এক ডোজ টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে সৌদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের এক ডোজ টিকা নিলেই বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে সৌদি আরবে প্রবেশে মিলছে অনুমতি। আগামী শনিবার (০৪ ডিসেম্বর) থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। খবর রয়টার্সের।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগের দিনই করোনার নতুন ধরনটি নিয়ে শঙ্কার মুখে আফ্রিকার সাতটি দেশ থেকে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করে সৌদি সরকার। তবে নতুন নির্দেশনায় ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, টিকার একটি ডোজ নেওয়া থাকলেই ৪ ডিসেম্বর থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে সৌদি আরবে ঢোকার অনুমতি মিলবে। তবে দেশটিতে ঢোকার পর তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

এদিকে, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে এরইমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরাও। তারা বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে রূপান্তরিত হয়ে নতুন এই রূপ নিয়েছে। এটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আইএস’র হামলায় প্রাণ গেল ১১ ঘুমন্ত ইরাকি সেনার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, দিয়ালা প্রদেশের একটি ইরাকি সেনা ব্যারাকে সন্দেহভাজন আইএসআইএল (আইএসআইএস) বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়ে ১১ জন সেনাকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করেছে।

শুক্রবার ভোরে রাজধানী বাগদাদ থেকে ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উত্তরে অবস্থিত একটি পার্বত্য এলাকা আল-আজিম জেলায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে বার্তা সংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরাক সেনার এক পদস্থকর্তা এই খবর দিয়েছেন। হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জঙ্গিদের খুঁজতে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

সরকারি সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, হামলা হয় শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ। সেনাবাহিনীর একটি কনভয় বাকুবা প্রদেশের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা আইএস জঙ্গিদের একটি দল সেই কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ঘুমন্ত ১১জন ইরাক সেনা। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত অক্টোবরেও আইএস একটি গ্রামে হামলা চালিয়ে ১১জন নাগরিককে খুন করে। হামলায় বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী আহত হন। জানা গিয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে অপহরণ। আইএস বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অপহরণ করে। দাবি করে মুক্তিপণের। গ্রামবাসী মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করলে আইএস জঙ্গিরা সেখানে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। আর তাতেই মৃত্যু হয় ১১জন গ্রামবাসীর।

ইরাক সেনার অভিযান চালিয়ে সেখানকার বহু আইএস ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যদিও এই সংগঠনের স্লিপার সেল এখনও কিছুটা হলেও সক্রিয়। তবে শুক্রবারের হামলার পর ইরাক সেনার তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

;

ঘানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১৭  



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিস্ফোরণের পর চলছে উদ্ধার

বিস্ফোরণের পর চলছে উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা। শুক্রবার সকালে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ট্রাকের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ৫৭ জন বলে সিএনএন এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশী ছিল যে সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী এলাকার প্রায় ৫০টি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ভেঙে পড়া বাড়িগুলির মধ্যে অনেকেই আটকে আছেন। এমনটা হলে বাড়তে পারে মৃত এবং আহতের সংখ্যা, এমনটাই আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। 

এই ঘটনা প্রসঙ্গে ঘানা পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে যে, স্বর্ণখনির জন্য বিস্ফোরক বহনকারী একটি গাড়ির সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ফলে এই বিস্ফোরণ ঘটে। পুরো ঘটনাটিই একটি দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে একটি ট্রাকে করে বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল স্বর্ণখনিতে ব্যবহার করার জন্য। সেই বিস্ফোরক ভর্তি ট্রাকেটির সঙ্গে হঠাৎই একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। সাথেসাথেই ট্রাকে থাকা বিস্ফোরকগুলি ফেটে গিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

 

;

পর্যটকদের জন্য ফের ‘টেস্ট এন্ড গো স্কিম’ চালু থাইল্যান্ডের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পর্যটকদের জন্য ফের ‘টেস্ট এন্ড গো স্কিম’ চালু থাইল্যান্ডের

পর্যটকদের জন্য ফের ‘টেস্ট এন্ড গো স্কিম’ চালু থাইল্যান্ডের

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারো পর্যটকদের জন্য টেস্ট এন্ড গো স্কিম চালু করছে থাইল্যান্ড। ফলে দেশটিতে প্রবেশ করে করোনা পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসলেই নিজেদের ইচ্ছেমতো বেড়াতে পারবেন ভিনদেশীরা। আসছে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সেন্টার ফর কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কর্তৃপক্ষ (সিসিএসএ)। দেশটিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে বাংলাদেশের পর্যটকরা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন কিনা সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না।

এর মাত্র এক মাস আগে এই ‘টেস্ট এন্ড গো’ স্কিমটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং পর্যটকদের জন্যে শুধুমাত্র ‘সেন্ডবক্স’ স্কিম চালু ছিল পর্যটক শহর ফুকেটে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী থাইল্যান্ডে পর্যটক প্রবেশ করার পরপরই একবার করোনা পরীক্ষা করতে হবে এবং নেগেটিভ আসলে তিনি ইচ্ছেমতো ঘুরতে পারবেন। তবে এর ৫ দিন পর যেখানেই থাকুক না কেন আরেকটি পরীক্ষা করতে হবে এবং একটি অ্যাপের মাধ্যমে দেশটিতে প্রবেশ করা ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সিসিএসএ’র প্রতিনিধি তাওইসিল্প ভিসানুয়োথিন বলেন, পর্যটকরা তাদের টেস্ট রেজাল্ট পাওয়া পর্যন্ট হোটেলে অবস্থান করবেন। ১৯৯৭ সালে আসিয়ান অর্থনৈতিক মন্দার পর এবারই দেশটির অর্থনীতিতে বড় আঘাত লেগেছে। যেখানে ২০১৯ সালে থাইল্যান্ডে পর্যটক গিয়েছেন ৪ কোটি সেটি মাত্র শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে গত বছর।

তিনি বলেন, যেহেতু ওমিক্রনে মৃত্যুর সংখ্যা বা হাসপতাললে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে না, তাই আমরা আবারো টেস্ট এন্ড গো স্কিম চালু করছি।

এছাড়াও সেন্ডবক্স স্কিম, যার অধীনে পর্যটকদের সাত রাত হোটেলে থাকতে হবে এবং নির্দিস্ট জেলার বাইরে যাওয়া যাবে না, সেই স্কিমটিতেও পরিবর্তন করা হবে। এর মধ্যে পাতায়া এবং কোহ চাং কে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও বারগুলো রাত ১১ টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

;

দেশেই তৈরি হবে মার্কের কোভিড পিল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশসহ নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের ২৭টি দেশে নিজেদের তৈরি কোভিড পিল ‘মলনুপিরাভির’ উৎপাদনের জন্য চুক্তি করেছে বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি মার্ক অ্যান্ড কো।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কের সঙ্গে ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গোষ্ঠী মেডিসিন পেটেন্ট পুলের (এমপিপি) মাধ্যমে জাতিসংঘ সমর্থিত দেশগুলোর জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারকদের নিজস্ব সংস্করণ তৈরির সাব-লাইসেন্স দেওয়া হবে। ওষুধটি বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের কোম্পানি তৈরি করে বাজারেও এনেছে।

কোম্পানিটি দাবি করেছে, তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কোভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে। অ্যান্টিভাইরাল এই ড্রাগটি গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে।

এমপিপি বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বলেছে, বড়িটি কম দামে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের ১০৫টি দেশে সরবরাহ করা হবে। কোভিড যতদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ঘোষণা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘জনস্বাস্থ্য জরুরি’ পরিস্থিতি হিসেবে শ্রেণিভুক্ত থাকবে।

মেডিসিন্স প্যাটেন্ট পুলের (এমএমপি) নির্বাহী পরিচালক চার্লস গোর বলেন, কোভিড-১৯ এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মানুষকে রক্ষায় আমাদের ভাণ্ডারে নতুন আরেকটি অস্ত্র যোগ হলো। আমরা খুবই আনন্দিত। কয়েক মাসের মধ্যে মার্কের ওষুধটির জেনেরিক সংস্করণ বাজারে পাওয়া যাবে বলে জানান গোর।

বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ভারতের ন্যাটকো ফার্মা, দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাস্পেন ফার্মাকেয়ার হোল্ডিংস এবং চীনের ফসুন ফার্মা এটি উৎপাদন করবে।

;