দুর্নীতির দায়ে সু চির ৫ বছরের কারাদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সামরিক শাসিত মিয়ানমারের একটি আদালত দুর্নীতির দায়ে দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) নেইপিদোর আদালত ইয়াঙ্গুনের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর কাছ নগদ ছয় লাখ মার্কিন ডলার এবং ১১ দশমিক ৪ কিলোগ্রাম সোনা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সু চিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। গত অক্টোবরে সু চির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে তিনি তাকে ‘তার সমর্থনের বিনিময়ে’ ঘুষ দিয়েছিলেন।

আইনজীবীরা বিবিসিকে বলেছেন, তারা এখনও সু চির সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।

এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ফলে সু চির মোট কারাদণ্ডের মেয়াদ ১১ বছর হয়েছে, কারণ তিনি আগে অন্যান্য অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে অং সান সু চি গৃহবন্দী। সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির ১১টি মামলা বিচারাধীন। এবারই প্রথম তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় হলো।

৭৬ বছর বয়সী নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতিসহ ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে, তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলি আদালতের বিচারকে জালিয়াতি বলে নিন্দা করেছে।

মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোর একটি আদালত এই বিচারকার্য চলে। যেখানে মিডিয়ার প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল এবং সু চির আইনজীবীদের সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে।

এর আগে, সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উসকানি দেওয়া এবং করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে এক মামলায় গত ডিসেম্বরে সু চিকে চার বছরের কারাদণ্ড হয়। পরে তা কমিয়ে দুই বছর করা হয়। আর অবৈধভাবে ওয়াকিটকি আমদানি এবং ব্যবহারের আরেক মামলায় জানুয়ারিতে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত।

সবগুলো মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হলে ১০০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে ৭৬ বছর বয়সী এই নেত্রীর। বিচার শেষ হতেই লাগতে পারে কয়েক বছর। বিচার ও সাজা পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে পরিচিত মুখটির রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে।

যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন দোরাইস্বামী, ঢাকায় সুধাকর দালেলা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদৃত হচ্ছেন দোরাইস্বামী, ঢাকায় সুধাকর দালেলা!

যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদৃত হচ্ছেন দোরাইস্বামী, ঢাকায় সুধাকর দালেলা!

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন।

ভারতের ফরেন সার্ভিসের ১৯৯২ ব্যাচের কর্মকর্তা দোরাইস্বামী। তিনি উজবেকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়াতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিক্রম দোরাইস্বামী ২০২০ সালের আগস্ট থেকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ১৭তম হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি লন্ডনে গায়েত্রী ইসার কুমারের স্থলাভিষিক্ত হবেন। গায়ত্রী কুমারের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন।

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় মিশনের উপ প্রধান সুধাকর দালেলা। বাংলাদেশে বিক্রমের স্থলাভিষিক্ত হবেন বলে জানা গেছে। ভারতের ফরেন সার্ভিসের ১৯৯২ ব্যাচের কর্মকর্তা দালেলা।

কূটনীতিক হিসেবে সুধাকরের কাজ শুরু হয় ইসরাইলে, পরে তিনি ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ডেও কাজ করেছেন। ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসে রাজনীতি বিষয়ক মিনিস্টারের পদেও ছিলেন তিনি।

কর্মজীবনে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনেও কাজ করে গেছেন সুধাকর। তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালকের দায়িত্বও সামলে এসেছেন, তখন তার দায়িত্ব ছিল দক্ষিণ এশিয়া, চীন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে ভারতের স্বার্থ দেখা।

একজন পেশাদার এবং পরিশ্রমী কূটনীতিকবিদ দোরাইস্বামী। তিনি অবকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রদূত হিসাবে দোরাইস্বামীর নিয়োগের বিষয়টি মোদি সরকার বেশ কয়েক মাস ধরে যাছাই-বাছাই করছেন। লন্ডনে তার নিয়োগের বিষয়টি মোদি সরকার প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

;

ন্যাটোর দাবি ‘হাস্যকর ও মর্যাদাহানিকর’: ল্যাভরভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ন্যাটোর দাবি ‘হাস্যকর ও মর্যাদাহানিকর’: ল্যাভরভ

ন্যাটোর দাবি ‘হাস্যকর ও মর্যাদাহানিকর’: ল্যাভরভ

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো নিজেকে ‘নিছক প্রতিরক্ষা জোট’ দাবি করে যে বক্তব্য দিয়েছে তাকে ‘হাস্যকর ও মর্যাদাহানিকর’ বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ গতকাল শুক্রবার (২ জুলাই) বেলারুশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশে বক্তৃতা করার সময় এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি ন্যাটো জোটের একাধিক সদস্য দেশের কর্মকর্তারা এই জোটকে আত্মরক্ষামূলক জোট বলে দাবি করেন।

এর জবাবে ল্যাভরভ বলেন, সম্প্রতি হোয়াইট হাউজের একজন প্রতিনিধি একথার পুনরাবৃত্তি করেছেন যে, রাশিয়া বা অন্য কারো ন্যাটোকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই; কারণ, ন্যাটো একটি আত্মরক্ষামূলক জোট। ‘প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরা এ ধরনের বাজে কথা বলতে পারে দেখে আমাদের হাসি পায়। এ ধরনের কথাবার্তা মর্যাদাহানিকর।’

ল্যাভরভ বলেন, কেউ যখন সামনের দিকে অগ্রসর হয়, নতুন নতুন দেশকে নিজের করায়ত্বে আনে এবং সেসব দেশে সামরিক সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র মোতায়েন করে তখন তাকে মোটেই আত্মরক্ষা বলে না বরং একে তার উল্টোটাই বলতে হয়।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে গত বৃহস্পতিবার ন্যাটো জোটের বার্ষিক সম্মেলন শেষ হওয়ার পর এ বক্তব্য দিলেন সের্গেই ল্যাভরভ। মাদ্রিদ সম্মেলনে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দুই দেশ সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

;

অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা, ৩৭ বাংলাদেশি আটক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে ৩৭ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ)।

সংস্থাটির বরাত দিয়ে শুক্রবার (০১ জুলাই) মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সেলাঙ্গর প্রদেশের কুয়ালা সেপাং অঞ্চলের জলসীমা দিয়ে নৌকায় অবৈধভাবে প্রবেশের সময় তাদের আটক করা হয়।

নৌকায় করে মানবপাচারের অভিযোগে এ সময় ৪ ইন্দোনেশিয়ান নাগরিককেও আটক করা হয়।

মেলাকা এবং নেগ্রি সেম্বিলান এমএমইএ-র পরিচালক ক্যাপ্টেন ইস্কান্দার ইশাক বলেছেন, গত ৩০ জুন রাত ১১টার দিকে আমাদের রাডারে মালয়েশিয়ার জলসীমায় একটি নৌকার সন্দেহজনক গতিবিধি ধরা পড়ে। তখন আমরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করি।

আমাদের একটি টহল নৌকা কুয়ালা সেপাং থেকে প্রায় ১ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি অনিবন্ধিত নৌকা খুঁজে পায়, বলেন তিনি।

ক্যাপ্টেন ইস্কান্দার বলেন, নৌকায় ৪ ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক ছিলেন, তাদের পরিচয়পত্র দিতে বলা হলে তারাও তা দিতে ব্যর্থ হন।

তিনি বলেন, বোর্ডে থাকা ৪১ জনকে এরপর এমএমইএ জেটিতে নিয়ে এসে আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মানবপাচার আইনে একটি মামলা হয়েছে এবং তার তদন্ত চলছে।

;

ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইয়ার লাপিদ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইয়ার লাপিদ

ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইয়ার লাপিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইয়ার লাপিদ। ক্ষমতাসীন জোট সরকারের ওপর বাড়তে থাকা চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ক্ষমতা থেকে সরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। তার এই দায়িত্ব নিলেন জোট অংশীদার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাপিদ।

ইসরায়েলী আইনপ্রণেতারা আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করতে ভোট দেন। এতে পার্লামেন্ট বিলুপ্তের পক্ষে ৯২-০ ভোট দেওয়ার পড়ে। ফলে দেশটিতে তিন বছরের মধ্যে পঞ্চম নির্বাচনের পথ তৈরি হলো।

এক বছর আগে পার্লামেন্টের বিরোধীদলগুলোর এ জোট সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহুর রেকর্ড ১২ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল। ক্ষমতাসীন জোটের সবচেয়ে বড় দলের নেতা সাবেক সাংবাদিক লাপিদ নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করবেন।

লাপিদের পাশে দাঁড়িয়ে টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে বেনেট বলেন, এমন এক মুহূর্তে আমরা আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি যা সহজ নয়; কিন্তু বোঝাপড়ার মধ্যদিয়ে ইসরায়েলের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

এর আগে বেনেট  পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আভাষ দিয়েছিলেন।ইসরাইলের আট দলের ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে শুরু করে নানা ইস্যুতে বিরোধ রয়েছে। পক্ষত্যাগের কারণে জোটের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এ কারণেই পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ইসরাইল সফরের কয়েক দিন আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। জানা গেছে, জুলাই মাসে তিনি ইসরাইল সফর করবেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় ইয়ার লাপিদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। একই সঙ্গে তিনি বন্ধুত্ব বজায় রাখার জন্য আগের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটকে ধন্যবাদ জানান। তিনি এক টুইটার পোস্টে বলেন, আমি উন্মুখ হয়ে আছি জুলাইয়ে আপনাদের সাথে দেখা করার জন্য।  

;