নফল তাওয়াফের সুযোগ



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নফল তাওয়াফ করছেন মুসল্লিরা

নফল তাওয়াফ করছেন মুসল্লিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা সংক্রমণ রোধে আরোপিত বিধি-নিষেধ ধীরে ধীরে তুলে নিচ্ছে সৌদি আরব। এরই মধ্যে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের সামাজিক দূরত্ব তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন ওমরাযাত্রী ছাড়াও সাধারণ মুসল্লিদের জন্য পবিত্র কাবা তাওয়াফের অনুমোদন দিয়েছেন সৌদি সরকার।

২৫ নভেম্বর সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের এক রাজকীয় নির্দেশনায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মসজিদে হারামের পরিচালনা পরিষদের মুখপাত্র হানি হায়দার একথা জানিয়েছেন। তবে ওমরা ছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের তাওয়াফের জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাকালে ওমরা পালনের অনুমতির জন্য নির্দিষ্ট ‘ইতামারনা’ মোবাইল অ্যাপে মুসল্লিদের আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে ‘তাওয়াফ’ নামে নতুন অপশন যুক্ত করা হয়েছে। এতে তাওয়াফের বুকিং দিয়ে মুসল্লিদের আবেদন নিশ্চিত করতে হবে।

জীবাণুনাশক সেনিটাইজার স্প্রে করা হচ্ছে মসজিদে হারামে

 

মসজিদুল হারামের প্রথম তলায় মুসল্লিদের তাওয়াফের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্নি হয়েছে। প্রতিদিন তিন বেলা তাওয়াফ করা যাবে। সকাল ৭টা থেকে ১১টা, রাত ৯টা থেকে ১১:৫৯ মিনিট এবং ভোর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ তাওয়াফ চলবে। এ সময় মুসল্লিদের মধ্যে জমজম পানি বিতরণ করা হবে। এছাড়াও সার্বক্ষণিক জীবাণুনাশক সেনিটাইজার দেওয়া হয়।

সৌদি আরবে আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়া আরও এক বাংলাদেশি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ নিয়ে এবারের হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ১২ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত পোর্টাল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সবশেষ মৃত্যু হওয়া বাংলাদেশি হজযাত্রী হলেন— খয়বর হোসেন (৫৫)। রংপুরের বাসিন্দা খয়বর হোসেন মক্কার আল-মুকাররমায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- EF0156162।

এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৯৫২ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৮৯০ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৬২ জন।

মোট ১৫৭টি ফ্লাইটে সৌদি গেছেন হজযাত্রীরা। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮৬টি, সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৬০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১১টি। গত ৫ জুন হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছিল।

;

আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে গতকাল শুক্রবার (১ ‍জুলাই) এক বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়, গতকাল তপন খন্দকার নামে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

তিনি ঢাকার লালবাগের বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট নম্বর হচ্ছে EE0540246। আর পিআইডি নম্বর 1459017।

এর আগে শুক্রবার তিন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন বলে জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

তারা হলেন-রফিকুল ইসলাম (৪৭), ফাতেমা বেগম (৬০) ও আব্দুল গফুর মিয়া (৬২)। তাদের মধ্যে গফুর গত ২৮ জুন এবং রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) মারা যান।

এ পর্যন্ত ১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

;

সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে আরও তিন বাংলাদেশি মারা গেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

তারা হলেন-রফিকুল ইসলাম (৪৭), ফাতেমা বেগম (৬০) ও আব্দুল গফুর মিয়া (৬২)। তাদের মধ্যে গফুর গত ২৮ জুন এবং রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার মারা যান।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত পোর্টালে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল এবং গফুর গত ২৮ জুন মারা যান।

পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখান্দার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের হজ আইডি নম্বর ০৫৭৬০৯৯ ও পাসপোর্ট নম্বর বিটি০৪৮৫৪৩৩, রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের হজ আইডি নম্বর ০৭৭৩০৫১ ও পাসপোর্ট নম্বর ইই০৩৮২৮৪৩ এবং টাঙ্গাইলের সখিপুরের বাসিন্দা আব্দুল গফুর মিয়ার হজ আইডি নম্বর ০৭৭৩০৮০ ও পাসপোর্ট নম্বর বিওয়াই০০৬২২০২।

এ নিয়ে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।

হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত ৪৮ হাজার ১৭১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩৮৫ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ৭৮৬ জন গিয়েছেন। চলতি বছর প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজে যাবেন।

এখন পর্যন্ত ১৩৩টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি ফ্লাইট বিমান বাংলাদেশের, ৫০টি সৌদি এয়ার লাইনসের ও ৮টি ফ্লাইনাসের।

;

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৩ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১০ জুলাই রোববার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ জুলাই ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। হজ অনুষ্ঠিত হবে ৮ জুলাই।

ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন।

মুসলমানরা হিজরি বর্ষের দ্বাদশ মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপন করেন। আল্লাহতায়ালার আদেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) নিজ পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) আল্লাহর জন্য কোরবানি করার ইচ্ছা ও ত্যাগের কারণে সারা বিশ্বের মুসলমানেরা আল্লাহর কাছে নিজেদের সোপর্দ করে দেওয়ার লক্ষ্যে পবিত্র হজের পরদিন ঈদুল আজহা উদযাপন ও পশু কোরবানি করে থাকেন। আল্লাহতায়ালা নবী হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আনুগত্যে সন্তুষ্ট হন এবং ছেলের পরিবর্তে তাকে পশু কোরবানি করার নির্দেশ দেন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুসরণে ঈদুল আজহার সময় মুসলমানরা পশু কোরবানি করেন।

জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে শরয়ি তরিকায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পশু জবাই করাকে কোরবানি বলা হয়। সকালে রক্তিম সূর্য ওপরে ওঠার সময়ে ‘কোরবানি’ করা হয় বলে ওই দিনটিকে ‘ইয়াওমুল আজহা’ বলা হয়ে থাকে।

;