ওয়াজ মাহফিলের উপকারিতা



মুহাম্মাদ নুরুল ইসলাম, অতিথি লেখক, ইসলাম
সুস্থ-সমাজ গঠনে ওয়াজ মাহফিলের গুরুত্ব অপরিসীম

সুস্থ-সমাজ গঠনে ওয়াজ মাহফিলের গুরুত্ব অপরিসীম

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়াজ মাহফিল- কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের জন্য সংক্ষিপ্ত পরিসরের একটি পাঠশালা। সেখানে শেখানো হয়, নামাজ কীভাবে পড়তে হয়? বলা হয়, নামাজ পড়ার ফজিলত, নামাজ না পড়ার ভয়াবহ শাস্তি। বয়ান করা হয়- দেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে ও অবস্থা নিয়ে। সেই পাঠশালা থেকে মানুষ তার প্রয়োজনীয় ইলম (জ্ঞান) হাসিল করে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমার পক্ষ হতে একটি হাদিস হলেও মানুষের কাছে পৌঁছে দাও।’ -সুনানে তিরমিজি : ২৬৬৯

এই হাদিসের ওপর আমলের বেশি সুবিধা হয় ওয়াজ মাহফিল ও তাবলিগের মাধ্যমে। না হয় একজন একজন করে রাসুলের বাণী সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া অসম্ভব। ওয়াজ মাহফিলে মানুষের জমায়েত হয়, কৃষক, দিনমজুররাও উপস্থিত হয়, ফলে বক্তারা কথা বলতে আনন্দ পায়, মন খুলে কথা বলে। যার নিমিত্তে শ্রোতারাও আনন্দচিত্তে, খুশিমনে বক্তার নসিহত শ্রবণ ও আমল করার চেষ্টা করে।

নবী কারিম (সা.)-এর যুগেও সাহাবারা হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) কে ঘিরে বসে নসিহত শ্রবণ করত। যুগে যুগে এভাবে হয়ে আমাদের পর্যন্ত এসেছে। আয়োজনের ক্ষেত্রে ভিন্নতা ঘটেছে তবে কথা কোরআন ও হাদিসেরই। তখন খোলা আকাশের নীচে, গাছের নীচে সবাই বসতেন। এখন মানুষের সুবিধার্থে প্যান্ডেল, স্টেজ করা হয়। মাইকের ব্যবস্থা করা হয়।

সুস্থ-সমাজ গঠনে ওয়াজ মাহফিলের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, সেখানে বলা হয়, কীভাবে একটি সুস্থ, ইসলামি সমাজ গঠন করা যায়! ওয়াজ মাহফিল নিয়ে আসে ব্যক্তিজীবনের পরিবর্তন। যখন সাহাবা, অলি-আউলিয়াদের কথা বলা হয়, তখন নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন চলে আসে। নিজের জীবনেকে তাদের মতো করে গড়ার চেষ্টা করে।

ওয়াজ মাহফিল, ইসলামের ওপর চলার আগ্রহ বাড়ায়, ইসলামের ওপর চলতে সাহায্য করে। যখন ওয়াজে নামাজের ফজিলত, না পড়ার ভয়াবহ শাস্তির কথা বলা হয়, মেসওয়াক করার ফজিলত ও ফায়দার কথা বলা হয়, যখন হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণের কথা বলা হয়, তখন ইসলামের ওপর চলার আগ্রহী হয়। কারণ, একজন পাগলও তার লাভ-লোকসান বুঝে। সেখানে একজন সুস্থ-মস্তিষ্কের মানুষ কেন বোঝবে না যে, এই কাজটি করলে তার লাভ (জান্নাত) হবে, না করলে লোকসান (জাহান্নাম) হবে।

ওয়াজ মাহফিলে আল্লাহর কথা, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কথা বলা হয়। যেখানে কোরআন-হাদিস নিয়ে আলোচনা হয় আল্লাহর রহমত নাজিল হয়। রহমতের ফেরেশতারা বেষ্টন করে রাখে।

ওয়াজ মাহফিল দ্বারা কম বেশি সবাই সওয়াবের ভাগীদার হয়

 

ওয়াজ মাহফিল দ্বারা আমলে তেজ আসে। একটি বটিকে যদি ঘরে ফেলে রাখা হয়, সেটি ভোঁতা হয়ে যায়। ফেলে না রেখে কাজে লাগানো যায়, তাহলে তেজ বহাল থাকে। ঠিক তেমনি যত বেশি ওয়াজ মাহফিল হবে, সেখানে যত বেশি আমলের কথা বলা হবে, আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হবে, আমলের ফজিলতের কথা বলা হবে, ফলে আমলের তেজ থাকবে। যদি আমলের কথা বলা না হয় কিংবা শোনা না হয়, তাহলে আমলে অনীহা চলে আসবে, আস্তে আস্তে আমল ছেড়ে দেবে।

ওয়াজ মাহফিল দ্বারা কম বেশি সবাই সওয়াবের ভাগীদার হয়। মাহফিলে আমলের কথা শুনে কেউ যদি একটি আমল করে, যে আমল করল সে তো সওয়াব পাবে, যিনি এই আমলের কথা বললেন তিনিও সওয়াব পাবেন, যারা মাহফিলের আয়োজন করেছেন তারাও সওয়াবের ভাগীদার হবেন।

আমরা অনেকে বলে থাকি, এত এত ওয়াজ, মাহফিল হচ্ছে; কিন্তু কয়জন মানুষ হেদায়েত হচ্ছে? এক এলাকায় একটি মাহফিলই যথেষ্ট। এত ওয়াজ দিয়ে লাভ কী? এ ধরণের কথা যারা বলেন, তারা আজ থেকে এ কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। কেননা হেদায়েতের মালিক আল্লাহতায়ালা। তিনি যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন, যাকে ইচ্ছা দেন না। এই ব্যাপারে কোনো মানুষের প্রশ্ন ওঠানো অযৌক্তিক। আল্লাহতায়ালা হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলেন, আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে হেদায়েত দিতে পারবেন না, তবে আল্লাহতায়ালাই যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন। কে সৎপথে আসবে, সে সম্পর্কে তিনিই ভালো জানেন। -সুরা কাসাস ৫৬

যেখানে স্বয়ং রাসুলকে এই ক্ষমতা দেননি যে, যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেবে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শুধু সৎপথের দিকে আহবান করতে পারবেন। অন্য আয়াতে বলেন, ‘আপনি উপদেশ দিন। কেননা, উপদেশ বিশ্বাসীদের উপকারে আসে।’ -সুরা আয-যারিয়াত : ৫৫

আল্লাহতায়ালা নবী কারিম (সা.)-কে উপদেশ দিতে বলছেন। হেদায়েতের মালিক আল্লাহ! তিনি যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেবেন। আমাদের এতে মাথাব্যথা কেন? আলেমদের কাজ হলো- হক-বাতিল, হালাল-হারামের কথা বলে যাওয়া। যথাযথভাবে ইসলামের বিধান, কোরআন ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের সামনে তুলে ধরা। মানুষকে উপদেশ দেওয়া। যে গ্রহণ করলো সে লাভবান হলো, যে গ্রহণ করলো না তার ক্ষতি হলো।

২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল

২৭ মে মতিঝিল কলোনি মসজিদে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল

  • Font increase
  • Font Decrease

মরহুম হাফেজ ক্বারি সাঈদুর রহমান ও রত্নগর্ভা মরহুমা হামিদা বেগম স্মরণে আগামী ২৭ মে বাদ আসর মতিঝিল সরকারি জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

হামিদা সাঈদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ক্বেরাত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন উস্তাজুল হুফফাজ শায়েখ আব্দুল হক হাফিজাহুল্লাহ, চেয়ারম্যান, হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারি ও বক্তা মাও. ক্বারি হাবিবুল্লাহ বেলালি, মাও. ক্বারি গোলাম মোস্তফা, মাও. ক্বারি আবুল হোসাইন, মাও. ক্বারি আবু রায়হান, মাও. মুফতি মিজানুর রহমান, মাও. হাফেজ মো. আবু ইউসুফ, মাও. হাফেজ খালেদ সাইফুল্লাহ, মাও. মুফতি যোবায়ের আহমাদ ও মাও. মুফতি মতিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের বিখ্যাত ক্বারি মাও. ক্বারি মো. আবদুল্লাহ, মাও. ক্বারি হাবিবুর রহমান, মাও. ক্বারি জহিরুল ইসলাম, মাও. ক্বারি রফিক আহমদ, মাও. ক্বারি নাজমুল হাসান, মাও. ক্বারি আমজাদ হোসাইন, মাও. ক্বারি একেএম ফিরোজ, মাও. ক্বারি আবদুল ওয়াদুদ, মাও. ক্বারি দেলাওয়ার হোসেন, মাও. ক্বারি মানজুর আহমদ, মাও. ক্বারি ফজলুল হক, মাও. ক্বারি আজিজুল হক. মাও. ক্বারি শাহাদাত হোসেন, মাও. ক্বারি মো. আবদুল মালেক, মাও. ক্বারি সাইদুল ইসলাম আসাদ, মাও. ক্বারি হাবিবুর রহমান মেশকাত, ক্বারি মো. হামিদুল্লাহ, ক্বারি মো. শহিদুল ইসলাম, ক্বারি মো. সাইফুর রহমান, ক্বারি মো. মাহমুদুল হাসান, ক্বারি আবু সালেহ মো. মুসা, হাফেজ ক্বারি মো. আবু জর গিফারিসহ অন্যান্য ক্বারিবৃন্দ তেলাওয়াত করবেন।

এ ছাড়া বিশ্বজয়ী হাফেজে কোরআন হাফেজ ক্বারি মো. জাকারিয়া, হাফেজ মো. তরিকুল ইসলাম ও হাফেজ ক্বারি মো. আবু রায়হান অনুষ্ঠানে তেলাওয়াত করবেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

;

‘বিমানের নিজস্ব উড়োজাহাজেই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, নিজস্ব বোয়িং-৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়েই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। সোমবার বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব  মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ মফিদুর রহমান এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুব আলী আরো বলেন, বিমানের বহরের ২১টি উড়োজাহাজের মধ্যে চারটি বোয়িং-৭৭৭। ২০১৯ সালে এই চারটি দিয়েই হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছিল। এ বছরও সেটি করা হবে। এতে বিমানের কম গুরুত্বপূর্ণ ও কম লাভজনক রুটের ফ্রিকোয়েন্সি কমানো হবে। এটা দুই মাসের বিষয়। শিডিউল ফ্লাইটে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে না।

তিনি বলেন, হজের সকল ফ্লাইট যাতে নির্বিঘেœ পরিচালিত হয় সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার। হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে ট্রলি সংকট ছিল, সেটা এখন আর নেই। লাগেজ বেল্টে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য অনেকগুলো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সরকার চায় বিমানবন্দর সুন্দরভাবে চলুক, এখানে কোনো প্রকার যাত্রী হয়রানি যাতে না হয়। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন হলে সেখানে যাত্রীরা সকল ধরনের আন্তর্জাতিক সেবা পাবেন। বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

মাহবুব আলী বলেন, কাস্টমস  আইন অনুযায়ী  চেক করতে গিয়ে যাত্রীদের আসা যাওয়ায় যাতে কোনো হয়রানি না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে যাতে হজ ফ্লাইট শুরু করা যায় সেজন্য প্রস্ততি আছে। কিন্তু হজে যারা যাবেন, বাড়ি ভাড়া এবং মোয়াল্লেম নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক কাজগুলো করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়গুলো এখনো ক্লিয়ার হয়নি। তবে আমাদের বিশ্বাস নির্দিষ্ট সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন করবে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলো দেখছে।

;

হজের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আরও দুদিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ২৪ মে পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ২০২২ সালের হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে পর্যন্ত চলবে।

রোববার (২২ মে) রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১-এর নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে সন্ধ্যায় বন্ধ করা হয়েছে। শূন্য কোটা পূরণের জন্য সরকার ঘোষিত হজ প্যাকেজ অনুযায়ী বর্ধিত সময়সূচি ঘোষণা করা হলো।

নিবন্ধনের অর্থ পরিশোধে বর্ধিত সময় শুরু ২৩ মে, নিবন্ধনের অর্থ পরিশোধে বর্ধিত সময়ের শেষ তারিখ ২৪ মে (ব্যাংকিং সময় পর্যন্ত)। বর্ধিত সময়ে প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক ২৫ হাজার ৯২৫ থেকে সর্বশেষ ক্রমিক ২৭ হাজার ১০৫ পর্যন্ত হজযাত্রীরা নিবন্ধনের আওতায় আসবেন। সময়ে নিবন্ধনকারী ব্যক্তিরা শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-২-এর অধীন নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, রোববার পর্যন্ত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১ হাজার ৮৫১ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৮৪৯ জন হজযাত্রী হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১-এ ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২-এ ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজে খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩০ টাকা। বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর সাধারণ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা।

;

হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৮০ এজেন্সি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এই বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ পর্যন্ত ৩ ধাপে ৭৮০টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর আগে গত ৮ মে প্রথম ধাপে ৬১০টি হজ এজেন্সিকে চলতি বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে গত ৯ মে অনুমোদন পায় ৯০টি হজ এজেন্সি।

রোববার (১৫ মে) তৃতীয় ধাপে ৮০টি হজ এজেন্সিকে হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে প্রত্যেক হজযাত্রীর সঙ্গে হজ অনুমোদন পাওয়া এজেন্সিগুলোর লিখিত চুক্তি করতে হবে।

প্রত্যেক এজেন্সি চলতি বছর সর্বোচ্চ ৩০০ জন এবং সর্বনিম্ন ১০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এজেন্সিগুলোকে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজকর্মী নিয়োগ দিতে হবে।

যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, হালনাগাদ কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল হয়নি, বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি বা জরিমানা হয়েছে, সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত এবং অভিযোগ তদন্তাধীন— তাদের নাম তালিকায় আসেনি।

আদেশে বলা হয়েছে, তালিকা প্রকাশের পর কোনও হজ এজেন্সির তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণ হলে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।

এতে আরও বলা হয়, অনিবন্ধিত কোনও ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে হজে নেওয়া যাবে না। কোনও এজেন্সি এ ধরনের উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তার লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন মুসল্লি হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।

;