যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী হলেন টিউলিপ সিদ্দিক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: টিউলিপ সিদ্দিক

ছবি: টিউলিপ সিদ্দিক

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্যের সদ্যসমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া টিউলিপ সিদ্দিকি দেশটির নগরমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

টানা চতুর্থবারের মতো লেবার দলীয় এমপি হিসেবে নির্বাচিত টিউলিপ আর্থিক পরিষেবা খাতের তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন। এর আগে তিনি লেবার পার্টির এমপি হিসেবে ছায়া মন্ত্রী হয়ে কাজ করছিলেন।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়নি দেশটির সরকার।

৪১ বছর বয়সী টিউলিপ ২০২১ সাল থেকে লন্ডনের সিটি অব ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টে কাজ করেছেন।

চলতি বছরের মে মাসে টিউলিপ ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে ব্রিটেনের শ্রম বাজারকে প্রতিযোগিতামূলক ও এর প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আরও বেশি কাজ করবেন বলে জানান। 

নগরমন্ত্রী হিসেবে টিউলিপ স্থলাভিষিক্ত হবেন বিম আফোলামিরের। বিম একজন সাবেক এইচএসবিসি ব্যাঙ্কার। তিনি এর আগের রক্ষণশীল সরকারের অধীনে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

টিউলিপ এবারের নির্বাচনে মোট ভোট পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভের ডন উইলিয়ামস পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৬২ ভোট। ২০১৯ সালের নির্বাচনের চেয়ে টিউলিপের এ বছর দশমিক ৭ শতাংশ ভোট বেড়েছে।

২০১৫ সালে প্রথম হ্যাম্পস্টেড-কিলবার্ন আসনের প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হন টিউলিপ। তখনই প্রথম হাউস অব কমন্সে তার প্রবেশ ঘটে। তারপর ২০১৭ এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে জয় পান তিনি। ওই বছর যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১ হাজার রাজনীতিবিদের তালিকায় তার নামও উঠেছিল।

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন কংগ্রেসওম্যান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে চলমান কোটা আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গ্রেস মেং জানান, আন্দোলনে নিহতদের পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে তিনিও শোকাহত।

তিনি সহকর্মীদের সাথে নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে যোগাযোগ করেছেন। এ সময় তারা ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পুনরুদ্ধারসহ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সম্মান জানাতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

গ্রেস মেং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে তার ষষ্ঠ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি নিউ ইয়র্কের ষষ্ঠ কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। গ্রেসের জেলাটি সম্পূর্ণরূপে নিউ ইয়র্ক সিটি বরো অব কুইন্সে অবস্থিত। যার মধ্যে রয়েছে পশ্চিম, কেন্দ্রীয় এবং উত্তর-পূর্ব কুইন্স। তার নির্বাচনী এলাকাটি বাংলাদেশি অধুষ্যিত এলাকা।

;

সিনেট ভাষণে ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেতানিয়াহু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন কংগ্রেসে চতুর্থবারের মতো ভাষণ দিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেন। নেতানিয়াহু বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আলোচিত আব্রাহাম চুক্তি সম্পাদনে ট্রাম্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। এ সময় তিনি ট্রাম্পের ওপর সম্প্রতি চালানো হামলার সমালোচনা করে বলেন, ‘যখন জানতে পেরেছিলাম তিনি জঘন্য হত্যা প্রচেষ্টা থেকে নিরাপদে আছেন ও সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তখন স্বস্তি পেয়েছিলাম।’ নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো জায়গা নেই।’

ক্ষমতায় থাকাকালে ইসরায়েলকে সমর্থনের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান নেতানিয়াহু। যার মধ্যে রয়েছে,মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর এবং গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেওয়ায়। যদিও এসব সিদ্ধান্ত ছিল আন্তর্জাতিক আইনে বিতর্কিত।

এদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি জোট গড়ার আহ্বান জানান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ জোট গড়তে পারে। আমরা এটিকে আব্রাহাম জোট বলতে পারি।’

গাজায় চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ইসরাায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি আমেরিকা আমাদের পেছনে রয়েছে, এজন্য ধন্যবাদ। দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশকে উদারভাবে সামরিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। এসব অনেক জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে।’

মার্কিন সামরিক সহায়তা গাজা যুদ্ধের সমাপ্তি তরাণ্বিত করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে এমন মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের দ্রুত সরঞ্জাম (সামরিক) দিন, আমরা দ্রুত কাজ শেষ করবো। আমাদের শত্রুরা আপনাদেরও শত্রু। আমাদের লড়াই আপনাদেরও লড়াই। সেই সঙ্গে আমাদের বিজয় আপনাদেরও বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হবে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

ইসরায়েলি বন্দিদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সক্রিয়ভাবে তাদের মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ তবে এক ঘন্টার বক্তব্যে তিনি জিম্মি চুক্তি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এমনকি গাজায় যুদ্ধ বিরতির আলোচনার বিষয়েও কিছুই বলেননি।

অন্যদিকে গাজায় শান্তি চুক্তির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আশাবাদী বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়েরের। নেতানিয়াহুর বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,‘ইস্রায়েল বিশ্বাস করে তাদের বিজয় দৃশ্যমান। তবে রাষ্ট্রপতি (বাইডেন) শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদী।’

এদিকে নেতানিয়াহু যখন মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন ওয়াশিংটনে ক্যাপিটল ভবনের বাইরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে সামিল হন। গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা। বিক্ষোভকারীরা আমেরিকান পতাকা ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর মূর্তি পোড়ান। এ পর্যন্ত তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

 

;

তাইওয়ানে আঘাত হানতে যাচ্ছে টাইফুন 'গেইমি'



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তাইওয়ানের উত্তর পূর্বাঞ্চলে টাইফুন গেইমি আঘাত হানতে যাচ্ছে। এই কারণে তাইওয়ানে স্কুল, স্টক মার্কেট বন্ধ এবং ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ট্রেন ও ফেরি সার্ভিস বন্ধ এবং ২৫০ এরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দেশটির রাজধানী তাইপেতে দোকানপাট ও সরকারি অফিসসমূহ বন্ধ রয়েছে।

টাইফুনের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি এবং প্রবল বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

টাইফুন গেইমি বুধবার (২৪ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে সকালে জরুরি ব্রিফিংকালে সকলকে নিরাপদে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, চলতি বছরের প্রথম টাইফুন গেইমি তাইওয়ানে আঘাত হানতে যাচ্ছে। আমি আশা করছি আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় টাইফুনের প্রভাব সীমিত রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া এ সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যেতে আমি সকলকে অনুরোধ করছি।

এদিকে কর্তৃপক্ষ উত্তরাঞ্চলীয় তিনটি এলাকা থেকে দুই হাজার একশ’রও বেশি লোককে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা হুয়ালিয়েনে ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় সেখান থেকে লোকজনকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়।

তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসনের প্রধান চেং জিয়া পিং বলেছেন, টাইফুনের প্রভাব চারদিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

এ সময়ে প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।

;

সুদানে যুদ্ধবিরতি আলোচনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুদানে যুদ্ধরত গোষ্ঠীগুলোকে আগামী মাসে সুইজারল্যান্ডে যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) এ ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। খবর রয়টার্স। 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ওয়াশিংটন সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধা-সামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে(আরএসএফ) ১৪ আগস্ট থেকে মার্কিন মধ্যস্থতায় আলোচনা শুরু করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের অবসান ঘটাতে অংশীদারদের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

কোন পক্ষই আলোচনায় যোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়নি, এবং সৌদি আরবের জেদ্দায় পূর্ববর্তী আলোচনা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। যে যুদ্ধ লক্ষ লক্ষ লোককে বাস্তুচ্যুত করেছে। দুর্ভিক্ষের সতর্কবার্তা দিয়েছে এবং রাজধানী খার্তুমের কিছু অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে সেনাবাহিনী প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের অধীনে নিয়মিত সামরিক বাহিনী এবং তার সাবেক ডেপুটি মোহাম্মদ হামদান দাগালোর নেতৃত্বে আরএসএফ-এর মধ্যে নৃশংস যুদ্ধ চলছে।

জাতিসংঘের মতে, সংঘর্ষের ফলে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে এবং ১ কোটিরও বেশি লোককে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ২০ লক্ষ লোক সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়েছে।
ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডে আলোচনার লক্ষ্য দেশব্যাপী সহিংসতা বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। প্রয়োজনে সকলের কাছে মানবিক সাহায্য জোরদার করা এবং যে কোনো চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী মনিটরিং এবং যাচাইকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।’

পর্যবেক্ষক হিসেবে আফ্রিকান ইউনিয়ন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জাতিসংঘকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘সুদানে সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই।’

তিনি বলেছেন, ‘এই জাতীয় যুদ্ধবিরতি আলোচনার আয়োজন করা এবং স্পষ্ট করে দেওয়া যে তারা মূল আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের দ্বারা সমর্থিত, সংঘাত শেষ করার একমাত্র উপায় তা প্রমাণ করার জন্য।’

;