সৌদিতে পুরুষ অভিভাবক ছাড়াই হোটেলে থাকতে পারবেন নারী পর্যটকরা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে পর্যটনে আসা নারী কোনও মাহরাম বা পুরুষ অভিভাবক ছাড়া হোটেল থাকতে পারবেন। সৌদি আরব সরকার এ বিষয়ে একটি নতুন বিধান ঘোষণা করেছে।

সৌদি গেজেটে প্রকাশিত নতুন নির্দেশে, পর্যটনে আসা নারীকে তার পরিচয়পত্র বা পারিবারিক নিবন্ধ উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রবাসী নারীদের অবশ্যই তাদের মূল পাসপোর্টটি পর্যটন কেন্দ্রে উপস্থাপন করতে হবে।

হোটেলগুলোকে কোনোও বিদেশি নারীর আইডি ছাড়াই রুম না দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কোনও পুরুষ আত্মীয়ের তার সঙ্গে না থাকলে অবশ্যই ডেটা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

এর আগে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্বের ৪৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য টুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।

এ ৪৯টি দেশের নাগরিকরা ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন বা সৌদি আরবে অনঅ্যারাইভেল ভিসা পাবেন। ই-ভিসা এবং ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, কাজাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, ব্রুনেই, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণকোরিয়া, জাপান, স্পেন, বেলজিয়াম, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, সাইপ্রাস, যুক্তরাজ্য, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, অ্যান্ডোরা, ডেনমার্ক, জার্মানি, বুলগেরিয়া, ফ্রান্স, হাঙ্গেরি, চেকপ্রজাতন্ত্র, হল্যান্ড, ইতালি, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, লিটভা, গ্রীস, লিচেনস্টেইন, মোনাকো, আইসল্যান্ড, মালটা, পোল্যান্ড, ল্যাটভিয়া, নরওয়ে, রাশিয়া, লুক্সেমবার্গ, রুমানিয়া, স্লোভানিয়া, মন্টিনিগ্রো, শ্লোভাকিয়া, সুইজারল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া, সান মারিনো, ইউক্রেনের নাগরিকরা। হংকং, ম্যাকাও এবং তাইওয়ানসহ চীনের নাগরিকরাও এ সুবিধা পাবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের নাগরিকরা সৌদি আরবের দূতাবাস এবং কনস্যুলেটের মাধ্যমে পর্যটক ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সৌদি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে পর্যটন ভিসার আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক আবেদনকারীদের জন্য সঙ্গে একজন অভিভাবক রাখতে হবে।

৪৯টি দেশ যে সুবিধা পাবে তার মধ্যে এ টুরিস্ট ভিসায় সৌদি আরবে বছরে মোট ৯০ দিনের বেশি সময় কাটাতে পারবে না। এক সফরে তিন মাসের অধিক অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে একাধিক এন্ট্রিসহ ভিসা এক বছরের জন্য বৈধ করা হয়েছে।

সৌদি আরবে পর্যটন উন্মুক্ত করার প্রধান কারণ অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং তেলের উপর নির্ভরতা হ্রাস করা। এ নিয়ে সৌদি আরব আশা করে, ২০৩০ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে পর্যটকের সংখ্যা ১০ কোটিতে উন্নীত হবে। উল্লেখযোগ্য বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে এবং ১০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

আপনার মতামত লিখুন :