শান্তির রোডম্যাপ উপেক্ষা করায় আসিয়ানের বৈঠক থেকে বাদ মিয়ানমার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসিয়ানের পাঁচ দফা প্রস্তাব উপেক্ষা করায় মিয়ানমারের জান্তার তীব্র সমালোচনা করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেতারা। মঙ্গলবার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের বৈঠক শুরু হয়। এ বৈঠকে মিয়ানমারের কোনো প্রতিনিধি ছিল না।

বৈঠক শুরুর আগেই আসিয়ানের নেতারা মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেল মিন অং হ্লাইংকে বৈঠক থেকে বাদ দেন। ছয় মাস আগে শান্তি স্থাপনে মিয়ানমার যে রোডম্যাপে সম্মতি দিয়েছিল, তা উপেক্ষা করায় হ্লাইংকে আসিয়ানের বৈঠক থেকে বাদ দেওয়া হয়।

তবে দ্য আসোসিয়েশন অব সাউথওয়েস্ট এশিয়ান নেশসনের (আসিয়ান) পক্ষ থেকে বলা হয়, হ্লাইংকে বাদ দেওয়া হলেও দেশটির একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে বৈঠকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে গত সোমবার জান্তার পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। জান্তার পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কেবল তাদের নেতা বা একজন মন্ত্রীকে যোগদানের সুযোগ দিলে প্রস্তাবে রাজি হবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসিয়ানের বৈঠক থেকে বাদ পড়াটা মিয়ানমারের জন্য বড় অপমান এবং আসিয়ানের মতো একটি জোটের পক্ষ থেকে সাহসী পদক্ষেপ। সাধারণত সদস্যদেশগুলোর যেকোনো সংকটে যুক্ত থাকা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে অটল থাকার নীতি অনুসরণ করে থাকে আসিয়ান। গত সোমবার শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

আগামী বছর আসিয়ানের চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছে কম্বোডিয়া। দেশটির প্রধানমন্ত্রী হান সেন বলেন, আসিয়ানের কাঠামো থেকে মিয়ানমারকে বাদ দেওয়া হয়নি। মিয়ানমার তাদের অধিকার হাতছাড়া করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারসুদি বলেন, আসিয়ানের একটি জায়গা মিয়ানমারের জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু তারা যুক্ত হতে চায়নি।

রেটনো আরও বলেন, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো তার মন্তব্যে আসিয়ানের নেতাদের কাছে মিয়ানমারের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। উইদোদো আরও বলেন, আসিয়ানের সিদ্ধান্তে মিয়ানমারের অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল। কিন্তু এটা পালন করা উচিত ছিল।

সামরিক শাসিত মিয়ানমারের পরিস্থিতি আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের জন্য নিজস্ব অঞ্চলের মধ্যে উদ্ভূত সমস্যা সমাধান করার যোগ্যতার পরীক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা। গতকাল আসিয়ানের লিডার্স সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আসিয়ানের গঠনমূলক ভূমিকা সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং এ জোটের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার ওপর প্রভাব ফেলবে।

হাসপাতালে মাহাথির মোহাম্মদ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে দেশটির ন্যাশনাল হার্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) তার এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

মুখপাত্র জানান, মাহাথিরকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

৯৬ বছর বয়সী এ নেতা এর আগে ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে ১৩ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন।

মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাহাথির। এর আগে তার বাইপাস সার্জারিও করতে হয়েছিল । তবে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর শরীরে কোন কোন উপসর্গ দেখা দিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

;

বিদেশ থেকে কর্মী সংস্থান করবে জার্মানি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোভিড পরিস্থিতি-সহ নানা কারণে জার্মানির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মী সংখ্যার যথেষ্ট অভাব দেখা দিয়েছে। সেই অভাব পূরণ করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোতে প্রতি বছর ৪ লাখ দক্ষ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জার্মানির নতুন জোট সরকার।

বিদেশ থেকেই সেই কর্মী আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জার্মান ইকোনোমিক ইনস্টিটিউট-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, বয়স্ক কর্মীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে দেশটিতে। যাদের বেশির ভাগই অবসর নেবেন এ বছর। ফলে বিপুল সংখ্যক কর্মীর চাহিদা দেখা দেবে। ওই সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে এ বছরেই তিন লক্ষেরও বেশি কর্মীর অভাব দেখা দেবে। ২০২৯-এর মধ্যে সেই সংখ্যাটা সাড়ে ৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে কর্মীর অভাব এড়াতে শীঘ্রই সেই বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মীর আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

সরকারের ফ্রি ডেমোক্র্যাটস (এফডিপি)-এর নেতা ক্রিশ্চিয়ান দুয়ের বলেন, “দক্ষ কর্মীর অভাব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ক্রমেই মন্থর হয়ে পড়ছে। যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। তাই নবনির্বাচিত সরকার বিদেশ থেকে কর্মী আনার কথা চিন্তা করছে।”

নতুন অভিবাসন নীতিকে কাজে লাগিয়েই এই সমস্যা সমাধানের একটা পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন দুয়ের। যত দ্রুত সম্ভব ওই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

;

মিয়ানমারে সু চির দলের সংসদ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থাও এবং গণতন্ত্রপন্থী নেতা কিয়াউ মিন ইউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত।

মিয়ানমার জান্তা সরকার বলেছে, নভেম্বরে গ্রেফতার হওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সদস্য ফিও জেয়ার থাওকে 'সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আজ শুক্রবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কিয়াউ মিন ইউকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতির সঙ্গে ফিয়াউ জেয়ার থাও এবং কিয়াউ মিন ইউর হাতকড়া পরা ছবিও প্রকাশ করে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মিডিয়া টিম।

মিয়ানমার জান্তা ভিন্নমতের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে কয়েক ডজন অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

এর আগে গত নভেম্বরে ইয়াঙ্গুনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দুটি পিস্তল, একটি বন্দুক ও বেশকিছু গুলিসহ এনএলডি নেতা ও জনপ্রিয় হিপহপ সংগীতশিল্পী ফিও জেয়ার থাওকে গ্রেফতারের কথা জানায় জান্তা সরকার।

২০১৫ সালে সু চির দল এনএলডির হয়ে এমপি নির্বাচিত হন ফিও জেয়ার থাও। সেবারই বেসামরিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে মিয়ানমার। এর আগেও সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গাওয়া তার হিপহপ সংগীত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৮ অবৈধ সংগঠনে জড়িত থাকা এবং বিদেশি মুদ্রা রাখার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেন তিনি।এ ছাড়া সম্প্রতি অং সান সু চিকেও ৬ বছরের কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের সামরিক আদালত।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির  নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে বন্দী করে। এরপর থেকে সেখানে চলছে জান্তাবিরোধী রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এ বিক্ষোভে  এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।

;

ইয়েমেনে কারাগারে হামলার নিন্দা জাতিসংঘের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় ৭০ জনের অধিক মানুষ নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেসের এ হামলার তদন্ত চেয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ইয়েমেনের সাদা শহরে বিমান হামলা চালায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বিদ্রোহী হুতিদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই শহরটিকে। হুতিদের দমনে ২০১৫ সাল থেকে লড়াই চালিয়ে আসছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী।

এ হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে যেভাবে উত্তেজনা বাড়ছে, তা অবশ্যই কমাতে করতে হবে। এ ছাড়া হামলার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও।

শনিবার এক বিবৃতিতে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ফলস্বরূপ ১০ হাজারের বেশি শিশুসহ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত বা আহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং জনসংখ্যার বেশিরভাগই দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

;