জাকার্তায় জরুরি অবস্থায় বোনাস পাবেন ডাক্তাররা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সোমবার (২৩ মার্চ) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় সব সিনেমা হল ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এই শহরে জারি করা হয়েছে দুই সপ্তাহের জরুরি অবস্থা।

সংকট কাটাতে নেওয়া নতুন পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে, জনগণকে বাড়ি থেকে কাজ করার আহ্বান জানানো। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের মতে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে ২৬০ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া যথেষ্ট কাজ করছে না।

পুলিশের জাতীয় মুখপাত্র মুহাম্মদ ইকবাল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, জনগণের সুরক্ষায় যেকোন গণজমায়েত ভেঙে দিতে পুরো ইন্দোনেশিয়ায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা, জাকার্তার একটি কমিউটার ট্রেনে গাদাগাদি করা মানুষের ছবি খুব দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় এ পর্যন্ত ৫১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে এবং মারা গেছেন ৪৮ জন। মূলত রাজধানী জাকার্তায় ভাইরাসটি বেশি ছড়িয়েছে। সেখানকার গভর্নর শুক্রবার (২০ মার্চ) স্বীকার করেন, ইতোমধ্যে চিকিৎসা সামগ্রীতে টান পড়তে শুরু করেছে।

ছয়জন ডাক্তার এবং নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোকো উইদোদো শোক প্রকাশ করেছেন।

উইদোদো ঘোষণা দিয়েছেন, জরুরি অবস্থা জারি করা এলাকার ডাক্তার এবং অন্যান্য কর্মীরা প্রতি মাসে ৫ মিলিয়ন রুপাইয়াহ থেকে ১৫ মিলিয়ন রুপাইয়াহ (৩০০-৯০০ ডলার) বোনাস পাবে। জাকার্তা ছাড়া পূর্ব জাভা অঞ্চলেও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী এবং দরিদ্রদের কথা চিন্তা করে কঠোর লকডাউনের মতো সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট এখনো দেননি। তবে প্রতিদিনের যানবাহনে ভরা সড়কগুলো সোমবার ছিল অনেকটাই ফাঁকা। সড়কের মোড়গুলোয় ভিড় কমানো এবং বাড়িতে থাকতে বলার আর্জি জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

সিমানজুন্তাক নামে এক ব্যক্তি ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে রয়াটার্সকে বলেন, সরকারের নীতিগুলো অর্ধেক বলে মনে হচ্ছে। প্রশাসনের তরফ থেকে জনগণকে বাড়িতে থাকতে বাধ্য না করলে জনপরিবহন সীমিত হবে না। তিনিই মানুষ ভর্তি ট্রেনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন।