ঝড়ের আঘাতে মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিকে ৩৭ জন নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ব আফ্রিকায় মৌসুমি ঝড় ‘আনা’র আঘাতে মাদাগাস্কারে কমপক্ষে ৩৪ জন, মোজাম্বিকে ৩ জন  প্রাণ হারিয়েছে এবং মালাওইর অনেক এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে মঙ্গলবার এই তিন দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মাদাগাস্কারের পূর্ব উপকূল থেকে এই ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

‘আনা’র প্রভাবে সৃষ্ট বন্যার দ্বীপটির বিভিন্ন এলাকা ভেসে গেছে, কাদায় ডুবে গেছে রাজধানী আন্তানানারিভোর বিভিন্ন এলাকা। খবর এএফপির।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ইউনিট পরিচালক জন রাজাফিমান্দিম্বি বলেছেন,  রাতভর উদ্ধারকাজ চলেছে। এখন পর‌্যন্ত ৩৪ জন মারা গেছে। এক সপ্তাহ ধরে সেখানকার প্রায় ৬৫ হাজার বাসিন্দা গৃহহীন। এ ছাড়া দেশটির যে জেলাগুলো অপেক্ষাকৃত নিচু, সেগুলোয় এখনো সতর্কবার্তা জারি রাখা হয়েছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্টের দেওয়া তথ্য অনুসারে, দেশটির ৩ হাজার ৮০০ মানুষ কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির একটি ক্লিনিক ও স্কুলের ১৬টি শ্রেণিকক্ষ ধসে গেছে।

ঝড় আনা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই ঝড়ের কারণে বন্যা ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে। এতে ভৌত অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেকে গৃহহীন হতে পারে।

এদিকে ঝড় আনার কারণে গত সোমবার মালাওইর অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সেখানে বন্যার পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের জেনারেটর বন্ধ রেখেছে।

তাইওয়ানকে রক্ষায় প্রয়োজনে সামরিক হস্তক্ষেপ: বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ানকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। বাইডেনের এমন মন্তব্যে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার (২৩ মে) জাপানে সফরের দ্বিতীয় দিন তাইওয়ান প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, স্ব-শাসিত দ্বীপটি রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের এটি প্রথম এশিয়া সফর।

চীন তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসাবে বিবেচনা করে। তবে তাইওয়ানকে দশকের পর দশক ধরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে আসছে তাইপে।

বাইডেন আগ্রাসনের বিষয়ে চীনকে সতর্ক করে বলেন, ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার সমর্থনে বেইজিংকে সংকেত পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার জন্য রাশিয়াকে দীর্ঘমেয়াদি মূল্য দিতে হবে।

বাইডনের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ করে তুলতে পারে বেইজিংকে। তাইওয়ানে উপকূলে প্রায় সময় চীনের যুদ্ধ বিমানের মহড়া দেখা যায়। এমনকি চীনের বিমান তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা জোনেও প্রবেশ করে বলে অভিযোগ করে তাইপে।

তিনি আরও বলেন, আমার প্রত্যাশা হল চীনা তাইওয়ানে আক্রমণ করবে না এবং এটির চেষ্টাও করবে না।

;

বিশ্বে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ফলে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে হয়েছে তাদের। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। খবর বিবিসির।

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার অন্যতম এক কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ। এ ছাড়া ইথিওপিয়া ও কঙ্গোতে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে অনেক মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটা একটি কঠোর পরিসংখ্যান, যা উদ্বেগজনক ৷ এটি এমন একটি রেকর্ড যা কখনও সৃষ্টি করা উচিত নয়। নিরপরাধ মানুষদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হওয়ার পেছনে যে ধ্বংসাত্মক দ্বন্দ্ব ও নিপীড়ন রয়েছে তা অবসানে সোচ্চার হতে হবে আমাদের।

ইউএনএইচসিআর যে তথ্য দিয়েছে সেখানে শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী ও নিজ দেশে বাস্তুচ্যুত মানুষেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। একটি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, নিজ দেশে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের সংখ্যা গত বছরের শেষ নাগাদ ৬ কোটিতে গিয়ে ঠেকেছে।

ইউএনএইচসিআর বলছে, ইউক্রেনের যুদ্ধে দেশের মধ্যে ৮০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ বিদেশে পালিয়েছে।

ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বাস্তুচ্যুতির কারণগুলো মোকাবিলার জন্য পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মানবিক সহায়তা শুধু বাস্তুচ্যুতির পরিণতিগুলোর চিকিৎসা করছে। বাস্তুচ্যুতি রোধ করার একমাত্র উপায় হলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, যাতে নির্দোষ মানুষেরা ঘরবাড়ি ছেড়ে নির্বাসনে যেতে বাধ্য না হয়।

;

ফিনল্যান্ডের পর এবার লিথুয়ানিয়াতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিনল্যান্ডের পর এবার ইউরোপের আরেক দেশ লিথুয়ানিয়াতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া।

স্থানীয় সময় রোববার (২২ মে) লিথুয়ানিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় তারা। লিথুয়ানিয়ায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান লিটগ্রিড এ ঘোষণা দেয়।

রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থপ্রদানে ‘অক্ষমতা’র কারণে লিথুয়ানিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া।

লিথুয়ানিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী রাশিয়ার একমাত্র প্রতিষ্ঠান ইন্টার আরএও এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে। এ মাসেই কয়েক দিন আগে ইন্টার আরএওর নর্ডিক শাখা ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

গত শুক্রবার লিথুয়ানিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় রাশিয়ার কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বন্ধের কথা বলেছিল। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ অপারেটর নর্ড পুলের সিদ্ধান্ত অনুসারে ইন্টার আরএও, লিথুয়ানিয়া পরিচালিত রুশ উৎপাদিত বিদ্যুৎ আমদানি বন্ধ ঘোষণা করা হলো। ২২ মে থেকে তা কার্যকর হবে।

রাশিয়ান সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পর, লিথুয়ানিয়া স্থানীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলি থেকে আমদানির মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে সুইডেন, পোল্যান্ড ও লাটভিয়া থেকে আমদানি করা হবে জানান লিটগ্রিডের সিইও রোকাস মাসিউলিস।

লিটগ্রিডের তথ্যমতে, লিথুয়ানিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদার ১৬ শতাংশ রুশ বিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো হয়ে থাকে।

;

মুখ ঢাকতে বাধ্য হলেন আফগান নারী উপস্থাপিকারা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানে সংবাদ উপস্থাপিকাদের মুখ ঢেকে খবর পড়ার আদেশ জারি করেছিল তালেবান।

গত বৃহস্পতিবার (১৯ মে) আদেশটি জারির পর, মাত্র কয়েকটি টিভি আদেশটি মেনে চলে। কিন্তু রোববার (২২ মে) ডিক্রি কার্যকর হওয়ার পর বেশিরভাগ নারী উপস্থাপিকাকে মুখ ঢেকে খবর পড়তে দেখা যায়।

আফগানিস্তানের নিউজ চ্যানেল টোলোনিউজের উপস্থাপিকা সোনিয়া নিয়াজি বলেছেন, এটি আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মুখ ঢেকে অনুষ্ঠান উপস্থাপন করা আমাদের জন্য সমস্যা তৈরি করে।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, প্রথমবারের মতো তিনি অনুষ্ঠান উপস্থাপন করার সময় কিছুতেই ভাল বোধ করছেন না।

নিয়াজি বলেন, এই আদেশটি সকল নারী উপস্থাপিকাদের জন্য অপ্রত্যাশিত, কারণ ইসলাম আমাদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ দেয়নি।

;