আনন্দ উৎসবে বাংলাদেশে অবস্তানরত সংগঠনের সভাপতি মো. শাহ আলম টেলিকনফারেন্সে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করতে এবং নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি শেখাতে সহায়তা করবে। তিনি প্রবাসে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির তার বক্তব্যে সকলকে এক ও অভিন্ন এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ ও নিজেদের উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। এমন একটি মিলনমেলা আয়োজন করায় তিনি ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ঈদ পুনর্মিলন যেন আমাদের প্রবাসীদের ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করে। আমরা যেন প্রবাসে থেকেও দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারি, দেশকে আরও ভালোবাসতে পারি।

ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের মহিলা সম্পাদিকা সাবান রহমানের সার্বিক সহযোগিতায় এই ঈদ আনন্দ উৎসবে ঢাকা জেলা এসোসিয়েশন ইন স্পেনের নেত্রবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বাক্কার, সহ সভাপতি নাফিজ মামুন, আব্দুস সাত্তার,আরজু মিয়া, সদস্য হাবিবুর রহমান, আলামিনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ছিল বাংলাদেশি খাবারের ব্যাপক আয়োজন। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে করে তুলেছিল আনন্দময়। সবকিছু মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছিল প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে বাঙালি কমিউনিটির অনেকেই সপরিবারে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ফলে ঈদ পুনর্মিলনীটি পরিণত হয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলন মেলায়। দুপুরের খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও অভিভাবকদের ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য আগত অতিথিদেরকে বাঙালিয়ানায় ঈদের আনন্দ উৎসবে মাতিয়ে রাখে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পুনর্মিলনীকে কেন্দ্র করে স্বদেশে স্বজনদের ছেড়ে দূর দেশে আসা প্রবাসীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস। অনেক স্বদেশিকে একসঙ্গে পাওয়ায় তাদের কাছে এ মিলনমেলা পরিণত হয়েছিল যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। প্রবাসের শত ব্যস্ততার মাঝে এই উৎসব সবার জীবনে নিয়ে আসে নতুন করে পথচলার উদ্দীপনা। নতুন করে ভালোবাসতে শেখায় দেশ ও দেশীয় সংস্কৃতিকে। এমনটাই বলছিলেন অংশগ্রহণকারীদের অনেকে।

;