মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারফিউ, সড়ক অবরোধ ও গ্রেফতারের পরও মিয়ানমারে সাধারণ ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই দেশটিতে নির্বাচিত নেতা অং সান সু চির মুক্তি আর গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছে আন্দোলনকারীরা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দমন নীতি না চালানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন নীতি চালালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে পুলিশের গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহতের পর মিয়ানমারের রাজপথে আবারও জড়ো হয়েছে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। রাজধানী ইয়াঙ্গুনের দুইটি স্থানে সমবেত হয়ে অভ্যুত্থানবিরোধী স্লোগান দেয় আন্দোলনকারীরা। মান্দালয় শহরেও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। চলমান বিক্ষোভ আর নাগরিক অসহযোগ আন্দোলন সামাল দিতে ব্যর্থ জান্তা সরকার।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ ‘গ্রহণযোগ্য’ নয়।

মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার রাতে এক টুইটবার্তায় এমন অঙ্গীকারের কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে পুনর্বহালের দাবি করায় যারা বার্মার মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। আমরা বার্মার জনগণের পাশে আছি।

মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এবং দেশটির ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ১০ দিনের মাথায় নিজ দেশের এমন অবস্থানের কথা জানালেন অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

বিক্ষোভকারীরা তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি'র অন্য নেতাদের সাথে সাথে সু চিরও মুক্তির দাবি জানিয়েছে। অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহার এবং দেশটির প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক আইন অমান্য করার অভিযোগে গৃহবন্দী রয়েছেন সু চি।

সামরিক বাহিনী অভিযোগ তুলেছে গত বছর যে নির্বাচনে এনএলডি জয় পেয়েছিল তাতে জালিয়াতি হয়েছে। তবে এর পক্ষে কোন প্রমাণ দেয়নি তারা।