এ বছর হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা (প্যাকেজ-২) নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্যাকেজের আওতায় হজযাত্রীরা মক্কার মসজিদুল হারামের ১৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করবেন।

বুধবার (১১ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল।

তিনি বলেন, এবছর সরকারিভাবে ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হলো। প্যাকেজ-১ এ হজে যেতে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা খরচ হবে। এই প্যাকেজের যাত্রীরা মসজিদুল হারামের ১০০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকবেন।

মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য চার লাখ ৫৬ হাজার ৫৩০ টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সিগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ ও প্যাকেজ-২ এর সঙ্গে মিল রেখে একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। দ্বি-পাক্ষিক হজচুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জনসহ সর্বমোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও বলেন, হজযাত্রীর বিমান ভাড়া, সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, মুয়াল্লিম ফি, জমজমের পানি, খাবার খরচ এবং অন্যান্য ফি হিসাব করে ২০২২ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য ২টি প্যাকেজ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার এজেন্সিগুলোর জন্য একটি প্যাকেজের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও হজযাত্রীদের কোরবানি বাবদ প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৮১০ সৌদি রিয়াল বা ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

২০২০ সালের তুলনায় সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এর দাম বেড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর দাম বেড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ১৫০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ হিসাবে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ২০২০ সালে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ছিল ২৩ টাকা। আজ এই হারের পরিমাণ ২৪ টাকা ৩০ পয়সা। এটিও প্যাকেজ মূল্য বাড়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া সৌদি আরবে সব খাতের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, সার্ভিস চার্জ, কর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোয়াচ্ছাছা এর খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। বাড়ি ভাড়া বেড়েছে।

মন্ত্রী বলেন, তারা প্যাকেজ-১ এবং প্যাকেজ-২ এর যেকোনো একটি নির্বাচন করতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা ব্যাংকে স্থানান্তরের পর ব্যাংকগুলো ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ই-হজ সিস্টেমে প্যাকেজ স্থানান্তরের সেই অর্থ প্রাপ্তি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করবে। অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে হজযাত্রীকে ই-হজ সিস্টেম থেকে তার পিলগ্রিম আইডি (PID) দেওয়া হবে। যদি কোনো কোটা খালি থাকে, তাহলে অবশিষ্ট কোটা পূরণের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক নিবন্ধনের ক্রম অনুসারে পরিচালক, হজ অফিস ঢাকার অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারবেন। ২০২০ সালে যেসব নিবন্ধিত হজযাত্রী প্যাকেজ স্থানান্তরের মাধ্যমে ২০২২ সালে নিবন্ধন চূড়ান্ত করবেন না অথবা হজে যেতে পারবেন না, তাদের হজ নিবন্ধন বাতিল হবে এবং তারা বিধি অনুযায়ী টাকা ফেরত পাবেন।

বেসরকারি হজ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এজেন্সির সঙ্গে হজযাত্রীর চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের নিবন্ধনের অর্থ সমন্বয় করে ২০২২ সালের প্যাকেজে ঘোষিত অবশিষ্ট অর্থ নিবন্ধনকারী সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। হজযাত্রীর কাছ থেকে প্যাকেজে ঘোষিত অর্থ পাওয়ার পরেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সি তার পিলগ্রিম আইডি দেবে। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট এজেন্সি বিমান ভাড়া বাবদ নেওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বরাবর টিকিটের জন্য পে-অর্ডারের মাধ্যমে পাঠাবে।

প্রত্যেক হজ এজেন্সি কমপক্ষে ১০০ জন এবং সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। হজ এজেন্সি ছাড়া অন্য কোনো এজেন্সির কাছে হজযাত্রীর বিমান টিকিট বিক্রির জন্য অনুমতি দেওয়া যাবে না। কোনো হজ এজেন্সিকে কোনো অবস্থাতেই ৩০০ এর বেশি টিকিট দেওয়া যাবে না বলে জানান মন্ত্রী।

হজযাত্রার কিছু বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, এ বছর ‘রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ’ এর আওতায় ঢাকার শতভাগ যাত্রীর সৌদি আরবের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন করে গাইড নিয়োগ করা হবে।

এর উপর ভিত্তি করে আগামীকাল হাব হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবে।

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই ঈদুল আজহা

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৩ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১০ জুলাই রোববার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ জুলাই ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। হজ অনুষ্ঠিত হবে ৮ জুলাই।

ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন।

মুসলমানরা হিজরি বর্ষের দ্বাদশ মাস জিলহজের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপন করেন। আল্লাহতায়ালার আদেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) নিজ পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) আল্লাহর জন্য কোরবানি করার ইচ্ছা ও ত্যাগের কারণে সারা বিশ্বের মুসলমানেরা আল্লাহর কাছে নিজেদের সোপর্দ করে দেওয়ার লক্ষ্যে পবিত্র হজের পরদিন ঈদুল আজহা উদযাপন ও পশু কোরবানি করে থাকেন। আল্লাহতায়ালা নবী হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আনুগত্যে সন্তুষ্ট হন এবং ছেলের পরিবর্তে তাকে পশু কোরবানি করার নির্দেশ দেন। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুসরণে ঈদুল আজহার সময় মুসলমানরা পশু কোরবানি করেন।

জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে শরয়ি তরিকায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পশু জবাই করাকে কোরবানি বলা হয়। সকালে রক্তিম সূর্য ওপরে ওঠার সময়ে ‘কোরবানি’ করা হয় বলে ওই দিনটিকে ‘ইয়াওমুল আজহা’ বলা হয়ে থাকে।

;

ঈদুল আজহা কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা ৯ জুলাই না ১০ জুলাই উদযাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায়।

১৪৪৩ হিজরি সনের ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কমিটির বৈঠক হবে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায়। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এই সভা বসবে।

কমিটি চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ করবে। ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের সভায় সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৪৪৩ হিজরি সনের চাঁদ দেখা গেলে ১ জুলাই থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আগামী ১০ জুলাই (রোববার-১০ জিলহজ) ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ১ জুলাই শুক্রবার জিলকদ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী শনিবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে, দেশে ঈদ উদযাপিত হবে ১১ জুলাই।

ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;

ঈদুল আজহা কবে, জানা যাবে বৃহস্পতিবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহা কোনদিন উদযাপন করা হবে, তা বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় জানা যাবে।

১৪৪৩ হিজরি সনের ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কমিটির বৈঠক হবে ওইদিন সন্ধ্যায়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এই সভা বসবে। কমিটি চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ করবে। ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের সভায় সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার ১৪৪৩ হিজরি সনের চাঁদ দেখা গেলে ১ জুলাই থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আগামী ১০ জুলাই (রোববার-১০ জিলহজ) ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ১ জুলাই শুক্রবার জিলকদ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী শনিবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে, দেশে ঈদ উদযাপিত হবে ১১ জুলাই।

ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;

মহানবীকে (সা.) নিয়ে বিজেপি নেতার মন্তব্য: সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মহানবীকে (সা.) নিয়ে বিজেপি নেতার মন্তব্য: সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ

মহানবীকে (সা.) নিয়ে বিজেপি নেতার মন্তব্য: সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাদের ইসলাম ও মানবতার মুক্তির দূত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পরিবার নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে রাজধানীসহ সারা দেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুন) বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ-সমাবেশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

এ সময় তারা বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। ভারতের উচিত বাংলাদেশ থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শিক্ষা গ্রহণ করা। বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা বরাবরের মতো নিরাপদ ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে যাচ্ছে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী, ভয়েস অব ল’ ইয়ার্স বাংলাদেশ-এর আহবায়ক সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলহাজ গিয়াস উদ্দিন, জমিয়তের সভাপতি মাওলানা শায়খ যিয়া উদ্দীন, সহ-সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক, জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান পৃথক বিবৃতি ও সভায় মহানবীকে (সা.) নিয়ে ভারতের বিজেপি নেতার কট‚ক্তির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

তারা বলেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও তার প্রিয়তমা স্ত্রী হজরত আয়েশা (রাযি.) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করে বিজেপির নেতারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে সরকারিভাবে এর প্রতিবাদ করুন এবং চলমান জাতীয় সংসদে ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস করুন।

নারায়ণগঞ্জ: মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে থেকে আজ বাদ জুমা বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে। 

ফরিদপুর: ভারতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) ও তার স্ত্রী  আয়েশা (রা:) কে নিয়ে ভারতীয় বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও তার সহযোগী নবীনকুমার জিন্দাল কর্তৃক অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ‌।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে ভারতে রাসূল (সা.)’র অবমাননার নিন্দা ও প্রতিবাদ স্বরূপ শুক্রবার জুমায় রেসালাতের উপর বয়ানের আহবান জানিয়েছেন হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া। তিনি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুই নেতা নূপুর শর্মা ও নাভিন জিন্দাল কর্তৃক ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত আয়েশাকে (রা.) অবমাননার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি প্রদান করেন।

নোয়াখালী: নোয়াখালীতে মহানবী (সা.) কে অবমাননামূলক বক্তব্যের প্র্রতিবাদে নোয়াখালীতে প্রতিবাদ সভা করেছে বাংলাদেশ ‘ল’ ইয়াস কাউন্সিল নোয়াখালী শাখা। গতকাল বিকালে নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির মিলনায়তে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী বারে সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম।

নীলফামারী: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির জেষ্ট দুই নেতার অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ইমান আকিদা সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে নীলফামারীতে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুমার নামাজ শেষে জেলার সকল মসজিদ থেকে মিছিল বের করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয় ধর্মপ্রান মুসল্লিরা। এ সময় ধর্মীয় স্লোগান এবং বিজেপির সাবেক মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও জ্যেষ্ঠ  নেতা নবীন কুমার জিন্দালের শাস্তির দাবির স্লোগানে মুখরিত হয় জেলা শহর।

রাজশাহী: ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির মূখপাত্র নূপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এবং হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা:) কে নিয়ে অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টের বড় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

রাজশাহী উলামা মাশায়েখ পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যানারে কয়েক হাজার মুসল্লি এতে অংশ নেন। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

রাজবাড়ী: বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজিপি) দুই শীর্ষ নেতা আক্রমণাত্মক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজ শুক্রবার (১০) জুম্মার নামাজের পর সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় এবং আইনশৃঙ্খলার কোন অবনতি না ঘটে সেজন্য সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন রাজবাড়ীর জেলা পুলিশ ও প্রশাসন।

পঞ্চগড়: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুই নেতার কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছেন সর্বস্থরের মুসল্লিরা। জুম্মার নামাজের পর শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা শহরের শেরে বাংলা পার্কের চৌড়ঙ্গী মোড়ের সামনে সমবেত হন। পরে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠণের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে মুসল্লিরা। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে গিয়ে সমাবেশ করে। এ সময় ‘বিশ্বনবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান’, ‘ইসলামের শত্রুরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘নুপুর শর্মার দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন মুসুল্লি।

দিনাজপুর: ভারতে বিজেপি মুখপাত্র কর্তৃক বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কু-রুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে দিনাজপুরে বাদ জুম’আ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে,জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জুমা’র নামজ শেষে শহরের ইন্সটিটিউট ও লোকভবন এলাকায় মসজিদের ইমামের নেতৃত্বে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা দলে দলে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। 

ময়মনসিংহ: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে ময়মনসিংহ সদরে গফরগাঁও, ভালুকা, ঈশ্বরগঞ্জসহ জেলার সকল উপজেলায় জুমআর নামাজের শেষে  বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ।  দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বড় মসজিদ প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতার ব্যানারে এ প্রতিবাদ সামবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ‘‘বিশ্ব নবীর অপমান-সইবে না আর মুসলমান’’ এ প্রতিপাদ্যে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

;