শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ প্রায় ২০ মাস পর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ বিচারকাজ শুরু হয়।

এর আগে, সোমবার (২৯ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।

গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় সরকার ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা করে। সেই অনুসারে আদালতেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। তার আগে সশরীরে সর্বশেষ আপিল বিভাগ বসেছিলো ১২ মার্চ।

আগাম জামিন পেলেন গায়ক তাহসান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনয় শিল্পী তাহসানকে ৬ সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে তাহসান খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান।

এর আগে তাহসান বুধবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় সাদ স্যাম রহমান নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ ৯ জনের নামে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ ও সহায়তা করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা, যা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

;

বড়পুকুরিয়া মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির দিন পিছিয়ে আগামী ৬ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) এই মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার সময় চেয়ে আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক এ এইচ এম রুহুল ইমরান তা মঞ্জুর করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া হাজিরা মওকুফ থাকায় তার পক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার হাজির হয়েছিলেন। আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, এই মামলার তদন্তকালে জব্দকৃত কিছু আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য করা আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছিলেন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা সম্প্রতি সেগুলো দিয়েছেন। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সময় প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির মধ্য দিয়ে সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

এ অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. শামসুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।

;

আববার হত্যা: খালাস চেয়ে সেতুর আপিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এস এম মাহমুদ সেতুর খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল ও ব্যারিস্টার শারমিন আক্তার শিউলী এ আপিল দায়ের করেন।

এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড‍ দেওয়া হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। এছাড়া এ মামলার রায় অনুযায়ী আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

গত ৮ ডিসেম্বর বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল (২৪), মাে. অনিক সরকার অপফে অপু (২২), মেহেদী হাসান রবিন অরফো শান্ত (২৩), ইফতি মােশাররফ সকাল (২০), মাে. মনিরুজ্জামান মনির (২১), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২৩), মাে. মাজেদুর রহমান অরফে মাজেদ (২০), মাে. মুজাহিদুর রহমান অরফে মুজাহিদ (২১), খন্দকার তাবাকারুল ইসলাম অরফে তানভির (২১), হােসেন মােহাম্মদ তােহা (২১), মাে. শামীম বিল্লাহ (২১), মাে. সাদাত অরফে এ.এস.এম. নাজমুস সাদাত (২১), মুনতাসির আল জেমী (২০), মাে. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (২২), এস.এম. মাহমুদ সেতু (২৪), সামসুল আরেফিন রাফাত (২১), মাে. মাের্শেদ অরফে মাের্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (২০), এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০) (পলাতক), মােহাম্মদ মাের্শেদ উজ্জামান মন্ডল প্রকাশ জিসান (২২) (পলাতক) ও মুজতবা রাফিদ (২১) (পলাতক)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, অমিত সাহা (২১), ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (২১), মাে. আকাশ হােসেন (২১), মুহতাসিম ফুয়াদ (২৩) ও মাে. মােয়াজ ওরফে মােয়াজ আবু হােরায়রা (২১)।

;

সেফাতউল্লাহর বিচার শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সেফাতউল্লাহ ওরফে সেফুদার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-সামছ জগলুল হোসেন বিচার শুরুর এই আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল ঢাকা বারের আইনজীবী আলীম আল রাজী (জীবন) এই মামলা দায়ের করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার আবেদনে বলা হয়, আসামি সেফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে ভিডিও আপলোড করেছেন, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। এ কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারার অপরাধের শামিল।

অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাতউল্লাহর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি অস্ট্রিয়ার রাজধানীর ভিয়েনায় বসবাস করছেন।

;