যৌনপেশা আইনসম্মত: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অন্যান্য পেশার ন্যায় যৌনকর্মও একটি পেশা। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে কাউকে এই পেশায় জোরপূর্বক আনা না হয়। কিন্তু কেউ যদি যৌনপেশায় স্বেচ্ছায় আসে তাকে অযথা পুলিশি হয়রানি করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাওয়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ যৌনপেশা নিয়ে ছ’টি নির্দেশিকা জারি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে যৌনকর্মীদের অধিকার সুরক্ষিত হবে বলে মনে করছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

নির্দেশিকা বলা হয়েছে, ‘যৌনকর্মীরাও আইনের চোখে সমান সুরক্ষার অধিকারী। যখন এটা স্পষ্ট যে, যৌনকর্মী একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং সম্মতি সাপেক্ষেই যৌনতা বিক্রি করছেন, তখন পুলিশকে অকারণে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনও ফৌজদারি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যাবে না। সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ এই দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুনিশ্চিত করেছে।’

আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যৌনপল্লিতে পুলিশি অভিযানের সময় যৌনকর্মীদের গ্রেফতার, দণ্ডিত করা, হেনস্থা করা উচিত নয়। কারণ যৌনকর্ম বেআইনি নয়, শুধুমাত্র যৌনপল্লি চালানো বেআইনি।

মা যৌনপেশায় আছেন, শুধু সেই যুক্তিতে সন্তানকে তার মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে দেশটির শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি কোনও যৌনকর্মী যদি তার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে যান, তা হলে সেটিও সমান মনোযোগের সঙ্গে দেখবেন পুলিশকর্মী।

বিশেষত, যদি যৌনকর্মী তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা বা অপরাধের অভিযোগ নিয়ে আসেন, তা হলে দ্রুততার সঙ্গে তার শারীরিক পরীক্ষা করে তদন্ত শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে, একজন সাধারণ মানুষ যেমন সুবিধার অধিকারী, একজন যৌনকর্মীর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা করা যাবে না। কোনও ঘটনা ঘটলে যৌনকর্মীদের পরিচয় যেন প্রকাশ্যে না আসে, সে ব্যাপারেও স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে আদালত।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মার্কোস জুনিয়র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিলিপাইনের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। তিনি দেশটির বিদায়ী নেতা রদ্রিগো দুতার্তের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ম্যানিলার জাতীয় জাদুঘরে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি শতাধিক প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকের উপস্থিতিতে শপথ নেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র দেশটির প্রয়াত স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ ইমানুয়েল এড্রলিন মার্কোসের ছেলে। ফার্দিনান্দ জুনিয়র দেশটিতে বংবং নামেই অধিক পরিচিত।

তার অভিষেক মার্কোস রাজনৈতিক রাজবংশের দীর্ঘদিন পর রাজনীতিতে ফেরার উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৩৬ বছর আগে গণরোষের মুখে শাসন ক্ষমতা থেকে তার পরিবারের পতন হয়েছিল।

বিদায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়ে সারা দুতের্তে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম বক্তৃতায়, তিনি ফিলিপাইনের গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী আদেশ হিসাবে বর্ণনা করার জন্য জনতাকে ধন্যবাদ জানান।

;

প্যারিস হামলা: সালেহ আবদেসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৫ সালের নভেম্বরে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হামলা চালানো গ্রুপের একমাত্র জীবিত সন্দেহভাজন সালেহ আবদেসলামকে সন্ত্রাসবাদ ও হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

বন্দুক ও বোমা হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সালাহ আবদেসলামকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় আরও ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ বিচারকাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক হামলা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে ৯ মাসের বেশি সময় প্যারিসের বিশেষ আদালতে হাজির হন ভুক্তভোগী, সাংবাদিক ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা।

২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর কয়েকটি বার, রেস্তোরাঁ, জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম ও বাটাক্লানের সংগীতানুষ্ঠানে হামলায় নিহতের পাশাপাশি শতাধিক আহত হয়েছিল।

হামলা মামলার বিচারের শুরুতে আবদেসলাম নিজেকে তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ‘সেনা’ হিসেবে দাবি করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি হতাহতদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, তিনি খুনি নন। তাকে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হবে অন্যায়।

;

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নে সম্মত ন্যাটো

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্যাকেজে সম্মত হয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ন্যাটো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি শক্তিশালী স্বাধীন ইউক্রেন ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে কাজ করবে ন্যাটো।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সেই লক্ষ্যে ন্যাটো ইউক্রেনের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষায় দেশটির সরকার ও জনগণের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে।

ইতিপূর্বে ন্যাটো ইউক্রেনের কৌশলগত অংশীদার থাকলেও মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য রাশিয়া সরাসরি হুমকি হওয়ায় তারা এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো যদি ফিনল্যান্ড ও সুইডেনে কোনও সেনা মোতায়েন করে তাহলে তার জবাব দেবে রাশিয়া। দেশ দুইটি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

পুতিন বলেন, ইউক্রেনে চালানো রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযানের’ লক্ষ্য এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি জানান এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলকে স্বাধীন করা এবং রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিতের শর্ত তৈরি করা।

পুতিন আরও জানান, রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অগ্রগতি অর্জন করছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী আগাচ্ছে। তিনি বলেন, এই অভিযান কবে শেষ হবে তার কোনও দিনক্ষণ ঠিক করার কোনও প্রয়োজন নেই।

;

পুতিন এখনও ইউক্রেনের বেশিরভাগ অংশ দখল নিতে চায়: যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখনও ইউক্রেনের বেশির ভাগ অংশ দখল করতে চান বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের ডিরেক্টর এভ্রিল হেইন্স বলেছেন, যুদ্ধের কারণে মস্কোর সেনারা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, তারা কেবল আঞ্চলিক জয় লাভ করতে সক্ষম হবে। এর মানে যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে বলেন তিনি।

মার্চ মাসে মস্কো কিয়েভ এবং অন্যান্য শহর দখলে ব্যর্থ হওয়ার পরে ইউক্রেনের ডনবাস এলাকা দখলের প্রচেষ্টা পুনরায় ফোকাস করে।

তিনি আরও বলেন, পুতিনের এখনও একই লক্ষ্য রয়েছে যা তিনি সংঘাতের শুরুতে রেখেছিলেন। তিনি ইউক্রেনের বেশিরভাগ অংশ দখলে নিতে চান। কিন্তু রাশিয়ার শিগগিরই এই লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা কম।

এভ্রিল হেইন্স বলেন, আমরা পুতিনের সামরিক উদ্দেশ্য এবং তার সামরিক সক্ষমতার মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন দেখতে পাচ্ছি, তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সামরিক বাহিনী যা অর্জন করতে সক্ষম তার মধ্যে এক ধরনের অমিল।

;