ফ্রান্সের মূল ধারার রাজনীতিতে ৪ বাংলাদেশির ঐতিহাসিক সূচনা

কাওসার আহমেদ, ফ্রান্স, প্যারিস থেকে
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো ফ্রান্সে বাংলাদেশিদের বসবাস খুব বেশি দিন আগের নয়। জানা যায়, সত্তরের দশক থেকে ফ্রান্সে বাংলাদেশিদের বসবাস শুরু কিন্তু এতদিন মূল ধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের পদচারণা ছিল না বলা চলে। এই প্রথম কোনো নির্বাচনে বাংলাদেশিরা সফলতার মুখ দেখেছেন। চার গর্বিত ফরাসি বাংলাদেশি প্যারিসের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সত্তরের দশকে হাতে গোনা কয়েকজন বাংলাদেশি ফ্রান্সে পাড়ি জমালেও এখন এই সংখ্যা প্রায় অর্ধ শত হাজার ছাড়িয়েছে বলে কমিউনিটি নেতাদের ধারণা। ইতোমধ্যে কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি ফ্রান্সে ব্যবসা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন পেশায়, যেমন— ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও সাংবাদিকতার সাথে জড়িত হয়েছেন। ক্রমশ বাংলাদেশিরা দেশটির মূল ধারায় আসতে শুরু করেছে।

এবারে ২৮ জুন ২০২০ সালে ফ্রান্সের স্থানীয় সরকার (মিউনিসিপ্যাল) নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২ জন ফরাসি বাংলাদেশি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও বিজয়ের মুখ দেখেন ৪ ভাগ্যবান বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ফরাসি সিটিজেন।

শারমিন হক আবদুল্লাহ ফ্রান্সের সোশালিস্ট দল থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। দ্বিতীয় বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন পিয়াখফিত মিউনিসিপ্যাল এলাকা থেকে। তিনি ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জনাব আব্দুল্লাহ আল বাকী’র সুযোগ্য মেয়ে।

মোঃ রেজাউল করিম, ছখবোঁ মিউনিসিপ্যাল এলাকা থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। রেজাউল করিমের আদি বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়।

সরুফ ছদিওল ফ্রান্সের সোশালিস্ট দল থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন সেন-দেনি মিউনিসিপ্যাল এলাকা থেকে। সরুফ ছদিওলের আদি নিবাস সিলেটের জকিগঞ্জে।

রাব্বানী খান কাউন্সিলর নির্বাচিত হন স্তাঁ মিউনিসিপ্যাল এলাকা থেকে। রব্বানি খানের আদি নিবাস ঢাকার গাজী পুরে। তিনি ফ্রঁসে আভেক রাব্বানী ইন্সটিটিউট নামে একটি ফরাসি ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। (সূত্র: লো মন্ড)।

বাংলাদেশিদের বিজয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্যারিসে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত ও কমিউনিটি নেত্রীবৃন্দরা। দেশীয় সহোদরদের বিজয়ে কমিউনিটির সদস্যরাও উচ্ছ্বসিত।

আপনার মতামত লিখুন :