বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এয়ার ইন্ডিয়া

এয়ার ইন্ডিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রেতা না পেলে বন্ধ হয়ে যাবে এয়ার ইন্ডিয়া। ঋণের ভারে জর্জরিত ভারতের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স কোনো রকমে অপারেশন পরিচালনা করে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রেখেছে। অর্থাভাবে তাদের ১২টি ওয়াইড বডি উড়োজাহাজও বসে রয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দেনার ভারে এয়ারলাইন্সটি নুয়ে পড়েছে। বতর্মানে এয়ার ইন্ডিয়ার ঋণ আছে ৬০ হাজার কোটি রুপি। অর্থের অভাবে কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে তাদের।

এয়ারলাইন্সের আর্থিক সংকটের বর্ননা দিতে গিয়ে নাম না প্রকাশের শর্তে তাদের এক কর্মকর্তা জানান, এয়ার ইন্ডিয়ার ১২টি এ৩২০ উড়োজাহাজ এখন অলস বসে রয়েছে। এসব উড়োজাহাজের ইঞ্জিন পাল্টাতে ১ হাজার ১০০ কোটি রুপি প্রয়োজন। যেখানে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে, সেখানে বর্তমান আর্থিক দূরবস্থায় এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে ইঞ্জিন পাল্টানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

গেল অর্থ বছরে এয়ার ইন্ডিয়া লোকসান দিয়েছে ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি ৩৫ লাখ রুপি।  এয়ারলাইন্স চালাতে সম্প্রতি এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সার্বভৌম গ্যারান্টির বিপরীতে ২ হাজার ৪০০ কোটি রুপি চেয়েছিল। কিন্তু সরকার মাত্র ৫০০ কোটি রুপি দিতে রাজি হয়েছে। এয়ারলাইন্স বলছে, এই টাকা দিয়ে তাদের পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব না। এই পরিমাণ অর্থে বড়জোর তারা আগামী জুন পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পারবেন। এরপর যদি কোনো ক্রেতা বা অর্থের সংস্থান না মেলে তাহলে এয়ারলাইন্স বন্ধ করে দিতে হবে।

ভারতের সরকার বলছে, ২০১১-১২ থেকে এ পর্যন্ত এয়ার ইন্ডিয়ায় ৩০ হাজার ৫২০ কোটি ২১ লাখ রুপি তহবিল দিয়েছে। ইউপিএ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ২০১২ সালে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ বছরের জন্য ৩০ হাজার কোটি রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

এ অবস্থায় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ব বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার শতভাগ মালিকানা বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানসমূহের আবেদন পাওয়ার পর আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে যোগ্য কোম্পানিকে নির্বাচিত করা হবে।

সরকার বলছে, বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ৬০ হাজার কোটি রুপির যে দেনা রয়েছে তার মধ্যে ২৩ হাজার ২৮৬ কোটি রুপি দেনার দায় নিতে হবে ক্রয়কারী সংস্থাকে। 

এর আগে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব বিমান সংস্থাটির ৭৬ শতাংশ মালিকানা বিক্রির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। সরকার মনে করছে, এবার শতভাগ মালিকানা বিক্রির সিদ্ধান্তের ফলে ক্রয়কারী সংস্থা অপারেশনালে কার্যক্রমে শতভাগ স্বাধীনতা পাবে।

ভারতে শুধু এয়ার ইন্ডিয়াই নয়, বিমান চলাচল খাতে ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে। এ কারণে সম্প্রতি বন্ধ হয়েছে দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি বিমানসংস্থা জেট এয়ারওয়েজ। এর আগে ভারতের অল্প সময়ের মধ্যে আকাশপথের বাজার ধরতে সক্ষম হওয়া কিংফিশার এয়ারলাইন্সও আর্থিক কারণে একইভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর্থিক সংকট ও বাজেট এয়ারলাইন্সসমূহের কাছে মার খেয়ে ভারতে বিমান চলাচল খাতে দূরবস্থা নতুন কোনো সংবাদ নয়। আর্থিক সংকটে পড়ে ২০১২ সালে কিংফিশারের অপারেশনও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত এয়ারলাইন্সটির বর্তমানে ১০২টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। তাদের বহরে এখন ১৩৬টি উড়োজাহাজ রয়েছে।

   

গাজায় দুর্ভিক্ষ বন্ধে ইসরায়েলকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়া বন্ধে ইসরায়েলকে প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক আদালত সর্বসম্মতভাবে ইসরায়েলকে এই নির্দেশ দিয়েছে। তবে হামাস নেতারা বলেছে, মানবিক সংকট ঠেকাতে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।

গাজায় রাষ্ট্র পরিচালিত গণহত্যার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করা মামলার অংশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা নতুন ব্যবস্থার অনুরোধ করেছিল আদালতকে। পরে আদালত এই নির্দেশ দেয়।

বার্তা সংস্থা রয়র্টাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর জন্য মৌলিক খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়া বন্ধে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। গাজার আল শিফা হাসপাতালের চারপাশে ইসরায়েলি বাহিনী এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা লড়াই করার সময় এই আদেশটি এলো।

আদালতের বিচারকরা বলেছেন, গাজার মানুষরা আরও খারাপ অবস্থার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। বিচারকরা আদেশে বলেছেন, আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে গাজার মানুষেরা শুধুমাত্র দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে না বরং সেখানে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গেছে।

হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসেম নাইম বলেছেন, এই রায়টি যথেষ্ট নয়। দুর্ভোগ বন্ধ করতে ইসরায়েলকে অবশ্যই সামরিক আক্রমণ বন্ধ করার নির্দেশ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গাজায়, বিশেষ করে উত্তর গাজা উপত্যকায় মানবিক ট্র্যাজেডির অবসান ঘটানোর জন্য যেকোনও নতুন দাবিকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে আমরা আশা করি যে গাজায় আমাদের লোকেরা যে সমস্ত দুর্দশার মধ্য দিয়ে বসবাস করছে তার সমাধান হিসেবে আদালত যুদ্ধবিরতির আদেশ দেবেন।

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের বিষয়ে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মঙ্গলবার অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং সমস্ত জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ভোট দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভোট থেকে বিরত ছিল, কিন্তু ভেটো দেয়নি।

;

গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া মুখতার আনসারি মারা গেছেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারাগারে থাকা গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা মুখতার আনসারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

৬৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ)  রাত সাড়ে আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এর আগে, গত মঙ্গলবার কারাগারে অজ্ঞান হয়ে গেলে জেল কর্তৃপক্ষ তাকে জেলার রানী দুর্গাবতী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যায়। পরে নয়জন ডাক্তারের একটি দল তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছিল। কিন্তু, তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ১৪ ঘণ্টা আইসিইউতে থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের ৫ বারের এই সংসদ সদস্য ২০০৫ সাল থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আনসারিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেই হাসপাতালের বাইরে পুলিশের একটি বড় দল মোতায়েন করা হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পরে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে ১৪৪ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের পুলিশের মহাপরিচালক প্রশান্ত কুমার বলেছেন, বান্দা, মাউ, গাজিপুর এবং বারাণসী জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সও মোতায়েন করা হয়েছে।

;

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় লিম্পোপো প্রদেশে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৪৫ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানী জোহানেসবার্গ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের লিম্পোপো রাজ্যের মামটলাকালা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের বরাতে বিবিসি এতথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যাত্রীবাহী বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি একটি সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে যায়। এরপর বাসটিতে আগুন ধরে যায় বলে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়।

বাসটি প্রতিবেশী দেশ বতসোয়ানা থেকে যাত্রী নিয়ে লিম্পোপোর শহর মোরিয়া যাচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছিলেন উদ্ধার কর্মীরা। ঘটনাস্থলে অনেকের আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের চিহ্নিত করা দুষ্কর। বাকিরা বাসের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে এবং অন্যরা ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বলে লিম্পোপোর পরিবহন বিভাগের পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবহণ মন্ত্রী সিন্দিসিওয়ে চিকুঙ্গা, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মর্মান্তিক এই বাস দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তদন্ত করবে।

;

ন্যাটোর দেশে আক্রমণ নয়, তবে এফ-১৬ দিলে ধ্বংস করা হবে: পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা নেই রাশিয়ার। এছাড়া পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক বা বাল্টিক কোনো দেশের ওপরও হামলা চালাবে না রাশিয়া। তবে এসব দেশ যদি ইউক্রেনকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করে, তবে সে যুদ্ধবিমান গুলি করে ধ্বংস করা হবে।

রাশিয়ার স্থানীয় সময় বুধবার (২৭ মার্চ) রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এসব কথা বলেন।

রুশ বিমানবাহিনীর পাইলটদের উদ্দেশে পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে রাশিয়ার দিকে বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু রাশিয়ার তাদের ওপর হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই। এ জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিও কোনো আগ্রাসন দেখানো হবে না। পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক বা বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোকে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে যেসব কথা রটানো হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ বাজে কথা।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মূলত ইউক্রেনকে অর্থ, অস্ত্র ও বুদ্ধি দিয়ে সমর্থন করে আসছে। সে কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে মস্কোর যে সম্পর্ক, তা সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে।

ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দিয়ে সহায়তা করতে চাওয়া পশ্চিমা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিন বলেন, এসব যুদ্ধবিমান যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি পরিবর্তন করবে না। আমরা এখন যেমন ট্যাংক, সাঁজোয়া যান এবং একাধিক রকেট লাঞ্চারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম ধ্বংস করি, ঠিক তেমনি আমরা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করব।

পুতিন বলেছেন, ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের ওপর আক্রমণাত্মক চালানোর কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই। তবে হ্যাঁ যুদ্ধবিমান যদি ইউক্রেনের বাইরের কোনো দেশ থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে আসে, সে স্থানগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে। সেটি যে স্থানই হোক না কেন।

বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নরওয়ে ও নেদারল্যান্ডসের মতো দেশ ইউক্রেনকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব দেশের একটি জোট ইউক্রেনের চালকদের প্রশিক্ষণ দেবে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিমান চেয়ে অনুরোধ করা হচ্ছে।

;