ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগ দেওয়া 'ভুল' হবে: সতর্ক পুতিনের

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ফিনল্যান্ডকে সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোতে যোগ দেওয়া এবং তাদের নিরপেক্ষ অবস্থান পরিত্যাগ করা একটি ভুল হবে।

তিন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোকে বলেন, বর্তমানে ফিনল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নেই।

রোববার (১৫ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

ফিনল্যান্ডের ন্যাশনাল গ্রিড এক্সিকিউটিভ রেইমা পাইভিনেন বিবিসিকে বলেছেন, রুশ বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিতাদেশের কারণে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি।

তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ ফিনল্যান্ড জাতীয় গ্রিড মাত্র ১০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়। যা আমরা বিকল্প উৎস থেকে প্রতিস্থাপন করতে পারবো।

ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিনিশ প্রেসিডেন্টকে ফোন করে এসব বলেন পুতিন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর সুইডেনও পশ্চিমা জোটে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ফিনল্যান্ডের সঙ্গে প্রতিবেশী রাশিয়ার এক হাজার ৩০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত, দেশটি তার পূর্ব প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধিতা এড়াতে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বাইরে থেকেছে। তবে রাশিয়া দেশটিতেও ইউক্রেনের মতো হামলা করে বসতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই ফিনল্যান্ড সরকার ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।

পুতিন ফিনল্যান্ডের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের নির্দিষ্ট হুমকি দেননি, তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করার রাশিয়ার সিদ্ধান্তকে প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

যুদ্ধের কারণে বিশ্বে খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ফলে সামনের দিনগুলোতে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, যুদ্ধের কারণে ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধিতে দরিদ্র দেশগুলিতে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে আরও খারাপ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের রফতানি যদি যুদ্ধ-পূর্ব স্তরে ফিরিয়ে না নেওয়া হয় তবে বিশ্ব দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হতে পারে, যা বছরের পর বছর স্থায়ী হবে।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের বন্দর দিয়ে পণ্য সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধের আগে ইউক্রেন থেকে প্রচুর পরিমাণে সূর্যমুখী তেলের পাশাপাশি ভুট্টা ও গম রফতানি হতো। 

যার ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বুধবার (১৮ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে এক বক্তৃতায় গুতেরেস বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের কারণে বিশ্বে অপুষ্টি, ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় লাখ লাখ মানুষকে ভুগতে হতে পারে।

তিনি বলেন, যদি আমরা আজ এই সমস্যার সমাধান না করি, তাহলে আমরা আগামী দিনগুলিতে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতির সম্মুখীন হব।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনে খাদ্য উৎপাদন, সেই সঙ্গে রাশিয়া ও বেলারুশের উৎপাদিত সারকে বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ ছাড়া খাদ্য সংকটের কোনো কার্যকর সমাধান হবে না।

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, তিনি খাদ্য রফতানি স্বাভাবিক স্তরে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

তবে, এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সব পক্ষেরই সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি, বলেন তিনি।

রাশিয়া ও ইউক্রেন বিশ্বের ৩০ শতাংশ গম রফতানি করে থাকে। যুদ্ধের আগে ইউক্রেনকে বিশ্বের রুটির ঝুড়ি বলা হতো, দেশটি প্রতি মাসে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন কৃষি পণ্য রফতানি করত।

কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া দেশটিতে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে রফতানি কমে গেছে এবং দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। গত শনিবার ভারত গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর তারা আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, বর্তমানে ইউক্রেনে প্রায় ২০ মিলিয়ন টন শস্য আটকে আছে, যা ছেড়ে দেওয়া হলে বিশ্ব বাজারের চাপ কমাতে পারে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

হুমকি সত্ত্বেও ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন ফিনল্যান্ড-সুইডেনের

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হুমকি সত্ত্বেও পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার জন্য ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আবেদনপত্র জমা দিয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দফতরে আবেদন করে দেশ দুটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ফিনল্যান্ডের এই পদক্ষেপের ফলে রাশিয়া ও ফিনল্যান্ডের ৮৩০ মাইল সীমান্তে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটকে চলে আসবে। তবে চূড়ান্ত হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে কারণ ন্যাটের বর্তমান সদস্য ৩০ দেশের আইনসভাকে অবশ্যই নতুন আবেদনকারীদের অনুমোদন করতে হবে।

এদিকে, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে সদস্যপদপ্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশ দুটির মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটভুক্ত হওয়ার প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন।

বিশ্বের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ রাশিয়ার ক্রোধ উসকে দেওয়ার ঝুঁকিও রাখে। যার আভাসে গত শনিবার দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সুইডেনের সরকার কয়েক দশকের জোটনিরপেক্ষতার পর ন্যাটো সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। ন্যাটোর সচিবালয় থেকেও পরিষ্কার বলা হয়েছে, উত্তর ইউরোপের এই দুই দেশ- যাদের একটির (ফিনল্যান্ড) সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে - সদস্যপদের জন্য আবেদন করলে যত দ্রুত সম্ভব তা অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

চীনে ১৩২ যাত্রী নিয়ে প্লেন বিধ্বস্ত ছিল ইচ্ছাকৃত!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্ঘটনা নয়, ইচ্ছাকৃত ভাবেই ক্র্যাশ করানো হয়েছিল চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের একটি প্লেন। দুর্ঘটনার প্রায় দুই মাস বাদে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে তদন্তকারী দল। খবর বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

চীনের গুয়াংঝু প্রদেশে বিধ্বস্ত হওয়া সেই প্লেনের ১৩২ জন যাত্রী নিহত হয়েছিলেন।

গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হওয়া সেই প্লেনের ব্লাক বক্সের তথ্য বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) মার্কিন কর্মকর্তাদের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানানো হয়, গত মার্চ মাসে বিধ্বস্ত হওয়া চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের প্লেনটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে মাটির দিকে নাক বরাবর নামিয়ে আনা হয়েছিল, যে কারণে দুর্ঘটনাটা ঘটেছে।

এছাড়া চলতি সপ্তাহে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলেছে, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর ব্ল্যাক বক্স থেকে ফ্লাইট ডেটা ইঙ্গিত দেয় যে ককপিটে থাকা কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে প্লেনটি বিধ্বস্ত করেছে।

তবে, মার্কিন জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড (এনটিএসবি) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ২১ মার্চ চীনের গুয়াংঝু প্রদেশের একটি পাহাড়ে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ১২৩ জন যাত্রী এবং নয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। ২৮ বছরের মধ্যে এটি ছিল চীনের সবচেয়ে মারাত্মক প্লেন দুর্ঘটনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তদন্তকারীর বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, প্লেনটি দ্রুত অবতরণের সময় পাইলটরা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের কলের জবাব দেননি। তাই তদন্তকারীরা দুর্ঘটনাটি একটি ইচ্ছাকৃত কাজ কিনা তা খতিয়ে দেখছেন।

এবিষয়ে চায়না ইস্টার্ন তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। কিন্তু এর আগে এয়ারলাইনটি এক বিবৃতিতে বলেছিল, এখনও এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে প্লেনটিতে কোনও সমস্যা ছিল।

বিধ্বস্ত হওয়ার পর চায়না ইস্টার্ন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ প্লেনের পুরো বহরকে বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তারা আবার ফ্লাইট শুরু করে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ম্যাক্রোঁর

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এছাড়াও তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিশ্চিত করেছেন যে ইইউ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য কিয়েভের আবেদন আগামী মাসে গভর্নিং বডিতে আলোচনা করবেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ মে) এ খবর জানিয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এলিসে প্যালেস।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপের পর জেলেনস্কি বলেন, আমাদের মধ্যে ‘দীর্ঘ এবং অর্থবহ’ কথা হয়েছে।

ঘন্টাব্যাপী ওই ফোনালাপে ফ্রান্স ইউক্রেনকে আগামী দিনে অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানো, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, জ্বালানি, মানবিক সহায়তা, আর্থিক সহায়তার সমস্ত অনুরোধ পূরণ করার আশ্বাস দিয়েছে।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, আনুষ্ঠানিক আলোচনা হল সদস্যপদ লাভের প্রথম পর্যায় কিন্তু প্রার্থী দেশের সঙ্গে আলোচনা হয় একটি কাঠামো বা আদেশের ভিত্তিতে। বিশেষ করে ইইউ কাউন্সিলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছাড়া আলোচনা শুরু করা যাবে না।

ম্যাক্রোঁ জেলেনস্কিকে অবহিত করেছেন ইউক্রেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যতার জন্য আবেদনটি জুনে ইউরোপীয় কাউন্সিলের সময় আলোচনা করবেন।

যুদ্ধের প্রথম দিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করে ফ্রান্স। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বন্ধে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনও সমাধানে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। এ অবস্থায় ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিলেন ম্যাক্রোঁ। রুশ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়তে ইউক্রেনকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বেশি সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যৎ-এ আরও সামরিক চালান কিয়েভে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, জাপান অনেক দেশ সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে জেলেনস্কিকে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;