ব্রিটিশ সংখ্যালঘুরা জাতিগতভাবে হয়রানির শিকার: বিএমএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রিটেনের সংখ্যালঘুরা শিক্ষাক্ষেত্রে ও খণ্ডকালীন কাজের মাঝে জাতিগতভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) এক তদন্তে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

বিএমএ'র তদন্তে জানা যায়, সংখ্যালঘুরা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে পড়াশোনা করছেন বেশি। যেখানে শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীদের পরিমাণ খুব কম। পুরো ব্রিটেন জুড়ে মেডিকেলে পড়াশোনা করা ৪০ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। এছাড়া মেডিকেলগুলোতে শিক্ষক হিসেবে রয়েছে ১৩ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ।

বিষয়টি সমাধানের প্রয়াসে বিএমএ মেডিকেল স্কুলগুলোতে জাতিগত হয়রানি বন্ধে বিষয়ে গাইডেন্স জারি করেছে।

বিএমএ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান চাঁদ নাগপল ভবিষ্যৎবাণী লিখেছেন। এতে তিনি লিখেন- মোট মেডিকেল ছাত্রের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ কৃষ্ণাঙ্গ ও এশিয়ান অথবা অন্যান্য সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর।

তিনি বলেন, ‘অনেকের সঙ্গে নিম্ন স্তরের আচরণ এবং জাতিগত হয়রানির বৃহত্তর স্তরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা জানি যে তাদের অভিজ্ঞতাগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী থেকে অনেক কষ্টের। এই জাতীয় আচরণ স্ব-সম্মান এবং আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

এ বিষয়ে সমাজসেবা সংস্থার প্রধান নির্বাহী লর্ড ভিক্টর অ্যাডোবোলে বলেন, ‘একাডেমিয়া হল সম্পর্কের জায়গা। যদি আপনি কৃষ্ণাঙ্গ হন তাহলে আপনি পরিহারের যোগ্য নন। মেডিকেল স্কুলগুলোতে একই স্তরের যাচাই-বাছাই করা দরকার।’

ব্রিটেন ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তথ্য মতে, চাকরি প্রত্যাশী প্রার্থীদের আবেদনকারীদের তালিকায় থেকে শ্বেতাঙ্গদের নিয়োগের সম্ভাবনা কৃষ্ণাঙ্গদের তুলনায় ১.৪৬ শতাংশ গুণ বেশি থাকে। আর ব্রিটিশ মেডিকেলে আবেদনকারীদের মধ্যে শ্বেতাঙ্গ প্রার্থীদের নিয়োগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আপনার মতামত লিখুন :