স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে জন্ম নবজাতকের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বার্তা২৪.কম
নবজাতকের সাথে চিকিৎসক আয়েশা খতিব

নবজাতকের সাথে চিকিৎসক আয়েশা খতিব

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট ছুটে চলছিল তার গন্তব্যের দিকে। প্লেনটি যখন ঠিক ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে তখনই জন্ম নিল ফুটফুটে একটি শিশু।

সম্প্রতি সেই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন কানাডিয়ান চিকিৎসক আয়েশা খতিব। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। 

আয়েশা কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দোহা থেকে এন্টেবে যাচ্ছিলেন। সেই ফ্লাইটেই ছিলেন উগান্ডার এক গর্ভবতী নারী যাত্রী যিনি সৌদি আরব থেকে তার দেশে ফিরছিলেন।


ফ্লাইটটি যাত্রা শুরুর এক ঘন্টা না পেরুতেই বিমানেই জন্ম নিল সেই নারী যাত্রীর সন্তান। প্রায় ৩৫ সপ্তাহ পর সুস্থ ভাবেই জন্ম হয় শিশুটির। উল্লেখ্য, ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণার সময় বিমানে উপস্থিত ছিলেন ডা. আয়েশা। কোনরকম দ্বিধা বোধ না করেই নিজেই মাঠে নেমে পড়েন তিনি।

এই পরিস্থিতিতে আয়েশার সঙ্গে ছিলেন বিমানে থাকা আরও দুই যাত্রী। একজন ছিলেন ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) এনজিওর, একজন শিশু বিশেষজ্ঞ আর অপর জন ছিলেন একজন অনকোলজি নার্স। কন্যা সন্তানের জন্মের পর অভিনন্দনের করতালিতে মেতে ওঠে গোটা বিমান।

তবে এখানেই শেষ নয়,সদ্যজাত শিশুটির নামকরণ করা হয় ডাঃ আয়েশার নামেই। এমনকি ডা. আয়েশা নিজের গলার থাকা একটি স্বর্ণের চেইন পরিয়ে দেন শিশুটির গলায়।

সূত্র- বিবিসি

নরওয়েতে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ২১



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নরওয়ের রাজধানী অসলোতে বন্দুক হামলায় দুই জন নিহত এবং আরও ২১ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ জুন) শহরের বেশ কয়েকটি বারের সামনে গিয়ে গুলি চালায় ওই বন্দুকধারী। খবর বিবিসির।

৪২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

টোর বারস্টাড নামে পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, লন্ডন পাব থেকে কাছের একটি ক্লাব ও একটি সড়কে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার রাতে বন্দুক হামলার ওই ঘটনার কয়েক মিনিটের মাথায় সন্দেহভাজন হামলাকারীকে কাছাকাছি একটি সড়ক থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অসলোর প্রাণকেন্দ্রে থাকা দ্য লন্ডন পাব নামের ওই ক্লাবটি সমকামীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় নাইটক্লাব।

এ ঘটনাকে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোয় ভয়ানক ও মর্মান্তিক আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, আমি একজন ব্যক্তিকে ব্যাগ নিয়ে আসতে দেখেছি এবং সে ব্যাগ থেকে বন্দুক বের করে গুলি করতে শুরু করে।

;

গর্ভপাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বললেন বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গর্ভপাতের জন্য মার্কিন নারীদের সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের রায়কে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গর্ভপাতকে বৈধতা দেওয়া প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো আইনটি শুক্রবার (২৪ জুন) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়।

দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাইডেন বলেন, যেভাবে নারীদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকারকে কেড়ে নেওয়া হল, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, এই রায়ে আমেরিকার লাখ লাখ নারীর জীবন নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করবে এবং দেশটিতে এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়বে।

শুক্রবার এক রায়ে আমেরিকার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, গর্ভপাতের অধিকার সংবিধান দেবে না। তা দেওয়া হবে কি হবে না, তা স্থির করবে স্থানীয় প্রদেশের প্রশাসন। পাঁচ দশক আগে রো বনাম ওয়েড মামলার রায়কে বাতিল করে দিয়ে আদালত শুক্রবার এই রায় দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ওই মামলায় আদালত জানিয়েছিল, গর্ভপাত আমেরিকার নারীদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার। বাইডেন বলেন, ‘আদালত আমেরিকাবাসীর সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের ফলে দেশ ১৫০ বছর পিছিয়ে গেল।

সুপ্রিম কোর্টে এই রায়ের একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ্যে আসার পরেই দেশে জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট এই ধরনের রায় দেওয়ায় শুধু গর্ভপাতের অধিকার নয়, সমকামীদের অধিকারও ক্ষুণ্ণ হবে।

;

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গর্ভপাতের জন্য মার্কিন নারীদের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। গর্ভপাতকে বৈধতা দেওয়া প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো আইনটি শুক্রবার (২৪ জুন) বাতিল করা হয়।

এদিকে, গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকে বলছেন, এই আইনের ফলে আমেরিকার লাখ লাখ নারীর জীবনকে নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করবে এবং দেশটিতে এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়বে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।

গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পর কিছু মার্কিন রাজ্যে ক্লিনিক বন্ধ হতে শুরু করেছে৷

শীর্ষ আদালত গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করে দিয়ে গর্ভপাতের অনুমোদন দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্তের ক্ষমতা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।

মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে গর্ভধারণের ১৫ সপ্তাহের পর গর্ভপাত নিষিদ্ধ করাকে চ্যালেঞ্জ করে আনা এক মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের পক্ষে রায় দিলে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার কার্যত রহিত হয়ে যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই রায়কে একটি দুঃখজনক ত্রুটি বলে বর্ণনা করেছেন।

রায়ে বলা হয়, গর্ভপাতের অধিকার সংবিধানের আওতায় থাকতে পারে না ... এবং গর্ভপাত নিয়ন্ত্রণের অধিকার অবশ্যই মানুষের এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ন্যস্ত করা উচিৎ।

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এখন রক্ষণশীল বিচারকরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার রহিত করার পক্ষে মতামত দেন ছয়জন বিচারক, বিপক্ষে দেন তিনজন।

ধারণা করা হচ্ছে এই রায়ের পর অর্ধেকের বেশি অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাত নিষিদ্ধ হবে অথবা এর ওপর নানারকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

ইতোমধ্যেই ১৩টি অঙ্গরাজ্য এমন আইন পাশ করেছে যে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সাথে সাথেই গর্ভপাত নিষিদ্ধ হবে।

এক জরিপে বলা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানধারণে সক্ষম তিন কোটি ৬০ লাখ নারী গর্ভপাতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।

নার্স অ্যাশলি হান্ট বিবিসিকে বলেন, আমরা খারাপ খবরের জন্য যতই প্রস্তুতি নিই না কেন, শেষ পর্যন্ত যখন এটি আঘাত হানে, তখন এটি কঠিন আঘাত করে। এই রোগীদেরকে ফোন করে তাদের বলা যে রো বনাম ওয়েডকে উল্টে ফেলা হয়েছে তা হৃদয়বিদারক।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার সুপ্রিম কোর্টের রায়কে নির্মম আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘আমেরিকার নারীরা আজ তাদের মায়েদের চেয়ে কম স্বাধীনতা ভোগ করছে।

;

ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক শিরিন: জাতিসংঘ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ নিহত হন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার (২৪ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার অফিসের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে ১১ মে আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল সেটি ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ছিল।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সংগৃহীত তথ্য মতে আবু আকলেহকে হত্যা এবং তার সহকর্মী আলী সামৌদিকে আহত করা গুলি ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে এসেছে। যা সশস্ত্র ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে গুলি চালানোর কারণে নয়।

গত ১১ মে দখলকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনারা। সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে ছিলেন ৫১ বছর বয়সী শিরিন আবু আকলেহ। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলে থাকা অন্য সাংবাদিকেরা জানান, ইসরায়েলের এক সেনা মাথায় গুলি করলে শিরিন প্রাণ হারান।

;