গ্রেফতার হতে পারেন ইমরান খান!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ তার দলের শীর্ষ ১৫০ নেতার বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (০১ মে) মুহাম্মদ নাইম নামে ফয়সালাবাদের এক বাসিন্দা এ মামলা দায়ের করেন।

মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীতে পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান ও হট্টগোলের ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে পাকিস্তানে।

তাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি ওমরাহ পালনকারীদের হয়রানি ও ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, মামলায় ইমরান খান ছাড়াও নাম আছে পাকিস্তানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি, শেহবাজ গিল, সাহিবজাদা জাহাঙ্গীর, অনীল মুসাররাত ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদের। রশিদ আহমেদের ভাতিজা শেখ রশিদ শফিকের নামও মামলার এজাহারে রয়েছে।

এ মামলার এফআইআরের একটি কপি হাতে পেয়েছে ডন। এর বরাতে ডন জানিয়েছে, পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ২৯৫ (ধর্মকে অবমাননার উদ্দেশ্যে ধর্মীয় স্থাপনার পবিত্রতা নষ্ট এবং ক্ষতিসাধন), ২৯৫-এ ও ১০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

পাকিস্তান পেনাল কোডের ২৯৬ (ধর্মীয় সমাবেশে বিরক্ত) এবং ১০৯ (উত্তেজনা) দ্বারা ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমাননা করে কোনো শ্রেণি তাহলে তা অপরাধ।

ফয়সালাবাদে একজন সাধারণ নাগরিক মুহাম্মদ নাঈম অভিযোগ করে বলেন, মসজিদ-ই-নববীর ঘটনাটি পরিকল্পিত ও সুচিন্তিত এবং ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সেই হট্টগোলের ভিডিও ইলেকট্রনিক এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা গেছে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, যারা রওজা-ই-রাসুল (সা.)-এর পবিত্রতা লঙ্ঘন করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা না করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

ডেনমার্কে শপিং মলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনেহেগেনের সবচেয়ে বড় শপিং মলে বন্দুকধারীর হামলায় তিন জন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

ডেনমার্ক পুলিশ জানিয়েছে রোববার (০৩ জুলাই) রাজধানীর ভিসিনিটি অব ফিল্ড’স শপিং সেন্টারে এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দেশটির পুলিশ প্রধান সোয়েরেন থমাসেন বলেছেন, হামলার উদ্দেশ্য এখনও অস্পষ্ট নয়।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, ডেনমার্ক নিষ্ঠুর হামলার শিকার হয়েছে।

যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছে তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে এবং একে অপরকে সমর্থন করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মানুষ শপিং মলের অভ্যন্তরে ছোটাছুটি করছে আর ভারী অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাস্থলের বিশৃঙ্খল অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী এমিলি জেপেসেন বলেন, জানা যায়নি কী ঘটেছে। হঠাৎ করে শুধু চারপাশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়’। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মাহদি আল-ওয়াজনি বলেন, হামলাকারী একটি ‘হান্টিং রাইফেল’ বহন করছিল।

শপিং মলে হামলার সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার সময় তার কাছ থেকে একটি রাইফেল ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পুলিশ জাতিগত ডেন বলে বর্ণনা করেছেন।

;

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১৯



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একটি যাত্রী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।

রোববার (৩ জুলাই) সকালে বেলুচিস্তানের জোব জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের।

খবরে বলা হয়, ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে বাসটি ইসলামাবাদ থেকে কোয়েটার দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনাস্থলে যাত্রীদের সহায়তা করতে দেখা গেছে উদ্ধারকর্মীদের। এদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।

শেরানীর সহকারী কমিশনার মেহতাব শাহ সংবাদমাধ্যম ডনকে বলেন, ধনা সরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, দ্রুতগতির বাসটি খাদে পড়ে গেলে ১৯ যাত্রী নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে।

জোবের বেসামরিক হাসপাতালের চিকিৎসক নুরুল হক বলেন, যাদের হাসপাতালে আনা হয়েছে তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর আবদুল কুদুস এই ঘটনায় নিহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনাও জানিয়েছেন।

তিনি আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ঢোবের সিভিল হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার নির্দেশ দেন।

এদিকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর পেয়েই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আহতদের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তায় কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

;

শিরিন হত্যায় ব্যবহৃত বুলেট যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে ফিলিস্তিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযানের সময় ফিলিস্তিনি-আমেরিকান সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে হত্যায় ব্যবহৃত বুলেট যু্ক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে ফিলিস্তিন।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জেনারেল প্রসিকিউটর আকরাম আল-খাতিব শনিবার (২ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, আমরা পরীক্ষার জন্য বুলেটটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছি।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, অনেক মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যমগুলো প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে দেখেছে আল জাজিরার সাংবাদিক আবু আকলেহ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় গত মাসে বলেছিল, সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে যে ১১ মে আবু আকলেহকে যে বুলেটটি হত্যা করা হয়েছিল সেটি ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া।

বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, জেরুজালেমে জন্ম নেওয়া শিরিনকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ব্যালিস্টিক এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সবুজ টিপযুক্ত বুলেটটি মূলত বর্ম ছিদ্র করার জন্য ডিজাইন করা এবং ‘এম৪ রাইফেলে ব্যবহৃত হয়েছিল। বুলেটটি তার মাথা থেকে বের করা হয়েছিল।

গত ১১ মে দখলকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনারা। সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে ছিলেন ৫১ বছর বয়সী শিরিন আবু আকলেহ। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলে থাকা অন্য সাংবাদিকেরা জানান, ইসরায়েলের এক সেনা মাথায় গুলি করলে শিরিন প্রাণ হারান।

;

নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় ৩০ সেনা নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় নাইজেরিয়ায় কমপক্ষে ৩০ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির নাইজার প্রদেশের শিরোরো এলাকায় একটি খনিতে বন্দুকধারীরা এ হামলা চালায়।

সূত্রের বরাত দিয়ে রোববার (৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার নাইজেরিয়ার নাইজার প্রদেশের শিরোরো এলাকার ওই খনিতে হামলার পর অপহরণের শিকার শ্রমিকদের খোঁজে সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। নিখোঁজদের মধ্যে চারজন চীনা নাগরিকও ছিলেন। পরে সেখানেই সেনাসদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

উত্তর-পশ্চিম নাইজারের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কমিশনার ইমানুয়েল উমর বলেছেন, আজতা আবোকি গ্রামের ওই খনিতে হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত সংখ্যক লোক নিহত হয়েছেন।

শনিবার নাইজার প্রদেশের রাজধানী শিরোরো এবং মিন্নাতের দু’টি সেনা সূত্র জানিয়েছে, পরে নিরাপত্তা বাহিনী আক্রমণের জবাবে সেখানে গেলে, বন্দুকধারীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এছাড়া অ্যামবুশ হামলায় তিনটি ট্রাকে থাকা ৩০ জন সৈন্যকে হত্যা করে তারা।

শিরোরোর একজন স্থানীয় নেতা রয়টার্সকে বলেছেন, বন্দুকধারীরা গুলি চালানোর আগে মোটরবাইক ও একটি ট্রাকে খনিতে এসেছিলেন। এসময় খনি পাহারায় থাকা সাত পুলিশ সদস্য নিহত হন।

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি বলেছেন, বন্দুকধারীরা ছিল ‘স্যাডিস্ট’ যাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে। শনিবার এক টুইটার পোস্টে তিনি বলেন, শিরোর ন্যায়বিচার দেখতে পাবে।

;