খুলনায় অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনায় অস্ত্র মামলায় মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাবলু নামে এক যুবককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক চৌধুরী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। বাবলু ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার আবুল কাসেম মোল্লার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে র‍্যাব-৬ এর একটি বিশেষ দল ফুলতলা উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে ওই এলাকার তাজপুর গ্রামের একটি গরুর হাটে একদল সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‍্যাব সদস্যরা সেখানে উপ‌স্থিত হয়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় মাহমুদুল হাসান বাবলুকে র‍্যাব সদস্যরা আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি এক নালা কাটা বন্দুক উদ্ধার করে ।

এ ব্যাপারে পরের দিন ফুলতলা থানায় বাবলুকে আসামি করে র‍্যাব-৬ এর ডিএডি মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ফুলতলা থানার এস আই মোহাম্মদ আব্দুল খালেক হাওলাদার বাবলুকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের যাবজ্জীবন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
আসামি রফিকুল ইসলাম

আসামি রফিকুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জহিরুল ইসলাম জানারুল (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে রফিকুল ইসলাম (৫১) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের মৃত রসুল মন্ডলের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই আসামিকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি রফিকুল নিহত জহিরুল ইসলামের সঙ্গে হাকিমপুর বাজারে ভুসি মালের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক হিসাবনিকাশকে কেন্দ্র করে জহিরুলের সঙ্গে আসামির তর্ক-বিতর্ক হয়। বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য আসামির বাড়িতে গেলে ২০১৬ সালের ২১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জহিরুল ইসলামকে হত্যা করে রফিকুল।

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পরের দিন ২২ জুন নিহত জহিরুল ইসলামের স্ত্রী শাহনাজ শারমিন নিপা বাদী হয়ে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১১ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ২৭ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এ মামলায় সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার আদালত এ রায় দেন।

আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

;

গৃহবধূ হত্যার দায়ে একজনের যাবজ্জীবন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গৃহবধূ সালেহা আক্তার হত্যা মামলায় রেজাউল মন্ডল নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিচারিক আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল মন্ডলের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয়ের নিহালপুর এলাকায়। তিনি আরিচা ফেরি ঘাটে চা-পানের দোকান করতেন।

রায়ের নথি সূত্রে জানা যায়, পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে ২০১১ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গৃহবধূ সালেহা আক্তারের বাড়ির অদূরে আবহাওয়া অফিসে ডেকে নিয়ে যায় প্রেমিক রেজাউল মন্ডল। সেখানে সালেহাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে পরনের শাড়ির আঁচল গলায় পেঁচিয়ে সালেহাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায় রেজাউল মন্ডল। পরের দিন ২ অক্টোবর রেজাউল মন্ডলকে আসামি করে শিবালয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন এসআই মোস্তাফিজুর রহমান। মামলায় ১৯ জনের সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আসামি রেজাউল মন্ডলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি নিরঞ্জন বসার এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী সাখওয়াত হোসেন খান মামলাটি পরিচালনা করেন।

;

শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্দোলনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট মহানগর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (এমএম-২) মো. সুমন ভূঁইয়ার আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে, সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতের সোপর্দ করে পুলিশ। পরে তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।

সন্ধ্যা ৭টায় সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিক্ষার্থীরা হলেন- শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান খান (২৬), রেজা নুর মঈন (৩১), একেএম মারুফ হোসেন (২৭), ফয়সাল আহমেদ (২৭) ও এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২)। তবে, এফ এম নাজমুল সাকিব করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে জালালাবাদ থানায় মামলাটি করেন সিলেট নগরের আম্বরখানার বাসিন্দা সুজাত আহমেদ লায়েক। মামলায় আটক পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।’

গত সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে শাবিপ্রবির পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। মঙ্গলবার বিকেলে তারদের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

;

শাবির সাবেক ৪ শিক্ষার্থী কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্দোলনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় মামলা হয়েছে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরেক আসামি এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতার পাঁচ আসামির মধ্যে চারজনকে সিলেট মহানগর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (এমএম-২) মো. সুমন ভূঁইয়ার আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

চার শিক্ষার্থী হলেন- শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান খান (২৬), রেজা নুর মঈন (৩১), একেএম মারুফ হোসেন (২৭) ও ফয়সাল আহমেদ (২৭)।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে জালালাবাদ থানায় মামলাটি করেন সিলেট নগরের আম্বরখানার বাসিন্দা সুজাত আহমেদ লায়েক। মামলায় আটক পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। বুধবার দুপুরে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসী কুমার দাস ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানান।

এতে বলা হয়, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানকারী পাঁচজন সাবেক সাস্টিয়ানকে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে শাবি শিক্ষক সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

গত সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে শাবিপ্রবির পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। মঙ্গলবার বিকেলে তারদের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

;