শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে



মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী
হাদিসে বলা হয়েছে, শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করো

হাদিসে বলা হয়েছে, শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করো

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ঐতিহাসিক মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন। শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামের অনুপ্রেরণার দিন। প্রতি বছরের মতো সারাবিশ্বে আজ দিবসটি পালিত হচ্ছে। মানবতার ধর্ম ইসলামে শ্রমিকের স্বার্থ পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

মানুষের উন্নতির চাবিকাঠি হলো- শ্রম। শ্রমের মর্যাদা সমাজের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে। শ্রমের ব্যাপারে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ শেষ হবে, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণ করো।’ -সুরা জুমুআ : ১০

ইসলামে কোনো বৈধ শ্রমই অমর্যাদাকর নয়। শ্রম দ্বারা অর্জিত খাদ্যকে ইসলাম সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং জীবিকা অন্বেষণকে উত্তম ইবাদত হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘ফরজ ইবাদতের পর হালাল রুজি অর্জন করাও একটি ফরজ ইবাদত।’ -বায়হাকি

আর কোরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি তোমাদের জন্য ভূমি সুগম করে দিয়েছেন। কাজেই তোমরা এর দিক-দিগন্তে বিচরণ করো এবং তার দেওয়া রিজিক থেকে আহার করো।’ -সুরা মুলক : ১৫

আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমকে ভালোবাসতেন। তিনি নিজ হাতে জুতা মেরামত করেছেন, কাপড়ে তালি লাগিয়েছেন, মাঠে মেষ চরিয়েছেন। নবীজী (সা.) ব্যবসা পরিচালনাও করেছেন। খন্দকের যুদ্ধে নিজ হাতে পরিখা খনন করে শ্রমের মর্যাদাকে সর্বোচ্চস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শ্রমিকের মর্যাদা সম্পর্কে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘শ্রমিক আল্লাহর বন্ধু।’ – বায়হাকি

 নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে আরও বলেন, ‘নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য আর নেই। আল্লাহর নবী হজরত দাউদ (আ.) নিজের হাতে কাজ করে খেতেন।’ -সহিহ বোখারি

কোরআন-হাদিস, ইসলামের ইতিহাস পড়লে জানা যায়, নবী-রাসুলগণ শ্রমিকদের কত মর্যাদা দিয়েছেন। ইসলামের চিরন্তন শান্তির আলোয় উদ্ভাসিত ক্রীতদাস হজরত বিলাল (রা.) মুক্ত মানুষে পরিণত হন। তাকে সাহাবায়ে কিরাম ‘সাইয়েদুনা’ বা আমাদের নেতা বলে সম্বোধন করতেন। তাকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতিশয় সম্মানজনক মুয়াজ্জিন পদে নিযুক্ত করেন। মক্কা বিজয় করে কাবা ঘরে প্রথম প্রবেশের সময় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত বেলাল (রা.) ও আরেক ক্রীতদাস হজরত খাব্বাব (রা.)-কে সঙ্গে রেখেছিলেন। নবীজী কখনও নিজ খাদেম হজরত আনাস (রা.)-কে ধমক দেননি এবং কখনও কোনো প্রকার কটূবাক্য ও কৈফিয়ত তলব করেননি। এ সম্পর্কে হজরত আনাস (রা.) নিজেই বলেন, ‘আমি দশ বছর যাবৎ আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমত করেছি। তিনি আমার সম্পর্কে কখনো উহ! শব্দটি বলেননি এবং কখনও বলেননি, এটা করোনি কেন? এটা করেছো কেন? আমার অনেক কাজ তিনি নিজ হাতে করে দিতেন।’ -সহিহ বোখারি

শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তারা (যারা তোমাদের কাজ করে) তোমাদের ভাই। আল্লাহতায়ালা তাদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। সে (মালিক) যা খায় তার অধীনস্থদেরও যেন তাই খেতে দেয়, সে (মালিক) যা পরিধান করে তাদেরকে যেন তা পরিধান করায়। আর তাকে এমন কর্মভার দেবে না যা তার ক্ষমতার বাইরে। এমন কাজ হলে তাকে (শ্রমিককে) যেন সাহায্য করে।’ -সহিহ বোখারি ও সহিহ মুসলিম

শ্রমিকদের শ্রমের বিনিময়ে তিল তিল করে গড়ে উঠে শিল্প প্রতিষ্ঠান। অথচ শ্রমিকরা সব সময়ই থেকে যায় নিষ্পেষিত ও উপেক্ষিত। শ্রমিকের বেতন-ভাতার ব্যাপারে রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করো।’ -সুনানে ইবনে মাজাহ

মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির প্রতিপক্ষ হব। যে আমার নামে কোনো চুক্তি করে তা বাতিল করেছে। যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করেছে এবং যে শ্রমিকের দ্বারা পুরোপুরি কাজ আদায় করে নিয়েছে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক প্রদান করেনি।’ -সহিহ বোখারি

শ্রমজীবী মানুষ বা কোনো শ্রমিক অবসর নেওয়ার পর তার বাকি জীবন চলার জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বা পেনশনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। এ ব্যাপারেও ইসলাম নীরব নয়। এ সম্পর্কে হজরত উমর (রা.) বলেছেন, ‘যৌবনকালে যে ব্যক্তি শ্রম দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের সেবা করেছেন বৃদ্ধকালে সরকার তার হাতে ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিতে পারে না।’

১৮৮৬ সালের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরের ‘হে’ মার্কেটে অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজসহ বিভিন্ন দাবিতে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করে। বিক্ষোভ সমাবেশে নিরীহ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। নিহত হন অনেক শ্রমিক। শ্রমজীবী মানুষের আপসহীন মনোভাব ও আত্মত্যাগের ফলে মালিক পক্ষ শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী ৮ ঘণ্টা কাজের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ১ মে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়। হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস, শ্রমিকদের সাধ্যের অতীত কাজে কখনো খাটাবে না- এ নির্দেশনামূলক কথাটির কিছু অংশ হলেও পহেলা মের আন্দোলনে প্রতিফলিত হয়।

বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা জুলুমের শিকার। একদিকে মুনাফার চাপে শ্রমিককে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চিকিৎসাব্যবস্থার বাণিজ্যিকীকরণ চূড়ান্ত আকার ধারণ করেছে। আগামী দিনে শ্রমিকরা নিজেদের প্রয়োজনে ইসলামের দেওয়া শ্রমের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে গতকাল শুক্রবার (১ ‍জুলাই) এক বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়, গতকাল তপন খন্দকার নামে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

তিনি ঢাকার লালবাগের বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট নম্বর হচ্ছে EE0540246। আর পিআইডি নম্বর 1459017।

এর আগে শুক্রবার তিন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন বলে জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

তারা হলেন-রফিকুল ইসলাম (৪৭), ফাতেমা বেগম (৬০) ও আব্দুল গফুর মিয়া (৬২)। তাদের মধ্যে গফুর গত ২৮ জুন এবং রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) মারা যান।

এ পর্যন্ত ১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

;

সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

সৌদিতে আরও ৩ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে আরও তিন বাংলাদেশি মারা গেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

তারা হলেন-রফিকুল ইসলাম (৪৭), ফাতেমা বেগম (৬০) ও আব্দুল গফুর মিয়া (৬২)। তাদের মধ্যে গফুর গত ২৮ জুন এবং রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার মারা যান।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত পোর্টালে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রফিকুল ও ফাতেমা গতকাল এবং গফুর গত ২৮ জুন মারা যান।

পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখান্দার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের হজ আইডি নম্বর ০৫৭৬০৯৯ ও পাসপোর্ট নম্বর বিটি০৪৮৫৪৩৩, রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের হজ আইডি নম্বর ০৭৭৩০৫১ ও পাসপোর্ট নম্বর ইই০৩৮২৮৪৩ এবং টাঙ্গাইলের সখিপুরের বাসিন্দা আব্দুল গফুর মিয়ার হজ আইডি নম্বর ০৭৭৩০৮০ ও পাসপোর্ট নম্বর বিওয়াই০০৬২২০২।

এ নিয়ে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।

হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত ৪৮ হাজার ১৭১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩৮৫ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ৭৮৬ জন গিয়েছেন। চলতি বছর প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজে যাবেন।

এখন পর্যন্ত ১৩৩টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি ফ্লাইট বিমান বাংলাদেশের, ৫০টি সৌদি এয়ার লাইনসের ও ৮টি ফ্লাইনাসের।

;

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৩ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১০ জুলাই রোববার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ জুলাই ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। হজ অনুষ্ঠিত হবে ৮ জুলাই।

ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন।

মুসলমানরা হিজরি বর্ষের দ্বাদশ মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপন করেন। আল্লাহতায়ালার আদেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) নিজ পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) আল্লাহর জন্য কোরবানি করার ইচ্ছা ও ত্যাগের কারণে সারা বিশ্বের মুসলমানেরা আল্লাহর কাছে নিজেদের সোপর্দ করে দেওয়ার লক্ষ্যে পবিত্র হজের পরদিন ঈদুল আজহা উদযাপন ও পশু কোরবানি করে থাকেন। আল্লাহতায়ালা নবী হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আনুগত্যে সন্তুষ্ট হন এবং ছেলের পরিবর্তে তাকে পশু কোরবানি করার নির্দেশ দেন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুসরণে ঈদুল আজহার সময় মুসলমানরা পশু কোরবানি করেন।

জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে শরয়ি তরিকায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পশু জবাই করাকে কোরবানি বলা হয়। সকালে রক্তিম সূর্য ওপরে ওঠার সময়ে ‘কোরবানি’ করা হয় বলে ওই দিনটিকে ‘ইয়াওমুল আজহা’ বলা হয়ে থাকে।

;

ঈদুল আজহা কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা ৯ জুলাই না ১০ জুলাই উদযাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায়।

১৪৪৩ হিজরি সনের ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কমিটির বৈঠক হবে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায়। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এই সভা বসবে।

কমিটি চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ করবে। ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের সভায় সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৪৪৩ হিজরি সনের চাঁদ দেখা গেলে ১ জুলাই থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আগামী ১০ জুলাই (রোববার-১০ জিলহজ) ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ১ জুলাই শুক্রবার জিলকদ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী শনিবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে, দেশে ঈদ উদযাপিত হবে ১১ জুলাই।

ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;