‘ইউরোপে সংক্রমণরোধে ব্যর্থ হলে মার্চের মধ্যে ৫ লাখ প্রাণহানির শঙ্কা’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরোপের অধিকাংশ দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অনেকেই এটিকে মহামারি করোনাভাইরাসের ‘চতুর্থ ঢেউ’ বলে উল্লেখ করছেন। ইউরোপে হঠাৎ ঊর্ধ্বমূখী করোনার এ সংক্রমণে ‌‘অতি উদ্বিগ্ন’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। খবর বিবিসির।

barta24
ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক ডা. হ্যান্স ক্লুজ। ছবি: বিবিসি

ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক ডা. হ্যান্স ক্লুজ বিবিসিকে বলেছেন, ‘ইউরোপে যেভাবে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে, তাতে সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামী মার্চ নাগাদ আরও অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের প্রাণহানি হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘মাস্ক পরার মতো সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগুলো জারি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ফল পাওয়া যাবে। শীত মৌসুম এবং পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকায় সংক্রমণ বাড়ছে। হঠাৎ সংক্রমণ বাড়ার পেছনে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টও কারণ হতে পারে।’

barta24

হ্যান্স ক্লুজ বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর প্রধান ​কারণ হয়ে উঠেছে করোনাভাইরাস। তবে আশার কথা হলো- মরণঘাতি এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে কী করতে হবে, তা এখন আমরা জানি।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ পরিচালক বলেন, ‘বাধ্যতামূলক টিকাদানকে শেষ অবলম্বন হিসেবে দেখা উচিত। তবে কারও ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব করার বিতর্ক জড়ানো উচিত হবে না। আমাদেরকে সামাজিকভাবে সতর্ক হতে হবে।

barta24

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গেল এক সপ্তাহ ধরে ইউরোপের বড় দেশগুলোতে করোনার সংক্রমণ বাড়ছেই। জার্মানিতে সংক্রমণ বাড়ার পর তা রুখতে করোনার টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। টিকাগ্রহণে নাগরিকদের বাধ্য করার মতো কড়াকাড়িও আরোপ করেছে দেশটি।

অস্ট্রিয়ায় টিকাগ্রহণ বাধ্যতামূলক করে আগামী ফেব্রুয়ারি নাগাদ আইন করার চিন্তা করছেন দেশটির চ্যান্সেলর। সেখানে ২০ দিনের লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া টিকাগ্রহণের আইডি ছাড়া বাইরে চলাফেরার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে সব অনুষ্ঠান বাতিল করেছে অস্ট্রিয়া সরকার।

barta24

নেদারল্যান্ডডেস করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন ঘোষণা করেছে ডাচ সরকার। এছাড়া সুইজারল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে টিকাগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার পথে হাঁটছে দেশগুলোর সরকার।

তবে ইউরোপের এসব দেশে টিকা বাধ্যতামূলক করাকে ব্যক্তি স্বাধীনতা পরিপন্থী বলে ক্ষোভ জানাচ্ছেন দেশগুলোর নাগরিকরা। তারা লকডাউন ও সংক্রমণ রুখতে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ প্রতিবাদে রাস্তায়ও নেমেছেন। শনিবার নেদারল্যান্ডসের রোটারডমে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

barta24

অন্যদিকে, অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি রাজ্যে টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন মানুষ। ফলে নাগরিকদের প্রতিবাদের মুখে পিছু হটতে হচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের।

জর্ডান সেনার সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সিরিয়ার ২৭ চোরাকারবারি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিয়া থেকে মাদক নিয়ে জর্ডানে প্রবেশের সময় জর্ডান সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২৭ পাচারকারী নিহত হয়েছে। এ সময় আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী সিরিয়ায় পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত কয়েক বছরে সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে জর্ডানে মাদক পাচারের ঘটনা বেড়েছে। ফলে কয়েকটি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করেছে জর্ডান পুলিশ। ফলে বিগত বছরে এই ধরনের বেশ কয়েকটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার পর বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে জর্ডানের সেনাবাহিনী। সিরিয়ার ট্রাকে ভর্তি করে জর্ডানের মূল সীমান্ত ক্রসিং এর ভেতর দিয়ে এসব মাদক উপসাগরীয় অঞ্চলে নেওয়ার চেষ্টা চলছিল বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এ মাসের শুরুর দিকে সিরীয় সীমান্তে চোরাকারবারীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জর্ডানের একজন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। সিরিয়ার সঙ্গে জর্ডানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। যেখানে প্রায়ই চোরাকারবারীর ঘটনা ঘটে। গৃহযুদ্ধ চলাকালে সিরিয়া থেকে জর্ডানে ছয় লাখ ৫০ হাজারের বেশি শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করেছে সিরিয়া ও জর্ডানের কর্মকর্তারা। সিরিয়ার সরকারি বাহিনী জর্ডান সীমান্ত বরাবর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকা দখলের পর এ অলোচনা হয় দেশ দুইটির মধ্যে।

এর এক মাস পড়ে গত এক দশকের মধ্যে প্রথম বারের মতো জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দেশ দুইটির মধ্যে প্রধান সীমান্ত বন্দরগুলো পুনরায় চালু হয়।

জর্ডানের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহ গ্রুপ এবং দক্ষিণ সিরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী এসব মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ।

জাতিসংঘের মাদক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে পাচার হওয়া মাদকের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এক দশকের গৃহযুদ্ধ জর্জরিত সিরিয়া। এসব মাদক জর্ডান, ইরাক এবং ইউরোপে পাচার হয়ে থাকে বলে দাবি তাদের।

;

ফুকুশিমা বিপর্যয়: ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণের মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুকুশিমা পারমাণবিক প্ল্যান্টের অপারেটরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন থাইরয়েড ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানের ছয় তরুণ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ বছর আগে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো জাপানের পূর্ব উপকূলে, যাতে তছনছ হয়ে যায় ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসময় পারমাণবিক বিকিরণের এক্সপোজার থেকে তারা ক্যান্সার আক্রান্ত হন।

ফুকুশিমা বিপর্যয়ের সময় ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানি ছয় তরুণের বয়স ছয় থেকে ১৬ বছরের মধ্যে ছিল।

বাদীদের আইনজীবী বলেন, তাদের থাইরয়েড গ্রন্থির অংশ বা সমস্ত অংশ অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

তবে, তারা প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন যে বিকিরণ থেকে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণ টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (টেপকো) কাছ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চাচ্ছেন বলে তাদের আইনজীবী জানিয়েছে।

এবিষয়ে টেপকোর একজন মুখপাত্র বলেছেন, কোম্পানিটি মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জেনে এটি সমাধান করার চেষ্টা করবে।

পারমাণবিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানের ফুকুশিমার ওকুমা শহরে যা দেশটির পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় তবে রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে।

২০১১ সালের ১১ মার্চ স্থানীয় সময় বেলা পৌনে তিনটায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। আঘাত হানার মূল জায়গাটি ছিলো ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ৯৭ কিলোমিটার দূরে সেন্দাই শহরে।

ওদিকে সুনামি উপকূলে আঘাত হানার আগে সতর্ক হওয়ার জন্য মাত্র দশ মিনিট সময় পেয়েছিলো সেখানকার অধিবাসীরা। তবে ভূমিকম্প, সুনামি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার কারণে সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছিল।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ মারা না গেলেও বিস্ফোরণে কেন্দ্রটির ১৬ জন কর্মী আহতে হয়েছিলো।

;

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল টোঙ্গা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ টোঙ্গায় আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২।

চলতি মাসেই সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর দেশটিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। এই বিপর্যয় কাটিয়ে না উঠতেই আবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে দেশটি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএজিএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) টোঙ্গার পাঙ্গাই থেকে প্রায় ২১৯ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘান হেনেছে। গভীরতা ছিল ১৪.২ কিলোমিটার। ফলে প্রাণহানি এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ভূমিকম্প উৎপত্তিস্থল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে জনবসতি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;

স্পার্ম ডোনেশনে ১২৯ সন্তানের জনক ক্লাইভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্লাইভ জোন্স

ক্লাইভ জোন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্যের একজন অবসরপ্রাপ্ত গণিত শিক্ষক ক্লাইভ জোন্স নিজেকে "বিশ্বের সবচেয়ে সফল শুক্রাণু দাতা" দাবি করে জানিয়েছেন যে তিনি ১২৯টি সন্তানের জনক। আরও নয়টি সন্তান খুব শিঘ্রই পৃথিবীতে আসবে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৬৬ বছর বয়সী জোন্স প্রায় এক দশক ধরে ফেসবুক ব্যবহার করে শুক্রাণু দান করে আসছেন। আর এরই জের ধরে এ পর্যন্ত ১২৯ সন্তানের জৈবিক পিতা হয়েছেন এবং শীঘ্রই আরও ৯ সন্তানের জন্ম হতে চলেছে, যার ফলে তিনি মোট ১৩৮ সন্তানের পিতা হবেন।

ক্লাইভ বলেছেন যে ১৫০ সন্তানের জনক হওয়ার পর তিনি এই কাজ আর করবেন না।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ক্লাইভ আইনগতভাবে শুক্রাণু দাতা হতে পারেন না, কারণ আমেরিকায় শুক্রাণু দাতা হওয়ার সর্বোচ্চ বয়স ৪৫ বছর। এ কারণে যারা স্পার্ম গ্রহণ করতে চান তারা সরাসরি ফেসবুকের মাধ্যমে ক্লাইভের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাদের চাহিদা পূরণ করার কথা জানান।

ক্লাইভের এই কাণ্ড সামনে আসার পর সতর্কতা জারি করেছে হিউম্যান ফার্টিলাইজেশন অ্যান্ড এমব্রায়োলজি অথরিটি। প্রকৃতপক্ষে, ক্লাইভ তার ভ্যান থেকে শুক্রাণু দানের কাজ চালান কিন্তু প্রশাসনের কঠোর নির্দেশ রয়েছে যে, যারাই শুক্রাণু দানের কাজ করবেন তারা শুধুমাত্র আমেরিকায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্লিনিকের মাধ্যমে তা বিক্রি বা ক্রয় করতে পারবেন। সন্তানের জন্ম দেবেন। 

অবাক করা হলেও সত্য এর জন্য কোন টাকা নেন না ক্লাইভ।

তিনি জানান, কারো সংসার গুছিয়ে তিনি মানসিক শান্তি পান। ১০ বছর আগে সংবাদপত্রে একটি প্রতিবেদন থেকে তিনি এই ধারণাটি পেয়েছিলেন। সেখানে  তিনি দেখেছিলেন সন্তানহীনতার কারণে মানুষকে কত মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।

তবে কাজটি যে মোটেও সহজ নয় সেটাও স্বীকার করেছেন ব্রিটিশ এই গণিতের শিক্ষক।

;