পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিনজন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ সালের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের জন্য যৌথভাবে তিনজনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) স্টকহোমে এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে সুইডিশ রয়েল একাডেমি অব সায়েন্স।

বিজয়ী তিন জন হচ্ছেন ফ্রান্সের অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ. ক্লজার এবং অস্ট্রিয়ার অ্যান্টন জেইলিঙ্গার। বেল ইনিকোয়ালিটিস এবং পাইওনিয়ারিং কোয়ান্টাম ইনফরমেশন সায়েন্সে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার পেয়েছেন তারা।

পুরস্কারের অর্থমূল্য বাবদ এক কোটি সুইডিশ ক্রোনার বিজয়ীদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে।

প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবার নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয় সোমবার (৩ অক্টোবর) থেকে। এদিন ২০২২ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী হিসেবে সুইডেনের সুভান্তে পাবোর নাম ঘোষণা করা হয়। ‘বিলুপ্ত হোমিনিন এবং মানব বিবর্তনের জিনোম সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য’ তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

নোবেল কমিটির সেক্রেটারি থমাস পার্লম্যান বলেন, বিলুপ্ত হোমিনদের জিনোম এবং মানবজাতির বিবর্তন সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য সুভান্তে পাবোকে ২০২২ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪ শতাংশ (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮ সালে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। সে বছর পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

কাবুলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত (হেড অব মিশন) উবায়দুর রহমান নিজামনিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে। এসময় তিনি অল্পের জন্য বেঁচে যান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, মিশন প্রধান উবায়দুর রহমান নিজামনি রাজধানী কাবুলে অবস্থিত দূতাবাস প্রাঙ্গণে হাঁটতে বের হলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী। রাষ্ট্রদূতকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই নিরাপত্তারক্ষী নিজের বুক পেতে তিনটি গুলি নেন। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ টুইটারে লিখেছেন, কাবুলে পাকিস্তানের হেড অব মিশনের ওপর নৃশংসভাবে হত্যা প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি।

তিনি আরও লিখেন, হামলাকারী পাকিস্তানি কূটনীতিকের ক্ষতি করতে ব্যর্থ হয়েছিল, তবে তার নিরাপত্তারক্ষী গুলিতে আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তারক্ষীর অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

আমি অবিলম্বে এই জঘন্য কাজের অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি, বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছে, এক ব্যক্তি বাড়ির আড়াল থেকে এসে কিছু বুঝে উঠার আগেই গুলি চালাতে শুরু করে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদ, তবে আমরা সতর্কতা হিসেবে দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।

;

রুশ অভিযানে ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত: জেলেনস্কির উপদেষ্টা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক এ তথ্য জানিয়েছেন। যুদ্ধে নিজেদের পক্ষে নিহত সেনাদের সংখ্যা নিয়ে বিরল স্বীকারোক্তি এটি। খবর বিবিসির।

মাইখাইলো পোডোলিয়াক বলেন, যুদ্ধে ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। তবে তার এই দাবি দেশটির সামরিক বাহিনী দ্বারা নিশ্চিত করা হয়নি।

গত জুন মাসে তিনি বলেছিলেন, প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা মারা যাচ্ছে।

গত মাসে সিনিয়র মার্কিন জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১ লাখ রাশিয়ান এবং ১ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বা আহত হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) এক ভিডিও ভাষণে ইইউ কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন বলেছেন, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। যদিও ইইউ কমিশনের একজন মুখপাত্র পরে স্পষ্ট করে বলেন এই তথ্য ভুল ছিল।

ইউক্রেনীয় টিভি চ্যানেল ২৪-এর সঙ্গে কথা বলার সময় পোডোলিয়াক বলেন, কিয়েভ নিহতের সংখ্যা নিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। বিবিসি নিউজ জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ৩৬০০ বেসামরিক মৃত্যুর শনাক্ত করেছে। সংখ্যাটা এখন অনেক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

;

পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে চীন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীন পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (৩০ নভেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা একটি রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা দফতর।

পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি, গত বছর থেকে চীন নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির দখলে আপাতত চারশোর বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। নিজেদের পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার এভাবে বাড়াতে থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে চীনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত দেড় হাজার পরমাণু অস্ত্র থাকবে। যা বর্তমান সংখ্যার প্রায় তিন গুণ।

ওই একই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র যাতে নাক না গলায় তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল বেইজিং।

প্রতি বছরই মার্কিন কংগ্রেসে চীনের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করে পেন্টাগন। সেখানেই বলা হয়েছে, ২০২০ সালেই নিজেদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং। সেই মতো গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র কর্মসূচির ছবিটা পাল্টে যায়।

পেন্টাগনের দাবি, বর্তমান দক্ষিণ চীন সাগরে পিপলস লিবারেশন আর্মি যে ধরনের ডুবোজাহাজ ব্যবহার করেছে, তা দেখেই তাদের এই ধারণা আরও দৃঢ় হয়েছে। সেই সঙ্গেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি, চীনের এই সিদ্ধান্তের পিছনে একটা বড় কারণ হল, তাদের তাইওয়ানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন নীতি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বেইজিং বরাবরই গোটা বিশ্বকে বলে এসেছে যে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার বেশি পরমাণু অস্ত্র তারা বানাবে না। অথচ গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র ভান্ডারে বিপুল সংখ্যক পরমাণু অস্ত্র যোগ হতে শুরু করেছে। পেন্টাগনের দাবি, এই সংখ্যাটা আদৌ চমকে দেওয়ার মতো নয়। কারণ গত বছরই তাদের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে, আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে চীন অন্তত এক হাজার পরমাণু অস্ত্র নিজেদের দখলে রাখতে চলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট নিয়ে চীনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি অবশ্য। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডারের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি নিয়ে চীনের অস্বচ্ছতাই তাদের উদ্বেগের মূল কারণ। তার কথায়, চিন্তার বিষয় হল, চীন যত বেশি পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটাবে, দক্ষিণ চীন সাগরের মতো অতি স্পর্শকাতর এলাকায় স্থিতিশীলতা তত কমবে। এ নিয়ে অস্বচ্ছ তথ্যও আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ।

;

স্পেনে ইউক্রেনের দূতাবাসে লেটার বোমা বিস্ফোরণ



কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে
স্পেনে ইউক্রেনের দূতাবাসে লেটার বোমা বিস্ফোরণ

স্পেনে ইউক্রেনের দূতাবাসে লেটার বোমা বিস্ফোরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ইউক্রেন দূতাবাসে কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সদর দফতরে লেটার বোমা বিস্ফোরণে একজন আহত হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ইউক্রেন দূতাবাসে এঘটনা ঘটে। স্প্যানিশ পুলিশ বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করছে বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেনকো বলেছেন, মাদ্রিদে ইউক্রেনের দূতাবাসে মেইল বিতরণের অংশ হিসেবে একটি খাম পায়। একজন নিরাপত্তা প্রহরী খামটি চেক করার সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়।

তিনি হালকা আঘাত পেয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা পাচ্ছেন।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বলেছে, আহত কর্মী কোন সাহায্য ছাড়াই একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা সব ইউক্রেনীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা দ্রুত জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং স্পেনকে বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত করতে বলেছেন।

;