রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা, শেষে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হাথরসের নির্যাতিতার বাড়ি যেতে না দিয়ে রাহুল গান্ধিকে মাঝপথ থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে দেওয়া হয় ধাক্কা। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ধাক্কায় এক পর্যায়ে মাটিতে পড়ে যান সনিয়া গান্ধিও। তার আগে পথেই পুলিশের সঙ্গে রাহুলের তর্কাতর্কি শুরু হয়।

কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার রাহুলকে বলে, ‘আপনি ১৪৪ ধারা ভাঙছেন’। পাল্টা জবাবে রাহুল বলেন, ‘ আপনারা ১৪৪ ধারার অপব্যবহার করছেন’।

এ দিন প্রিয়ঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতা-নেত্রীদের প্রতিনিধি দলের একটি কনভয় হাথরসের পথে রওনা হয়। মাঝপথে তাদের প্রথমে আটকে দেওয়া হয়। পরে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হেঁটেই রওনা দেন হাথরসের দিকে। রাহুল-প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরীও। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ হাইওয়ের উপরেই তাদের কনভয় আটকে দেওয়া হয়।

রাহুল-প্রিয়ঙ্কা হাথরসে যাওয়ার ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ১৪৪ ধারা জারি করে যোগী সরকার। তাতেও কর্মসূচি বাতিল করেননি কংগ্রেস নেতা-নেত্রীরা। রাহুল-প্রিয়ঙ্কার কনভয় গ্রেটার নয়ডায় আসতেই আটকে দেওয়া হয়। সেখানে গাড়ি থেকে নেমে উত্তরপ্রদেশ-দিল্লি হাইওয়ে ধরে হাঁটতে শুরু করেছেন তারা। রাহুল প্রিয়ঙ্কাকে যেখানে আটকানো হয়েছে, সেখান থেকে হাথরসের দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। সেখান থেকে কিছু দূরে এগোনোর পরেই রাহুল-প্রিয়ঙ্কাদের আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। রাহুলকে গলাধাক্কা দিতেও দেখা যায় পুলিশকে। পরে গ্রেফতার করা হয় কংগ্রেসের এই সাংসদকে।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, কোভিডের কারণেই রাজ্যে নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। সেই কারণেই রাহুল-প্রিয়ঙ্কার কনভয় আটকানো হয়েছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে প্রবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছিল। সেই নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।