পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাববে যুক্তরাষ্ট্র। গত দুই দশক ও নিকট ভবিষ্যতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ভূমিকার আলোকে তাদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা ঠিক হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

গত মাসে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর স্থানীয় সময় সোমবার প্রথম এ বিষয়ে কংগ্রেস সদস্যদের মুখোমুখি হন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিকে ব্লিঙ্কেন বলেন, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের নানামুখী স্বার্থ রয়েছে, সেগুলোর কিছু বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ওই বিষয়গুলো তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটা হলো আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে পাকিস্তানের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, আরেকটি হলো তালেবান সদস্যদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং আরও একটি বিষয় হচ্ছে সন্ত্রাস দমন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পৃক্ততা।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের সময় হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে করেছিলেন কংগ্রেস সদস্যরা। জবাবে ব্লিঙ্কেন বলেন, শিগগিরই তা করা হবে।

ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘সামনের দিন ও সপ্তাহগুলোতে আমরা যেসব বিষয় দেখতে চলেছি তার একটি এটা। ২০ বছর ধরে পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করেছে শুধু সেটাই নয়, আগামী বছরগুলোতে আমরা তাদের যে ভূমিকা চাই এবং তার জন্য তারা কী করবে, সেসব বিষয় বিবেচনা করা হবে।’

আন্তর্জাতিক মহলের দাবি পূরণ ছাড়া তালেবান সরকারকে বৈধতা না দিতেও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তালেবানের কাছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি আফগানিস্তান ছাড়তে চান, তাদের নিরাপদে বের হয়ে আসা নিশ্চিত করা এবং নারী, মেয়েশিশু ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা। এ ছাড়া আফগানিস্তান যেন আবার সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্য না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ব্লিঙ্কেন বলেন, তাই এগুলোর নিরসন এবং ওই সব প্রত্যাশা যাতে পূরণ করা হয়, সে জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশের সঙ্গে পাকিস্তানের কাজ করা দরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো–বহির্ভূত মিত্র (এমএনএন) দেশ হিসেবে বেশ কিছু সামরিক সুবিধা পায় পাকিস্তান। দেশটির ওই মর্যাদা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ডেমোক্র্যাট সদস্য জোয়াকুইন কাস্ট্রো।