শিশু সাঈদ হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৫ সালে সিলেটের শাহ মীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শিশু আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২২ জুন) এ রায় দেন বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্টের বেঞ্চ।

তিন আসামি হলেন বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান ওরফে পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাকিব ও পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান ওরফে গেদা।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। এ মামলায় আদালতে পুতুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাকিবের পক্ষে আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা এবং আতাউর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. সিদ্দিকুর রহমন।

এর আগে শিশু সাঈদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের শুনানি শেষ হয় গত ৪ এপ্রিল। শুনানি শেষে ১৩ এপ্রিল রায়ের জন্য দিন রাখা হয়। কিন্তু সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় তারিখ পিছিয়ে মামলাটি আজ রায় ঘোষণার জন্য কার্যতালিকায় আসে।

২০১৫ সালের ১১ মার্চ শিশু আবু সাঈদ অপহরণ হয়। এর তিনদিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড় সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন সিলেট কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।

চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা ও ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুম।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মাসুমকে খালাস দিয়ে বাকি তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব ও পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা।

পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অপরদিকে আসামিরাও আপিল আবেদন করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজ ২০ জুন দিন ধার্য করা হয়।