তিন দিনের ইডি হেফাজতে পি কে হালদার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ নিয়ে বছর কয়েক ধরে পালিয়ে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ৫ জনকে ১৭ মে পর্যন্ত ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছেন কলকাতা আদালত।

রোববার (১৫ মে) বারাসাতের আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৭ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। তবে আটক নারী সহযোগিকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত রাখা হবে জেল হেফাজতে। অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসব আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, শনিবার (১৪ মে) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগর থেকে পি কে হালদারের সঙ্গে তার দুই ভাইসহ গ্রেফতার হয়েছেন আরও ৫ জন।

অর্থপাচারে অভিযুক্ত পি কে হালদারের সম্পদের খোঁজে পশ্চিমবঙ্গের এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট ১০টি অভিযান চালায়। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয় ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর থেকে।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, পি কে হালদার ভুয়া তথ্য-পরিচয় এবং রেশন কার্ডের মতো জাতীয় কার্ড ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন শিবশংকর হালদার নামে। ভারতীয় পরিচয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হন তিনি।

ইডির অভিযানে, তিনিসহ তার দুই ভাই প্রীতিশ ও প্রাণেশ হালদার, সহযোগী স্বপন মৈত্র, উত্তম মৈত্র এবং এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাচারে পি কে হালদারকে সহযোগিতা করেছেন সুকুমার মৃধা। আর সম্পদ কেনায় সাহায্য করেছেন সুকুমারের মেয়ে অনিন্দিতা ও মেয়ের জামাই সঞ্জিব হাওলাদার। এ তথ্যের ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি।

গর্ভপাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বললেন বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গর্ভপাতের জন্য মার্কিন নারীদের সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের রায়কে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গর্ভপাতকে বৈধতা দেওয়া প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো আইনটি শুক্রবার (২৪ জুন) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়।

দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাইডেন বলেন, যেভাবে নারীদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকারকে কেড়ে নেওয়া হল, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, এই রায়ে আমেরিকার লাখ লাখ নারীর জীবন নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করবে এবং দেশটিতে এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়বে।

শুক্রবার এক রায়ে আমেরিকার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, গর্ভপাতের অধিকার সংবিধান দেবে না। তা দেওয়া হবে কি হবে না, তা স্থির করবে স্থানীয় প্রদেশের প্রশাসন। পাঁচ দশক আগে রো বনাম ওয়েড মামলার রায়কে বাতিল করে দিয়ে আদালত শুক্রবার এই রায় দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ওই মামলায় আদালত জানিয়েছিল, গর্ভপাত আমেরিকার নারীদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার। বাইডেন বলেন, ‘আদালত আমেরিকাবাসীর সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের ফলে দেশ ১৫০ বছর পিছিয়ে গেল।

সুপ্রিম কোর্টে এই রায়ের একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ্যে আসার পরেই দেশে জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট এই ধরনের রায় দেওয়ায় শুধু গর্ভপাতের অধিকার নয়, সমকামীদের অধিকারও ক্ষুণ্ণ হবে।

;

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গর্ভপাতের জন্য মার্কিন নারীদের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। গর্ভপাতকে বৈধতা দেওয়া প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো আইনটি শুক্রবার (২৪ জুন) বাতিল করা হয়।

এদিকে, গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করায় বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকে বলছেন, এই আইনের ফলে আমেরিকার লাখ লাখ নারীর জীবনকে নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করবে এবং দেশটিতে এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়বে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।

গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পর কিছু মার্কিন রাজ্যে ক্লিনিক বন্ধ হতে শুরু করেছে৷

শীর্ষ আদালত গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করে দিয়ে গর্ভপাতের অনুমোদন দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্তের ক্ষমতা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।

মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে গর্ভধারণের ১৫ সপ্তাহের পর গর্ভপাত নিষিদ্ধ করাকে চ্যালেঞ্জ করে আনা এক মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের পক্ষে রায় দিলে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার কার্যত রহিত হয়ে যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই রায়কে একটি দুঃখজনক ত্রুটি বলে বর্ণনা করেছেন।

রায়ে বলা হয়, গর্ভপাতের অধিকার সংবিধানের আওতায় থাকতে পারে না ... এবং গর্ভপাত নিয়ন্ত্রণের অধিকার অবশ্যই মানুষের এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ন্যস্ত করা উচিৎ।

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এখন রক্ষণশীল বিচারকরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার রহিত করার পক্ষে মতামত দেন ছয়জন বিচারক, বিপক্ষে দেন তিনজন।

ধারণা করা হচ্ছে এই রায়ের পর অর্ধেকের বেশি অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাত নিষিদ্ধ হবে অথবা এর ওপর নানারকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

ইতোমধ্যেই ১৩টি অঙ্গরাজ্য এমন আইন পাশ করেছে যে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সাথে সাথেই গর্ভপাত নিষিদ্ধ হবে।

এক জরিপে বলা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানধারণে সক্ষম তিন কোটি ৬০ লাখ নারী গর্ভপাতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।

নার্স অ্যাশলি হান্ট বিবিসিকে বলেন, আমরা খারাপ খবরের জন্য যতই প্রস্তুতি নিই না কেন, শেষ পর্যন্ত যখন এটি আঘাত হানে, তখন এটি কঠিন আঘাত করে। এই রোগীদেরকে ফোন করে তাদের বলা যে রো বনাম ওয়েডকে উল্টে ফেলা হয়েছে তা হৃদয়বিদারক।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার সুপ্রিম কোর্টের রায়কে নির্মম আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘আমেরিকার নারীরা আজ তাদের মায়েদের চেয়ে কম স্বাধীনতা ভোগ করছে।

;

ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক শিরিন: জাতিসংঘ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ নিহত হন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার (২৪ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার অফিসের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে ১১ মে আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল সেটি ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ছিল।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সংগৃহীত তথ্য মতে আবু আকলেহকে হত্যা এবং তার সহকর্মী আলী সামৌদিকে আহত করা গুলি ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে এসেছে। যা সশস্ত্র ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে গুলি চালানোর কারণে নয়।

গত ১১ মে দখলকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনারা। সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে ছিলেন ৫১ বছর বয়সী শিরিন আবু আকলেহ। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলে থাকা অন্য সাংবাদিকেরা জানান, ইসরায়েলের এক সেনা মাথায় গুলি করলে শিরিন প্রাণ হারান।

;

ইইউ’র সদস্য পদের প্রার্থীর মর্যাদা পেল ইউক্রেন-মালদোভা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জোরালো সমর্থন প্রদর্শনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেন ও মলদোভাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য প্রার্থীর মর্যাদা দিয়েছে ২৭ দেশের এই জোটটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মাইকেল এই ঘোষণা দিয়েছেন। ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আজ ইইউ এর দিকে আপনার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ চিহ্নিত হয়েছে।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহরগুলো রাশিয়ান বাহিনী অবরুদ্ধ করে রাখা এবং গ্যাস ও শস্য রফতানিতে নিষেধাজ্ঞায় বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ার পরে পশ্চিম সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে ইউক্রেন ও মালদোভাকে ইইউ’র প্রার্থীর মর্যাদা ঘোষণা করলো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার দেশ এবং মালদোভা সম্পর্কে ইইউ’র সিদ্ধান্তকে ‘একটি অনন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের এই দেশ দুটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে এবং এখন দেশ দুটি অবাধ চলাচল ও একটি সাধারণ বাজার সুবিধা পাবে।

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ ইইউ‘র মধ্যে’। তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে ফোনের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতবো, পুননির্মাণ করবো, ইইউতে প্রবেশ করবো এবং তারপর বিশ্রাম নেব অথবা সম্ভবত আমরা বিশ্রাম নেব না।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো বলেছেন, ইইউ নেতাদের সিদ্ধান্ত রাশিয়াকে ‘অত্যন্ত জোরালো সংকেত’ পাঠিয়েছে যে, ইউরোপীয়রা ইউক্রেনের পশ্চিমাপন্থী আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে।

এদিকে, হোয়াইট হাউস ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা ইউক্রেনে উচ্চমানের মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেমসহ আরও ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের নতুন অস্ত্র পাঠাচ্ছে।

;