রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন পেলেন মিনু-বুলবুল-শফিকুল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন পেলেন মিনু-বুলবুল-শফিকুল

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন পেলেন মিনু-বুলবুল-শফিকুল

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন পেয়েছেন বিএনপির তিন নেতা। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে তাঁরা জামিনের আবেদন করলে বিচারক ওএইচএম ইলিয়াস হোসাইন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁদের জামিন দেন।

জামিন পাওয়া তিন নেতা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা ও সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন।

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুসাব্বিরুল ইসলাম। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক। তিনিই রাষ্ট্রদ্রোহের এই মামলাটির বাদী। তিন নেতার আইনজীবী আবদুল মালেক রানার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জামিন দেন। শুনানিতে বিএনপি নেতাদের পক্ষে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক ও সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহিদীসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী অংশ নিয়েছিলেন।

জামিন পাওয়ার পর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান, আগামী ৩০ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ। সেই তারিখ পর্যন্ত আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দিয়েছেন। পরবর্তী তারিখে আবার জামিনের আবেদন করতে হবে।

গত ২ মার্চ রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে সরকারবিরোধী বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি এবং সরকার উৎখাতের হুমকির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। এ মামলায় মামলায় বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুও আসামি। তিনি এখনও লাপাত্তা।

এদিকে প্রায় ছয় মাস আত্মগোপনে থাকার পর গত ২৫ আগস্ট মিনু, বুলবুল ও মিলন উচ্চ আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন। উচ্চ আদালত সেদিন তাঁদের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিন দিয়ে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর এই তিন নেতা নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন চান। তবে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে নথি না আসার কারণে সেদিন শুনানি হয়নি। সেদিন শুনানির জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর দিন রেখেছিলেন আদালত। এ দিন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে নিয়ে আদালতে যান ওই তিন নেতা। শুনানি শেষে তাঁরা জামিনও পেলেন।