পারমাণবিক চুক্তির সপ্তম দফা আলোচনার সমাপ্তি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে পারমানবিক চুক্তির সপ্তম দফা আলোচনা। পরের সপ্তাহে নতুন দফায় আলোচনার আশা নিয়েই নিজ নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে ইউরোপীয় প্রতিনিধিদলগুলো। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ভিয়েনায় এই আলোচনা শেষ হয়েছে।

২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমানবিক চুক্তিটি পুনরুদ্ধারের জন্য বিশ্ব ছয় শক্তি আলোচনায় বসেছিল। কেননা এর কোন কার্যকর বিকল্প নেই। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে ইরান এবং পশ্চিমা দেশের মধ্যে ব্যাপকভাবে মতভেদ রয়েছে।

যদিও ইরানি প্রতিনিধি বলেছে, যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ আলোচনা করার জন্য অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় থাকতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু ইউরোপীয় প্রতিনিধি পরামর্শের প্রয়োজনীয়তায় দেশের ফিরে যাওয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত বিরতির আহ্বান জানিয়েছে। তবে পরের সপ্তাহে প্রতিনিধিরা অষ্টম দফা আলোচনার জন্য ভিয়েনার প্যালেস কোবার্গে ফিরে যাবেন। জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশনকে (জেসিপিওএ) পুনরুজ্জীবিত করতে সকল পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোভাবে উন্মোচন করতে সপ্তম দফা আলোচনা শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া এবং যুক্তরাজ্যের সাথে আলোচনায় তৈরি দুইটি নথি জেসিপিওএ কমিশনের কাছে পেশ করেছে ইরান। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নথি দুটি রিল করে ইউরোপীয়রা। কেননা ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে চুক্তিটি পরিত্যাগ করেছিল এবং ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

নথিতে ইরানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির পারমাণবিক অগ্রগতি কীভাবে কমানো যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। এছাড়াও উল্লেখ রয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার এবং সন্ত্রাসবাদ বিষয় দুটি রেখে ২০১৮ সালে আরোপিত সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে চায়। এদিকে তৃতীয় নথিও দ্রুত হস্তান্তর করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক চুক্তিটি পুনরায় ত্যাগ করবে না এমন গ্যারান্টি এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে যাচাইকরণের জন্য ইরানের দাবির বিবরণ রয়েছে।

হাসপাতালে মাহাথির মোহাম্মদ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে দেশটির ন্যাশনাল হার্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) তার এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

মুখপাত্র জানান, মাহাথিরকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

৯৬ বছর বয়সী এ নেতা এর আগে ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে ১৩ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন।

মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাহাথির। এর আগে তার বাইপাস সার্জারিও করতে হয়েছিল । তবে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর শরীরে কোন কোন উপসর্গ দেখা দিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

;

বিদেশ থেকে কর্মী সংস্থান করবে জার্মানি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোভিড পরিস্থিতি-সহ নানা কারণে জার্মানির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মী সংখ্যার যথেষ্ট অভাব দেখা দিয়েছে। সেই অভাব পূরণ করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোতে প্রতি বছর ৪ লাখ দক্ষ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জার্মানির নতুন জোট সরকার।

বিদেশ থেকেই সেই কর্মী আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জার্মান ইকোনোমিক ইনস্টিটিউট-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, বয়স্ক কর্মীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে দেশটিতে। যাদের বেশির ভাগই অবসর নেবেন এ বছর। ফলে বিপুল সংখ্যক কর্মীর চাহিদা দেখা দেবে। ওই সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে এ বছরেই তিন লক্ষেরও বেশি কর্মীর অভাব দেখা দেবে। ২০২৯-এর মধ্যে সেই সংখ্যাটা সাড়ে ৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে কর্মীর অভাব এড়াতে শীঘ্রই সেই বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মীর আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

সরকারের ফ্রি ডেমোক্র্যাটস (এফডিপি)-এর নেতা ক্রিশ্চিয়ান দুয়ের বলেন, “দক্ষ কর্মীর অভাব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ক্রমেই মন্থর হয়ে পড়ছে। যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। তাই নবনির্বাচিত সরকার বিদেশ থেকে কর্মী আনার কথা চিন্তা করছে।”

নতুন অভিবাসন নীতিকে কাজে লাগিয়েই এই সমস্যা সমাধানের একটা পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন দুয়ের। যত দ্রুত সম্ভব ওই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

;

মিয়ানমারে সু চির দলের সংসদ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থাও এবং গণতন্ত্রপন্থী নেতা কিয়াউ মিন ইউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত।

মিয়ানমার জান্তা সরকার বলেছে, নভেম্বরে গ্রেফতার হওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সদস্য ফিও জেয়ার থাওকে 'সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আজ শুক্রবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কিয়াউ মিন ইউকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতির সঙ্গে ফিয়াউ জেয়ার থাও এবং কিয়াউ মিন ইউর হাতকড়া পরা ছবিও প্রকাশ করে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মিডিয়া টিম।

মিয়ানমার জান্তা ভিন্নমতের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে কয়েক ডজন অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

এর আগে গত নভেম্বরে ইয়াঙ্গুনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দুটি পিস্তল, একটি বন্দুক ও বেশকিছু গুলিসহ এনএলডি নেতা ও জনপ্রিয় হিপহপ সংগীতশিল্পী ফিও জেয়ার থাওকে গ্রেফতারের কথা জানায় জান্তা সরকার।

২০১৫ সালে সু চির দল এনএলডির হয়ে এমপি নির্বাচিত হন ফিও জেয়ার থাও। সেবারই বেসামরিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে মিয়ানমার। এর আগেও সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গাওয়া তার হিপহপ সংগীত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৮ অবৈধ সংগঠনে জড়িত থাকা এবং বিদেশি মুদ্রা রাখার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেন তিনি।এ ছাড়া সম্প্রতি অং সান সু চিকেও ৬ বছরের কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের সামরিক আদালত।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির  নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে বন্দী করে। এরপর থেকে সেখানে চলছে জান্তাবিরোধী রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এ বিক্ষোভে  এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।

;

ইয়েমেনে কারাগারে হামলার নিন্দা জাতিসংঘের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় ৭০ জনের অধিক মানুষ নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেসের এ হামলার তদন্ত চেয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ইয়েমেনের সাদা শহরে বিমান হামলা চালায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বিদ্রোহী হুতিদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই শহরটিকে। হুতিদের দমনে ২০১৫ সাল থেকে লড়াই চালিয়ে আসছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী।

এ হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে যেভাবে উত্তেজনা বাড়ছে, তা অবশ্যই কমাতে করতে হবে। এ ছাড়া হামলার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও।

শনিবার এক বিবৃতিতে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ফলস্বরূপ ১০ হাজারের বেশি শিশুসহ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত বা আহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং জনসংখ্যার বেশিরভাগই দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

;