উত্তর কোরিয়ায় জ্বরে আরও ২১ মৃত্যু, কিমের হুঁশিয়ারি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উত্তর কোরিয়ায় জ্বরে নতুন করে আরও ২১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও কয়েক হাজার মানুষের শরীরে জ্বরের লক্ষণ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট কিম জং উন করোনার প্রকোপ তার দেশকে ‘ভয়াবহ টালমাটাল’ অবস্থার মধ্যে রেখেছে বলে সতর্ক করেছেন।

এর আগে গত ১২মে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা স্বীকার করে। এর একদিন পরই প্রথম রোগীর মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে দেশটি।

শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। সাড়ে তিন লাখ মানুষ ইতিমধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।

২০২০ সালে করোনার শুরু থেকেই বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। কিন্তু আশপাশের সব দেশে অমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটে। তখন বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ায় সংক্রমণ ছড়ানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।

গত এপ্রিলের শেষ থেকে পুরো উত্তর কোরিয়ায় জ্বরের প্রকোপ দেখা যায়, যার কারণ জানা যায়নি। এই আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন মারা গেছেন, যার একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছিল। আড়াই কোটি মানুষের দেশটিতে করোনার টিকা দেওয়া হয়নি।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় জ্বরে সর্বমোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ রয়েছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ জন। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩০ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ২ লাখ ৮০ হাজার ৮১০ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির শাসক দল ওয়ার্কাস পার্টি জরুরি বৈঠকে বসে। এই বৈঠকে কিম জং উন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংক্রমণ শুরুর পর তার দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছে। তবে কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিন দিনের ইডি হেফাজতে পি কে হালদার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ নিয়ে বছর কয়েক ধরে পালিয়ে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ৫ জনকে ১৭ মে পর্যন্ত ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছেন কলকাতা আদালত।

রোববার (১৫ মে) বারাসাতের আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৭ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। তবে আটক নারী সহযোগিকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত রাখা হবে জেল হেফাজতে। অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসব আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, শনিবার (১৪ মে) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগর থেকে পি কে হালদারের সঙ্গে তার দুই ভাইসহ গ্রেফতার হয়েছেন আরও ৫ জন।

অর্থপাচারে অভিযুক্ত পি কে হালদারের সম্পদের খোঁজে পশ্চিমবঙ্গের এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট ১০টি অভিযান চালায়। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয় ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর থেকে।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, পি কে হালদার ভুয়া তথ্য-পরিচয় এবং রেশন কার্ডের মতো জাতীয় কার্ড ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন শিবশংকর হালদার নামে। ভারতীয় পরিচয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হন তিনি।

ইডির অভিযানে, তিনিসহ তার দুই ভাই প্রীতিশ ও প্রাণেশ হালদার, সহযোগী স্বপন মৈত্র, উত্তম মৈত্র এবং এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাচারে পি কে হালদারকে সহযোগিতা করেছেন সুকুমার মৃধা। আর সম্পদ কেনায় সাহায্য করেছেন সুকুমারের মেয়ে অনিন্দিতা ও মেয়ের জামাই সঞ্জিব হাওলাদার। এ তথ্যের ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি।

;

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন চুপ মেরে গেছে!



খুররম জামান, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় ৫ বছর আগে চীন দক্ষিণ এশিয়াসহ তার পশ্চিমে একটি দুর্দান্ত যাত্রা শুরু করেছিল। চীনের নেতারা এশিয়া মহাদেশ জুড়ে নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জোট দ্বারা পূর্ব প্রান্তে আবদ্ধ হওয়ার আতঙ্ক তাদের এ নতুন অভিযানে স্বস্তি দিচ্ছিল। কিছু কাঁচা টাকা হাতে আসার ফলে ইউরেশিয়া ও ভারত মহাসাগর জুড়ে সুযোগ অপেক্ষা করছে বলে তাদের উপলব্ধি হয়।সেই পথ ধরে, তাদের প্রথম নিশানা হল দক্ষিণ এশিয়ার দেশ-আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তানও শ্রীলঙ্কা। এই অঞ্চলের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আগে থেকে বেশ পুরনো।

যাইহোক, এই শতাব্দীর শুরুতে, দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক ‘বিশ্বব্যাপী যাওয়ার’ বৃহত্তর প্রচেষ্টার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত প্রসারিত এবং গভীর হতে শুরু করে। শি জিনপিং ২০১২ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট পদে আরোহণ করার পর তিনি নিজের দেশের সীমানা ছাড়িয়ে তার কার্যকলাপের সম্প্রসারণ ঘটান। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর মাধ্যমে - নতুন এবং উচ্চাভিলাষী উপায়ে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন এমন একটি গতিশীল অঞ্চলের মুখোমুখি হয়েছে যার অনেক সংকট রয়েছে। চীন ধারণা করেছিল এগুলো তারা বস্তা ভর্তি টাকা (পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের মতে) দিয়ে সমাধান করতে পারবে।

কিন্তু এ অঞ্চল হিংসাত্মক সংঘাত, পারমাণবিক সশস্ত্র ক্ষমতা, ব্যাপক মানব উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়ের সঙ্গে লড়াই করছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা সংকট বা শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের মাঝে কোভিড-১৯ এসে পড়ায় চীন নিজেকে সন্তর্পণে সরিয়ে রাখে। এমনকি আফগানিস্তান ও নেপালের বিপদে প্রাথমিক অবস্থায় উকিঝুঁকি মারতে দেখা গেছে চীনকে কিন্তু যখনই ব্যাপক সহযোগিতা দরকার পড়ল নিজেকে মৃয়মান করে ফেলে দেশটি। চীন নিজেকে একজন বিশ্ব বেনিয়া হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। যখন ব্যবসা দেখেছে, সেখানে সস্তা বিনিয়োগে নিজেকে নিয়োজিত করেছে।

চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কোভিড-১৯ মহামারির আগে শক্তিশালী ছিল, যার সুবিধা নিতে প্রাণবন্ত স্বাধীন গণতান্ত্রিক শাসনের চ্যালেঞ্জগুলো প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠে। সকলেই চীনের প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি দক্ষিণ এশিয়াকে পুনর্নির্মাণে এক বড় অবতারে আবির্ভূত করা হচ্ছিল বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছিলেন। যেখানে হিমালয় শিখর থেকে ভারত মহাসাগরের অতল পর্যন্ত মার্কিন-চীন প্রতিযোগিতা দেখতে সকলেই উন্মুখ হয়েছিলেন।

কিন্তু কোভিড-১৯ সংকটের আগে যে দেশগুলো চীনের সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বে নিজেকে একটি স্বস্তিময় দেশে পরিণত করার স্বপ্ন বুনছিল। কিন্তু বিপদে চুপ মেরে যাওয়া পার্টনার যে বন্ধু নাও হতে পারে তা শ্রীলংকা স্বর্ণরাজ্য পোড়ার সময় মনে হয়েছে।

;

ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগ দেওয়া 'ভুল' হবে: সতর্ক পুতিনের

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ফিনল্যান্ডকে সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোতে যোগ দেওয়া এবং তাদের নিরপেক্ষ অবস্থান পরিত্যাগ করা একটি ভুল হবে।

তিন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোকে বলেন, বর্তমানে ফিনল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নেই।

রোববার (১৫ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

ফিনল্যান্ডের ন্যাশনাল গ্রিড এক্সিকিউটিভ রেইমা পাইভিনেন বিবিসিকে বলেছেন, রুশ বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিতাদেশের কারণে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি।

তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ ফিনল্যান্ড জাতীয় গ্রিড মাত্র ১০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়। যা আমরা বিকল্প উৎস থেকে প্রতিস্থাপন করতে পারবো।

ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিনিশ প্রেসিডেন্টকে ফোন করে এসব বলেন পুতিন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর সুইডেনও পশ্চিমা জোটে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ফিনল্যান্ডের সঙ্গে প্রতিবেশী রাশিয়ার এক হাজার ৩০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত, দেশটি তার পূর্ব প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধিতা এড়াতে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বাইরে থেকেছে। তবে রাশিয়া দেশটিতেও ইউক্রেনের মতো হামলা করে বসতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই ফিনল্যান্ড সরকার ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।

পুতিন ফিনল্যান্ডের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের নির্দিষ্ট হুমকি দেননি, তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করার রাশিয়ার সিদ্ধান্তকে প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

;

নিউইয়র্ক সুপার মার্কেটে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যের একটি সুপার মার্কেটে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মে) বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

এ ঘটনায় বাফেলো শহরের ঘটনাস্থল থেকে ১৮ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তবে, তার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ওই কিশোর শনিবার ব্যস্ত সুপারমার্কেটে প্রবেশ করে। গুলি চালানোর আগে সে হামলা সরাসরি প্রচার করার জন্য একটি ক্যামেরা ব্যবহার করে। অনলাইনে হামলার বিষয়ে কোনো বার্তা প্রচার করেছে কি না তাও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ঘটনাটি এফবিআই তদন্ত করছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি হামলার সময় হেলমেট পরিহিত ছিল। সে উচ্চ ক্ষমতার একটি রাইফেল ব্যবহার করে টানা গুলিবর্ষণ করে।

বাফেলোর মেয়র বায়রন ব্রাউন বলেছেন, এটি সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন, যা যেকোনো সম্প্রদায় মুখোমুখি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এই শহরের নয়। ধারণা করা হচ্ছে তিনি অন্য কোনও শহর থেকে এখানে এসেছিলেন হামলা চালানোর জন্য।

এফবিআইয়ের বাফেলো অফিসের দায়িত্বে থাকা বিশেষ এজেন্ট স্টিফেন বেলঙ্গিয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আমরা এই ঘটনাটিকে ঘৃণামূলক অপরাধ এবং জাতিগতভাবে অনুপ্রাণিত সহিংস চরমপন্থার মামলা হিসেবে তদন্ত করছি।

;