পাকিস্তান সার্কের কোভিড-১৯ ফান্ড সম্পর্কে স্বচ্ছতা চায়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তান চায় দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার সংস্থার (সার্ক) কোভিড-১৯ জরুরি ফান্ডটি মহাসচিব দ্বারা পরিচালিত হোক এবং এর ব্যবহারে যেন স্বচ্ছতা থাকুক।

করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে ১৫ মার্চ ভিডিও কনফারেন্স চলাকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তহবিল ঘোষণা করেন এবং এর জন্য ১০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দেন।

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জরুরি ফান্ড এ অঞ্চলের দেশগুলোকে মহামারি মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য গঠিত। তবে তহবিল পরিচালনা এবং এর ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। পাকিস্তান ছাড়া এ ফান্ডের জন্য সদস্য দেশগুলো অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা এখন মোট ১৮.৮ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের অর্থ।

ভারত ১০ মিলিয়ন, শ্রীলঙ্কা ৫ মিলিয়ন, বাংলাদেশ ১.৫ মিলিয়ন, নেপাল এবং আফগানিস্তান এক মিলিয়ন করে, মালদ্বীপ ০.২ মিলিয়ন এবং ভুটান ০.১ মিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে।

১৫ মার্চ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়া পাকিস্তানও ফান্ডে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবে বলে আশা করা হয়েছিল। পাকিস্তান মনে করে, বেশিরভাগ সদস্য দেশ দ্বারা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা সত্ত্বেও তহবিলের বিবরণী চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির টেলিফোনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

ফোনে আলাপ প্রসঙ্গে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আয়েশা ফারুকী বলেন, ফান্ড ভাগ করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আলোচনা করে এ বিষয়টির ওপরে জোর দেওয়া হয়েছে সার্ক কোভিড-১৯ ফান্ড সার্কের সেক্রেটারি জেনারেলের অধীনে রাখা উচিত এবং এর ব্যবহার কীভাবে হবে তা তার মাধ্যমেই চূড়ান্ত করা উচিত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সদস্য দেশ এবং স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সার্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রীদের সম্মেলনের আয়োজনে তার দেশের তৎপরতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনও সার্ক স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার জন্য তার সরকারের তৎপরতার কথা বলেছেন।

কুরেশি গত কয়েকদিন ধরে নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন। সার্কের যে দেশগুলো কুরেশির সঙ্গে এখনও কথা বলেননি তারা হলো আফগানিস্তান এবং ভারত।

আপনার মতামত লিখুন :