টাকা নেই, আগুন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পশ্চিম ইউরোপের দেশ ফ্রান্স। ইউরোপের অভিজাত দেশ হিসেবে যা পরিচিত। আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে দেশটিতে পাড়ি জমান অনেক অভিবাসী।

কিন্তু এই ফ্রান্সের ২২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিজ বিশ্ববিদ্যালয় লিওনের সামনে গায়ে আগুন দেন তিনি। খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তাকে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি ওই শিক্ষার্থীর।

উদ্ধারকর্মীরা জানায়, আগুনে তার শরীরের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছিল।

এর আগে সে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তার অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি লিখেন, আমি আর প্রতি মাসের ৪৫০ ইউরোপীয় ডলার ব্যয়ের চাপ নিতে পারছি না। আর তার কিছুক্ষণ পরেই নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

তিনি তার ফেসবুক পোস্টে তার আত্মহত্যার জন্য ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রো ও পূর্ববর্তী আরও দুই প্রেসিডেন্টকে দায়ী করেন। এছাড়া তিনি তার আত্মহত্যার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দায়ী করেন।

তিনি তার ফেসবুক পোস্টে আরও লিখেন, আসুন আমরা ফ্যাসিবাদের উত্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করি, যা কেবল আমাদের বিভক্ত করে।

আত্মহত্যার আগে ওই শিক্ষার্থী তার বান্ধবীকে এক মুঠোফোন বার্তায় তার আত্মহত্যার কথা জানায়। আর তার বান্ধবী এ বিষয়ে দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ফ্রান্সের প্রবৃদ্ধি ও কর্ম সৃষ্টির হার কমে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে বেকারত্বের হার যুক্তরাজ্যের দ্বিগুণ এবং পেনশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবার খরচ যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে ফ্রান্স সরকার।

আপনার মতামত লিখুন :