বাইডেন সরে গেলে কমলা-ট্রাম্প দৌড়ে কে এগিয়ে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমন ঘোষণার মধ্যেই তার ডেপুটি কমলা হ্যারিস ডেমোক্র্যাটদের জন্য বাইডেনের বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন।

শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, হ্যারিসের নীতিগত অভিজ্ঞতা, স্বীকৃতি এবং মূল ভোটার গোষ্ঠীর সাথে সংযোগ করার ক্ষমতা তাকে রিপাবলিকান মনোনীত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একজন আকর্ষণীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে।

তবে কী তিনি ৫৯ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করতে পারবেন? জো বাইডেনকে বাদ দিয়ে তাকে প্রার্থী করা উচিত?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বিতর্কের পর সমালোচক, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা পরামর্শ দিয়েছেন বাইডেনকে প্রতিস্থাপন করা হলে এটি আরও ভাল হবে। কিন্তু তাকে যথেষ্ট শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে।

রাষ্ট্রপতি পদে তাদের প্রথম যে নামটি সবার সামনে এসেছে তিনি হলেন কমলা হ্যারিস। দেশটির নির্বাচন সংক্রান্ত জরিপগুলো বলছে তার প্রার্থিতা ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য একটি গেম-চেঞ্জার হতে পারে।

একাধিক জরিপ বলছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভাইস-প্রেসিডেন্ট বাইডেনের চেয়ে ভাল পারফর্ম করতে পারবেন। গত ২ জুলাই প্রকাশিত সিএনএন জরিপে দেখা যায়, ৪৫ শতাংশ ভোটার হ্যারিসের পক্ষে সমর্থন করেছেন, যেখানে বাইডেনের পক্ষে ছিলো মাত্র ৪৩ শতাংশ। তিনি বাইডেনের চেয়ে ৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

একটি রয়টার্স/ইপসোস জরিপ বলছে, হ্যারিস স্বাধীন ভোটার এবং মহিলাদের সাথে বাইডেনের চেয়ে ভাল ফলাফল করেছেন।


তবে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের পর বাইডেনের প্রচারণা টিমের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষাও বলছে ট্রাম্পকে হারানোর ব্যাপারে বাইডেনের থেকে কমলা হ্যারিসের সম্ভাবনা বেশি। তারা মনে করেন, বাইডেন বাদ পড়লে এবং অন্যান্য ডেমোক্র্যাটরা একসঙ্গে হলে ভোটারদের মতামত পরিবর্তন হবে। বাইডেনের প্রচারণার ঘনিষ্ঠ একজন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মনে করেন হ্যারিস আরও ভোটারদের কাছে আবেদন করতে পারেন। তবে তিনি নিশ্চিত নন যে হ্যারিস একটি বড় পার্থক্য আনবেন কিনা।

তিনি মনে করেন, হ্যারিস তরুণ ভোটার এবং সংখ্যালঘুদের ভোট টানতে ভালো করেবেন। যা ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রোববার এনবিসি-এর মিট দ্য প্রেস চলাকালীন, কংগ্রেসম্যান অ্যাডাম শিফ (ডি-সিএ) রাষ্ট্রপতি বাইডেনকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, হয় একটি দুর্দান্ত বিজয় নিশ্চিত করুন বা এটি করতে সক্ষম প্রার্থীকে মনোনয়ন প্রদান করুন। তিনি বলেন, কমলা হ্যারিস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘খুব ভালভাবে জয়লাভ করতে পারেন’।

গণতান্ত্রিক কৌশলবিদ এবং কমলা হ্যারিসের সাবেক যোগাযোগ পরিচালক জামাল সিমন্স ভাইস প্রেসিডেন্টকে ‘অবমূল্যায়ন’ করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। বিবিসি-র সাথে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হ্যারিস এমন একটি শক্তি যাকে গণনা করা উচিত, তিনি বাইডেনকে সমর্থন করছেন বা নিজেই টিকিটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যাকে রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে প্রচারণায় গুরুত্ব সহকারে নেওয়া দরকার।

রিপাবলিকানরাও কমলা হ্যারিসের জো বাইডেনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে স্বীকার করছেন। হ্যারিসকে "প্রবল" প্রার্থী হিসাবে উল্লেখ করে সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম (আর-এসসি) বলেন, তার মনোনয়নের অর্থ হবে একটি ‘নাটকীয়ভাবে ভিন্ন খেলা’।

সূত্র: এনডিটিভি

বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়ে যা বললেন পিটার হাস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে দায়িত্বপালন শেষ করে বিদায় নিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। আন্দোলন সহিংসতার মধ্যে সোমবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পিটার হাসের পরিবর্তে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আসতে যাচ্ছেন ডেভিড স্লেটন মিল।

এদিকে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে সামাজিকমাধ্যম লিংকডইনে দেওয়া এক পোস্টে পিটার হাস বলেন, এভাবে বাংলাদেশ মিশন শেষ করতে হবে ভাবিনি। আমি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি। দূতাবাসের সব কর্মী, আমার সহকর্মী, পরিবার, বন্ধু ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা। বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

এই পোস্টের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাস, ঢাকার একটি ফেসবুক পোস্ট যুক্ত করে দেন হাস। সেখানে বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের নিরাপদে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১ মার্চ থেকে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন পিটার হাস। এখন পিটার হাসের পরিবর্তে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আসতে যাচ্ছেন ডেভিড স্লেটন মিল। তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে উপরাষ্ট্রদূত হিসেবেও এর আগে কাজ করেছেন। তবে সর্বশেষ চীনের বেইজিংয়ে মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন (উপরাষ্ট্রদূত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ‍মিল।

;

যুক্তরাষ্ট্রের ভালোর জন্য সরে দাঁড়িয়েছেন জো বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে সিদ্ধান্তটি তার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় নয়, বরং দেশের ভালোর জন্যই এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টার দিকে ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন জো বাইডেন। তবে এর আগেই হোয়াইট হাউস বাইডেনের ভাষণের কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়েছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জজিরায় এই তথ্য জানানো হয়।

জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বাইডেন বলবেন, 'গণতন্ত্র রক্ষা যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো ব্যক্তিগত ইচ্ছার জন্য নয়, দেশের ভালোর জন্য ছিল ‘

তিনি বলবেন, ‘আমেরিকান জনগণের জন্য কাজ করার মধ্যে আনন্দ পাই এবং শক্তি অর্জন করি। তবে আমাদের দলকে (ডেমোক্র্যাট পার্টি) নিখুঁত করার এই পবিত্র সিদ্ধান্তটি আমার জন্য নয়, এটি আপনার জন্য, আপনার পরিবারের জন্য, আপনার ভবিষ্যতের জন্য, আমাদের জনগণের জন্য’।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ৮১ বছর বয়সী বাইডেন জানিয়েছেন, ভাষণে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁডানোর কারণ ও আগামী দিনগুলোতে কি হতে পারে এবং আমেরিকান জনগণের জন্যে বাকি মেয়াদে তিনি কিভাবে তার কাজ সম্পন্ন করবেন এ নিয়ে কথা বলবেন।

;

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন কংগ্রেসওম্যান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে চলমান কোটা আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গ্রেস মেং জানান, আন্দোলনে নিহতদের পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে তিনিও শোকাহত।

তিনি সহকর্মীদের সাথে নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে যোগাযোগ করেছেন। এ সময় তারা ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পুনরুদ্ধারসহ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সম্মান জানাতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

গ্রেস মেং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে তার ষষ্ঠ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি নিউ ইয়র্কের ষষ্ঠ কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। গ্রেসের জেলাটি সম্পূর্ণরূপে নিউ ইয়র্ক সিটি বরো অব কুইন্সে অবস্থিত। যার মধ্যে রয়েছে পশ্চিম, কেন্দ্রীয় এবং উত্তর-পূর্ব কুইন্স। তার নির্বাচনী এলাকাটি বাংলাদেশি অধুষ্যিত এলাকা।

;

সিনেট ভাষণে ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেতানিয়াহু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন কংগ্রেসে চতুর্থবারের মতো ভাষণ দিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেন। নেতানিয়াহু বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আলোচিত আব্রাহাম চুক্তি সম্পাদনে ট্রাম্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি ট্রাম্পের ওপর সম্প্রতি চালানো হামলার সমালোচনা করে বলেন, ‘যখন জানতে পেরেছিলাম তিনি জঘন্য হত্যা প্রচেষ্টা থেকে নিরাপদে আছেন ও সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তখন স্বস্তি পেয়েছিলাম।’ নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো জায়গা নেই।’

ক্ষমতায় থাকাকালে ইসরায়েলকে সমর্থনের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান নেতানিয়াহু। যার মধ্যে রয়েছে,মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর এবং গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেওয়ায়। যদিও এসব সিদ্ধান্ত ছিল আন্তর্জাতিক আইনে বিতর্কিত।

এদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি জোট গড়ার আহ্বান জানান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ জোট গড়তে পারে। আমরা এটিকে আব্রাহাম জোট বলতে পারি।’

গাজায় চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ইসরাায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি আমেরিকা আমাদের পেছনে রয়েছে, এজন্য ধন্যবাদ। দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশকে উদারভাবে সামরিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। এসব অনেক জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে।’

মার্কিন সামরিক সহায়তা গাজা যুদ্ধের সমাপ্তি তরাণ্বিত করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে এমন মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের দ্রুত সরঞ্জাম (সামরিক) দিন, আমরা দ্রুত কাজ শেষ করবো। আমাদের শত্রুরা আপনাদেরও শত্রু। আমাদের লড়াই আপনাদেরও লড়াই। সেই সঙ্গে আমাদের বিজয় আপনাদেরও বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হবে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

ইসরায়েলি বন্দিদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সক্রিয়ভাবে তাদের মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ তবে এক ঘন্টার বক্তব্যে তিনি জিম্মি চুক্তি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এমনকি গাজায় যুদ্ধ বিরতির আলোচনার বিষয়েও কিছুই বলেননি।

অন্যদিকে গাজায় শান্তি চুক্তির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আশাবাদী বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়েরের। নেতানিয়াহুর বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,‘ইস্রায়েল বিশ্বাস করে তাদের বিজয় দৃশ্যমান। তবে রাষ্ট্রপতি (বাইডেন) শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদী।’

এদিকে নেতানিয়াহু যখন মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন ওয়াশিংটনে ক্যাপিটল ভবনের বাইরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে সামিল হন। গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা। বিক্ষোভকারীরা আমেরিকান পতাকা ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর মূর্তি পোড়ান। এ পর্যন্ত তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

 

;