থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ১৭টি স্থানে একযোগে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দৃশ্যত এটি একটি সমন্বিত হামলা। এতে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াতে মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর তিনটি প্রদেশের নিত্যপণ্যের দোকান ও গ্যাস স্টেশন লক্ষ্য করে এসব বোমা ও আগুন হামলা চালানো হয়। এসব হামলা বুধবার ভোর পর্যন্ত চলে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠন এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড (আইএসওসি) অঞ্চল ৪ অনুসারে হামলাকরীর লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলের অর্থনীতিকে ব্যাহত করা।

আইসোক অঞ্চল ৪ -এর উপ-পরিচালক মেজর জেনারেল প্রমোট প্রম-ইন বলেন, পাত্তানিতে দুটি, ইয়ালায় ছয়টি এবং নারাথিওয়াতে নয়টি হামলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাত্তানির নং চিকের। সেখানে একটি ব্যাং চাক পেট্রোল স্টেশন পুড়ে গেছে।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই কম মাত্রার বিদ্রোহী তৎপরতা চলছে। মূলত মুসলিম অধ্যুষিত পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত এবং শঙ্খলা প্রদেশের অংশবিশেষে স্বাধীনতার দাবির বিরুদ্ধে লড়াই করছে থাই সরকার।

২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে সাত হাজার তিনশ’রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী গ্রুপ ডিপ সাউথ ওয়াচ। এ সংঘাত নিরসনে ২০১৩ সালে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও বারবার তা বিঘ্নিত হয়েছে।

পিইউএলও এর নেতা কস্তুরি মাখোতা হামলা প্রসঙ্গে বলেছেন এর সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।

কাবুলে মসজিদের কাছে বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত, আহত ১০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি মসজিদের কাছে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত চারজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষে বের হওয়ার পরপরই এ বিস্ফোরণ ঘটে। খবর রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়, রাজধানী ওয়াজির আকবর খান এলাকায় জুমার নামাজের পর মুসল্লিরা যখন ওই মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন, তখনই বিস্ফোরণটি ঘটে।

স্থানীয় একটি হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে আহত ১৪ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়।

বর্তমানে তালেবান নিয়ন্ত্রিত ওয়াজির আকবর খান এলাকাটিকে সুরক্ষিতই বলা যায়। যুদ্ধের দিনগুলোতে ন্যাটো ও বিদেশি দূতাবাসগুলো এ এলাকাতেই ছিল।

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেছেন, জুম্মার নামাজের পরপরই বিস্ফোরণটি ঘটে। হতাহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানান তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে এঘটনার দায় কেউ স্বীকার করেনি।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল নাফি টাকোর বলেছেন, বিস্ফোরণটি মসজিদের কাছে প্রধান সড়কে ঘটে এবং এঘটনার তদন্ত চলছে।

;

রাশিয়ার ভেটো ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার দাবি জানালেন জেলেনস্কি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রুশ আগ্রাসনের জন্য জাতিসংঘের কাছে রাশিয়ার শাস্তি দাবি করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর)  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভিডিও ভাষণে সংস্থাটির ট্রাইব্যুনালের কাছে রাশিয়ার  শাস্তি দাবি করেন জেলেনস্কি।

রাশিয়াকে আর্থিক জরিমানা এবং নিরাপত্তা পরিষদে মস্কোর ভেটো ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

পূর্ব-রেকর্ডকৃত এক ভিডিও ভাষণে ইউক্রেনের নেতা একটি বিশেষ যুদ্ধ ট্রাইব্যুনাল এবং রাশিয়ার যুদ্ধাপরাধ বিশদভাবে তদন্তের আহ্বান জানান জেলেনস্কি।

এছাড়া ইউক্রেনের জন্য আরও সামরিক সহায়তা এবং বিশ্ব মঞ্চে রাশিয়াকে শাস্তি দেওয়ার জন্য একটি শান্তি ‘ফর্মুলা’ নির্ধারণ করে দেন তিনি। তাঁর এই ভাষণের পর অধিবেশনে উপস্থিত অনেকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান।

নিজের বক্তব্যের শুরুতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ‘অবৈধ যুদ্ধ’ বাঁধিয়ে ‘বিপর্যয়কর অশান্তি’ সৃষ্টি করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেন। নিজের এই ভাষণে ভ্লাদিমির পুতিনের ‘মাতৃভূমিকে রক্ষার জন্য’ রাশিয়ায় আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণার কথা উল্লেখ করে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই পদক্ষেপটি আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে, মস্কো শান্তি আলোচনার বিষয়ে আগ্রহী নয়।’

এছাড়া মস্কোর নিয়ন্ত্রণাধীন ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করার জন্য জরুরিভিত্তিতে তথাকথিত ভোটের পরিকল্পনারও নিন্দা জানান জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং আমরা (রাশিয়ার) ন্যায্য শাস্তি দাবি করছি।’

;

সাংবাদিক শিরিনকে ‘ইচ্ছাকৃত’ হত্যা করা হয়: তদন্ত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিহত আল জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে ‘ইচ্ছাকৃত’ হত্যা করা হয়েছে বলে যৌথ এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। লন্ডনভিত্তিক বহুবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ফরেনসিক আর্কিটেকচার এবং ফিলিস্তিনি অধিকার গোষ্ঠী আল হক তদন্ত প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ।

পশ্চিম তীরের শহর জেনিনে ১১ মে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় গুলিতে নিহত হন ৫১ বছরের শিরিন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং তার সহকর্মীরা দাবি করে আসছেন, ইসরায়েলি স্নাইপারের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

আবু আকলেহ ২৫ বছর ধরে আল জাজিরার সঙ্গে ছিলেন এবং ফিলিস্তিনের কণ্ঠস্বর হিসাবে পরিচিত ছিলেন। পশ্চিম তীরের শহর জেনিনে গত ১১ মে ইসরায়েলের সেনা অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় গুলিতে নিহত হন ৫১ বছরের শিরিন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং তার সহকর্মীরা দাবি করে আসছেন, ইসরায়েলি স্নাইপারের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

তবে শুরু থেকেই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইসরায়েল। তেল আবিবের দাবি, শিরিনের গায়ে গুলি ভুলক্রমে লেগেছে।

যৌথ তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, স্নাইপার তিন দফায় গুলি চালায় শিরিনকে লক্ষ্য করে। প্রথমবার ৬টি, তারপরে আরও ৭টি। এই ১৩টি গুলির একটি শিরিনের হেলমেটের ঠিক নিচে আঘাত হানে। দুই মিনিট পর, তাকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা বন্ধ করতে আরও ৩টি গুলি ছোড়ে স্নাইপার।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, অনেক মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যমগুলো প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে দেখেছে আল জাজিরার সাংবাদিক আবু আকলেহ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় জানিয়েছে, সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে ১১ মে আবু আকলেহকে যে বুলেটে হত্যা করা হয়েছিল সেটি ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া।

;

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষ বিদায় জানাল বিশ্ব নেতৃবৃন্দ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষ বিদায় জানাল বিশ্ব নেতৃবৃন্দ

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষ বিদায় জানাল বিশ্ব নেতৃবৃন্দ

  • Font increase
  • Font Decrease

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে যথাযোগ্য মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে। সোমবার লন্ডনে জনাকীর্ণ রাস্তায় ঐতিহাসিক জমকালো রাষ্ট্রীয় অন্তেষ্টিক্রিয়ায় সারা বিশ্বের নেতারা অংশ নেন।

বৃটিশ ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দেশ শাসনকারী রানি গত ৮ সেপ্টেম্বর বালমোরালে ৯৬ বছর বয়সে মারা যান

ব্রিটেনে শেষ রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল মারা যাওয়ার পর। টেমস নদী দিয়ে রানির কফিনটি বহন করার সময় তাকে সম্মান জানাতে ক্রেণগুলোকে নত করা হয়েছিল।

অনেক সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রীয় অন্তেষ্টিক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ করতে এবং তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। গত কয়েক দিন ধরে অপেক্ষা করেছে।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পরে, রাণীর পতাকাযুক্ত কফিন ইম্পেরিয়াল স্টেট ক্রাউন উইন্ডসর ক্যাসেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

তাকে তার বাবা রাজা ষষ্ঠ জর্জ, তার মা রানি এলিজাবেথ এবং বোন রাজকুমারী মার্গারেটের সমাধির পাশে বরাবর সমাহিত করা হয়েছে।

তার স্বামী প্রিন্স ফিলিপের কফিন যিনি গত বছর ৯৯ বছর বয়সে মারা গেছেন সেটি তার সমাধির পাশে স্থানান্তর করা হবে।


সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের সম্রাট নারুহিতোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ দুই হাজারের বেশি মানুষ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে যোগ দেন।

রানির বড় ছেলে এবং উত্তরসূরি রাজা তৃতীয় চার্লস (৭৩) শোক যাত্রায় নেতৃত্ব দেন। তার তিন ভাইবোন এবং তার উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম তাদের সাথে যোগ দেন।

রবিবার চার্লস বলেছেন, তিনি এবং তার স্ত্রী, কুইন কনসর্ট ক্যামিলা সমবেদনা এবং শোক বার্তা পেয়ে "গভীরভাবে অভিভূত।"

তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই আমাদের শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত। আমি কেবল সকলকে ধন্যবাদ দিতে চাই।

রানির মৃত্যুর পর রাজ পরিবারের দুই সদস্য রানির দ্বিতীয় ছেলে প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং চার্লসের ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি সাময়িকভাবে রাজকীয় আনুষ্ঠিকতায় ফিরে এসেছেন।

রাষ্ট্রীয় অন্তেষ্টিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসও থাকবেন, যাকে রানি তার মৃত্যুর মাত্র দুই দিন আগে ১৫ তম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

ট্রাসের পূর্বসূরিরা এবং তার সমকক্ষরা এবং ব্রিটেনের বাইরে ১৪টি কমনওয়েলথ দেশের প্রতিনিধিরা যেখানে যোগ দেন।

রানির মৃত্যুতে তার ৭০ বছরের রাজত্বকালে ব্রিটেনে তার রাজত্ব এবং অতীতের উত্তরাধিকার, এর বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে সেইসাথে আজীবন সেবা ও কর্তব্যের মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটেছে।

প্রায় ৬ হাজার সামরিক কর্মী এই গৌরবময় রাষ্ট্রীয় অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রস্তুতি নিয়েছে।

ব্রিটেনের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ অ্যাডমিরাল টনি রাদাকিন, এটিকে "রানির জন্য আমাদের শেষ কর্তব্য" বলে অভিহিত করেছেন।

স্থানীয় সময় সকাল ১১ টায় শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় অন্তেষ্টিক্রিয়া লন্ডনের সর্বকালের সবচেয়ে কড়া পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অধীনে সংঘটিত হয়েছে। 

দুই মিনিট নীরবতা পাল এবং জাতীয় সঙ্গীত "গড সেভ দ্য কিং" বাজানোর আগে প্রায় এক ঘণ্টা লাস্ট পোস্ট পরিবেশন করা হয়।

ইয়র্কের প্রাক্তন আর্চবিশপ জন সেন্টামু বলেন, ১৬ শতকে রাজা হেনরি অষ্টম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ইংল্যান্ডের প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের, প্রধান রানি সাদামাটা বিদায় চাননি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনস্টার হলের দরজাগুলো সকাল ৬:৩০ এর কিছু পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কফিনটি রয়্যাল নেভির সদস্যরা অ্যাবেতে নিয়ে যায়।

পার্লামেন্টের হাউসের প্রান্তে এলিজাবেথ টাওয়ারের শীর্ষে বিগ বেন ঘণ্টা বাজায় এবং তোপধ্বনি করা হয়। টেলিভিশনে বিপুল সংখক দর্শক বিশ্বব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠান দেখেছে।

;