তুরস্কের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটবার্তা, ছবি: সংগৃহীত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটবার্তা, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিয়ায় অভিযান চালালে তুরস্কের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৭ অক্টোবর) টুইট বার্তায় তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'সিরিয়ায় আইএসের খিলাফত সামান্যই অবশিষ্ট রয়েছে। ফলে দেশটি থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তুরস্ক যদি কুর্দিদের ওপর আঘাত হানে তাহলে তাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেয়া হবে। তবে আমি চাই, কুর্দিরাও যেনো তুরস্ককে উসকানি না দেয়।'

তিনি আরও বলেন, 'আইএস নির্মূলে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের কারণে তুরস্ক, রাশিয়া, ইরান ও সিরিয়া সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে। আমরাও উপকৃত হয়েছি। কিন্তু এখন সময় হয়েছে সেনাদের ঘরে ফিরিয়ে আনার। এই অন্তহীন যুদ্ধ শেষ হোক।'

পরে হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, 'তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তাইপ এরদোগানকে ফোন দিয়ে বলেছেন যে সিরিয়ায় যদি বিরূপ আচরণ করা হয় তবে তুরস্ককে চূড়ান্তভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির ক্রোধ ভোগ করতে হবে।'

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণার পরই তিনি একথা বললেন। তবে সিরিয়ায় মার্কিন সৈন্য প্রত্যহারের ঘোষণাকে ভালোভাবে দেখছে না মিত্র বাহিনীরা। এ বিষয়ে ফ্রান্স হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) পুনর্জীবনের দরজা খুলে দিতে পারে, যা এই অঞ্চলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে যুদ্ধক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক। ট্রাম্পের বার্তার কয়েক ঘণ্টার মাথায় সোমবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোগানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন টুইটারে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আইএস ও কুর্দি বাহিনী ওয়াইপিজির মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। কুর্দিদের প্রধান বাহিনী পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটস -ওয়াইপিজিকে শুরু থেকেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে দেখছে তুরস্ক।

উল্লেখ্য, সিরিয়া ইস্যুতে আইএস'র বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর সাথে কাজ করে আসছে কুর্দিরা। মার্কিন সৈন্য প্রত্যহারের ঘোষণার পর কুর্দিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চতা থেকে যায়। যার ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এইরকম বক্তব্য দিয়েছে।