জমজম কূপে প্রবেশের বিরল সুযোগ পাওয়া ড. ইয়াহইয়া মারা গেছেন



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়া হামজা কোসাক, ছবি: সংগৃহীত

প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়া হামজা কোসাক, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়া হামজা কোসাক। সংস্কারের জন্য পবিত্র জমজম কূপে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের একজন। তিনি জমজম কূপের নেমে পানি প্রবাহের উৎসস্থল দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। আধুনিক ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তিনি কূপটিতে প্রবেশ করেন। এর পর আরও কেউ কূপে প্রবেশ করেননি। ১৯৭৯ সালে বাদশাহ খালিদ বিন ফয়সালের শাসনামলে তার নেতৃত্বে জমজম কূপ সংস্কার ও পরিষ্কার করা হয়।

সৌদি আরবে ড. ইয়াহইয়া হামজা কোসাককে প্রকৌশলীদের জনক বলা হয়। জমজম কূপের ইতিহাসের সবেচেয়ে বড় ধরনের সংস্কার ও পরিষ্কার কাজের নেতৃত্বদানকারী এই প্রকৌশলী সোমবার (১ মার্চ) বিকেলে সৌদি আরবে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি সৌদি আরবের পানি ও ড্রেনেজ কর্তৃপক্ষের সাবেক পরিচালক ছিলেন। সৌদির প্রেস ও প্রকাশনা সংস্থার সদস্যও ছিলেন তিনি। তার ভাই প্রকৌশলী মো. আবদুল কাদের মক্কা নগরীর সাবেক মেয়র ছিলেন।

১৯৭৯ সালের জমজম কূপ পরিষ্কারকরণ প্রকল্পটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ পরিষ্কারকরণ প্রকল্প। এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য ছিল জমজম কূপের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করতে জঞ্জাল অপসারণ করা, এই সংস্কারের কারণে জমজম কূপের পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ওই সময়, তিনি ও তার দল জমজম কূপকে অতিবেগুনী রশ্মি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করেন।

জমজম কূপের পানির প্রবাহধারা ও পরিচ্ছন্নতার ওপর তিনি ‘Zamzam: The Holy Water’ নামে একটি বই রচনা করেন। ওই বইয়ে তার দেখা জমজম কূপের অভ্যন্তরের বিবরণ স্থান পেয়েছে। সেখানে তিনি পবিত্র এই কূপের প্রত্নতাত্বিক সব বিষয় তুলে ধরেছেন।

প্রকৌশলী ইয়াহইয়া জানিয়েছিলেন, ‘জমজম কূপের মধ্যে তিনি পানির দু’টি উৎস দেখেছিলেন। যার একটি এসেছে কাবার দিক থেকে আর একটি এসেছে আজিয়াদের দিক থেকে।’ এ ছাড়া জমজম কূপের ভেতরে পাথরের মধ্য ছোট ছোট বারোটি গর্তের অস্তিত্ব রয়েছে বলে ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়।

তিনি তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, ‘জমজম কূপের পানি চমৎকার স্বাদযুক্ত এবং রোগ প্রতিরোধক।’

পবিত্র নগরী মক্কার এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম নেন তিনি। তার পিতা মক্কার বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি হজ মৌসুমে ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ তুর্কি থেকে আগত হজ ও উমরা পালনকারীদের সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।

ড. ইয়াহইয়া হামজার মা ছিলেন বাদশাহ ফয়সালের স্ত্রী রানী ইফফাতের ঘনিষ্ট বান্ধবী। মসজিদে হারামে দেখা-সাক্ষাতে মিলিত হতেন তারা।

বাদশাহ ফয়সাল ও তার স্ত্রীর প্রতিষ্ঠিত তায়েফ শহরের প্রথম স্কুলে ড. ইয়াহইয়া পড়ালেখা করেন। পরে তিনি মিসরের কায়রোতে প্রকৌশল বিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন। পরে প্রকৌশল বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি ও গবেষণা করতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। সেখানে তিনি উচ্চতর শিক্ষা ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ জমজম কূপের পানিকে অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতময় বলে মনে করেন। প্রতি বছর লাখ লাখ হজ ও উমরা পালনকারীরা জমজমের পানি নিয়ে দেশে ফেরেন।

পবিত্র কাবা থেকে জমজম কূপের দূরত্ব কুড়ি মিটারের মতো। দুনিয়ায় আল্লাহতায়ালার যত বিস্ময়কর নিদর্শন রয়েছে, জমজম কূপ তার একটি। গত পাঁচ হাজার বছর ধরে এখান থেকে একটানা পানি পাওয়া যাচ্ছে। যদিও কূপটি মাত্র ত্রিশ মিটার গভীর, তারপরও এটি প্রতি সেকেন্ডে সাড়ে আঠারো লিটার পানি পাম্প করতে পারে।

প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে পবিত্র কাবা ঘরের সন্নিকটে বরকতময় কূপটি পানি দেওয়া শুরু করে। আল্লাহতায়ালার নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) বিবি হাজেরা ও দুগ্ধপোষ্য শিশু হজরত ইসমাঈলকে (আ.) জনমানবহীন মক্কায় কাবার কাছে রেখে যেতে আদিষ্ট হন। সামান্য পানি ও খেজুরসহ তিনি তাদেরকে সেখানে রেখে যান।

যাওয়ার সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেছিলেন, ‘হে প্রভু! জনমানবহীন মরু প্রান্তরে তোমার পবিত্র ঘরের কাছে আমার সন্তানকে রেখে গেলাম, যেন তারা নামাজ কায়েম করে। আর তাদের প্রতি তুমি মানুষের অন্তরকে ধাবিত করে দিও এবং তাদেরকে ফল-ফলাদি দ্বারা রিজিক দান করো, যেন তারা তোমার শোকরগোজার হয়।’ -সূরা ইবরাহিম: ৩৭

হজরত ইবরাহিম (আ.) দোয়া করে চলে যাওয়ার পর হজরত হাজেরা (আ.) সন্তানকে বুকে ধারণ করে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সেখানে থাকতে লাগলেন। কোনো প্রতিবেশী ও খাদ্যপানীয় ছাড়া তিনি এভাবে বেশকিছু দিন কাটান। বুকের দুধ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর হজরত ইসমাঈল (আ.) যখন ক্ষুধায় কাতর হয়ে ছটফট করছিলেন, তখন তিনি দুগ্ধপোষ্য শিশুর জীবন বাঁচানোর জন্যে একবার সাফা পাহাড়ের ওপর আরেকবার মারওয়া পাহাড়ের ওপর- ছোটাছুটি করছিলেন। এক সময় দেখতে পেলেন, ছেলের পায়ের আঘাতে পানির ফোয়ারা উত্থলে উঠছে। চারদিকে তিনি বালু ও পাথর দিয়ে পানির প্রবাহ থামালেন। সেই কুদরতি পানির ঝরনাধারাটিই হচ্ছে জমজম কূপ। এই পানি কখনও বন্ধ হবে না। বিরতিহীনভাবে পৃথিবীবাসীকে তৃপ্ত করে চলবে।

হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এই বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ পর্যন্ত ৩ ধাপে ৭৮০টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর আগে গত ৮ মে প্রথম ধাপে ৬১০টি হজ এজেন্সিকে চলতি বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে গত ৯ মে অনুমোদন পায় ৯০টি হজ এজেন্সি।

রোববার (১৫ মে) তৃতীয় ধাপে ৮০টি হজ এজেন্সিকে হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে প্রত্যেক হজযাত্রীর সঙ্গে হজ অনুমোদন পাওয়া এজেন্সিগুলোর লিখিত চুক্তি করতে হবে।

প্রত্যেক এজেন্সি চলতি বছর সর্বোচ্চ ৩০০ জন এবং সর্বনিম্ন ১০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এজেন্সিগুলোকে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজকর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, হালনাগাদ কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল হয়নি, বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি বা জরিমানা হয়েছে, সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত এবং অভিযোগ তদন্তাধীন— তাদের নাম তালিকায় আসেনি।

আদেশে বলা হয়েছে, তালিকা প্রকাশের পর কোনও হজ এজেন্সির তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণ হলে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।

এতে আরও বলা হয়, অনিবন্ধিত কোনও ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে হজে নেওয়া যাবে না। কোনও এজেন্সি এ ধরনের উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তার লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন মুসল্লি হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।

;

হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু ১৬ মে, চলবে তিনদিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যারা হজ পালনের জন্য যাবেন তাদের নিবন্ধন কার্যক্রম ১৬ মে শুরু হয়ে চলবে ১৮ মে পর্যন্ত।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০২০ সালের নিবন্ধিত সব হজযাত্রী এবং প্রাক-নিবন্ধনের সবশেষ ক্রমিক নম্বর ২৫ হাজার ৯২৪ পর্যন্ত এ বছর হজের নিবন্ধনের আওতায় আসবেন। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এবার নিবন্ধনের আওতায় আসবেন ২০২০ সালের সব নিবন্ধিত ব্যক্তি।

আরও বলা হয়, হজযাত্রী হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবশ্যিকভাবে পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাসপোর্ট স্ক্যান করে পূরণ করতে হবে নিবন্ধন তথ্য। পাসপোর্টের মেয়াদ হজের দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাস অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে। হজযাত্রীর দাখিল করা পাসপোর্ট যাচাই করা হবে অনলাইনে।

নিবন্ধনের পর কেউ যদি হজে যেতে না পারেন, তাহলে শুধু বিমানভাড়া এবং খাবার বাবদ গ্রহণ করা টাকা ফেরত পাবেন উল্লেখ করে এতে বলা হয়, বিমানের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর হজযাত্রা বাতিল করলে সেই টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন না।

;

সরকারি খরচে ৩০ জনকে হজে পাঠাতে চায় সংসদীয় কমিটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তিনজন করে প্রতিনিধিকে রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠাতে চান। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কমিটি ধর্ম মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

এর মধ্যে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য রয়েছেন ১০ জন। প্রত্যেকের তিনজন প্রতিনিধিকে হজে পাঠাতে হলে কমিটির সদস্যদের সুপারিশে মোট ৩০ জনকে হজে পাঠাতে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে জনপ্রতি ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা থেকে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা খরচ হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে সংসদীয় কমিটির প্রত্যেক সদস্যের সুপারিশে পাঁচজন করে সরকারি খরচে হজে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যাওয়ার সুযোগ পাননি।

সংসদীয় কমিটির সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির সভায় সদস্যদের প্রতিনিধিদের হজে পাঠানোর বিষয়টি আলোচনায় এনেছিলেন কমিটির সদস্য মনোরঞ্জন শীল। তিনি আগের মতো সংসদীয় কমিটির সদস্যদের জন্য পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে হজে যাওয়ার সুযোগ রাখার অনুরোধ করেন। কমিটির সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী তার বক্তব্যে সমর্থন জানান। পরে কমিটি তাদের প্রত্যেক সদস্যের জন্য আগের মতো পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে হজ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করে।

এ সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের বৈঠকে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন পবিত্র হজ পালনে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন চার হাজার। 

বৈঠক শেষে ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি রুহুল আমীন মাদানী সাংবাদিকদের বলেন, এ বছর আগের চেয়ে কম মানুষ হজে যাবেন। মন্ত্রী বলেছেন, সংসদীয় কমিটির সদস্যরা দুজন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারবেন। তবে কমিটির সদস্যরা তিনজন করে পাঠানোর সুযোগ দিতে বলেছেন। এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

সংসদীয় কমিটির সদস্যরা কেন সরকারি খরচে তাদের প্রতিনিধিদের হজে পাঠাবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে রুহুল আমীন মাদানী বলেন, এটি আগে থেকেই হয়ে আসছে। যারা এই ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য তাদের ওপর নির্বাচনী এলাকার মানুষের দাবি থাকে হজে পাঠানোর। এ কমিটির সভাপতি হওয়ায় তার কাছে অনেকেই সরকারি খরচে হজে যাওয়ার দাবি নিয়ে আসছেন।

কমিটির সভাপতি রুহুল আমীন মাদানীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, শওকত হাচানুর রহমান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, জিন্নাতুল বাকিয়া, তাহমিনা বেগম ও বেগম রত্না আহমেদ অংশ নেন।

;

হাবের হজ প্যাকেজ ঘোষণা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য সাধারণ প্যাকেজ মূল্য ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। তবে এ প্যাকেজের মধ্যে কোরবানির খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এজন্য প্রত্যেক হজযাত্রীকে অতিরিক্ত ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা ব্যয় করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল ভিক্টরিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্যাকেজ ঘোষণা করেন হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম।

তিনি বলেন, বিমান ভাড়া ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, বাড়ি ভাড়া ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৬ টাকা, সার্ভিস ও পরিবহন ব্যয় ৪২ হাজার ৬৩৫ টাকা, জমজম পানি ২৯২ টাকা, অন্যান্য সার্ভিস চার্জ ৬২ হাজার ২৩৬ টাকা, লাগেজ পরিবহন ৭২৯ টাকা, ভিসা ফি ৮৩৮৪ টাকা,ইন্সুরেন্স ২৬৭৩ টাকা, স্থানীয় সার্ভিস চার্জ ১০০০ টাকা, ক্যাম্প তহবিল ২০০ টাকা, প্রশিক্ষণ ৩০০ টাকা, খাওয়া ৩২ হাজার টাকা, নিবন্ধন ২০০০ টাকা, মোনাজ্জেম খরচ ৪০০০, হজ গাইড খরচ ১০ হাজার ২৩৮ টাকা। এছাড়াও প্রত্যেককে কোরবানির জন্য ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা অতিরিক্ত হিসেবে নিতে হবে।

হাব সভাপতি বলেন, প্যাকেজের টাকা ১৮ মে’র মধ্যে জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাব অথবা টাকা জমা দেওয়ার রশিদ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, হজ ফ্লাইট পরিচালনায় ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালনা করতে হবে। তা না হলে সব হজ যাত্রীদের দেশে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

;