ফাইজার ও মডার্নার টিকার এক ডোজ যথেষ্ট নয়!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য ফাইজার ও মডার্নার টিকার এক ডোজ যথেষ্ট নয়। শনিবার (০৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বিজ্ঞানীরা দেখেছেন করোনা প্রতিরোধে ফাইজার ও মডার্নার টিকার এক ডোজ দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রমাণ নেই।

গত ২ মার্চ দেশটির ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব নরিস কোচরানকে লেখা চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাতজন চিকিৎসক ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফাইজার ও মডার্নার টিকার দুই ডোজের পরিবর্তে এক ডোজ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। যার প্রেক্ষিতে মার্কিন বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেন ফাইজার ও মডার্নার টিকার এক ডোজ করোনা প্রতিরোধে যথেষ্ট নয়।

এফডিএ-র জীববিজ্ঞান মূল্যায়ন এবং গবেষণা বিভাগের পরিচালক পিটার মার্কস ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, কোভিড -১৯ এবং এ সম্পর্কিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু প্রতিরোধের জন্য ফাইজার ও মডার্নার টিকা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়। তবে এই টিকা দুটির এক ডোজ দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফাইজার ও মডার্নার টিকার পাশাপাশি নতুন জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এর বৈশিষ্ট্য হলো, এক ডোজ টিকাই যথেষ্ট। দ্বিতীয় ডোজের দরকার নেই। কিন্তু ফাইজার, মডার্না বা অক্সফোর্ডের টিকা প্রথম ডোজ নেওয়ার ৪ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়। নাহলে পুরোপুরি সুরক্ষা পাওয়া যায় না।

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিজ্ঞানী এবং আইনবিদ সব ভ্যাকসিনের জন্য এক ডোজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, জনসনের মতো অন্য ভ্যাকসিনগুলোর এক ডোজ টিকা কার্যকর হতে পারে। তাই তারা দাবি করেন সব ভ্যাকসিনের জন্য এক ডোজ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে টিকা দেওয়ার গতি ত্বরান্বিত হবে।

জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এক ডোজই যথেষ্ট। তা ছাড়া এ টিকা দামেও তুলনামূলক সস্তা, সংরক্ষণেও সুবিধা আছে। জনসনের টিকা রেফ্রিজারেটরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যাবে। কোন ফ্রিজারের প্রয়োজন পড়বে না।

পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য বলছে, আজ রোববার (০৭ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ বিশ্বে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ৯ জন। একই সময় নাগাদ বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৭৭ জন।