অবৈধ সম্পদের মামলায় জি কে শামীমের মা কারাগারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তার আত্মসমর্পণ করার পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জানয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ এনে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ মামলাটি করেন। এরপর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর দুদক জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এরমধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধারকৃত নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার অফিস থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার ও সহযোগিদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

সিরাজগঞ্জে হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ইয়াকুব আলীকে হত্যার দায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় দেন।

যাজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, এনায়েতপুর থানার খুকনী কান্দিপাড়া গ্রামের মো. রইচ উদ্দিনের ছেলে মো. আ. রহিম খলিফা, একই গ্রামের মৃত শুকুর আলী সরকারের ছেলে মো. আ. রহমান (৪৮) ও মো. ওয়াজেদ আলী ওরফে মধুর ছেলে মো. খুশি আলম ওরফে সাইফুল ইসলাম (৪২)।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি মো. শামছুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলার এনায়েতপুর থানার রূপনাই (গাছপাড়া) গ্রামের ইয়াসিন মোল্লার ছেলে ইয়াকুব একই থানার খুকনী কান্দিপাড়া গ্রামের খুশি আলম ওরফে সাইফুল ইসলাম ও মো. আ. রহিম খলিফার মেয়েদেরকে উত্যক্ত করতো। সেই আক্রোশে গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আ. রহিম খলিফা ও আ. রহমান মিলে পরিকল্পিতভাবে ইয়াকুব আলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং তার লাশ গুম করার জন্য খুকনী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে জনৈক মো. নুরু হাজী ও আ. কুদ্দুসের সরিষা ক্ষেতের সীমানায় ফেলে দেয়।

ঘটনার পরের দিন নিহত ইয়াকুব আলীর বাবা ইয়াসিন আলী এনায়েতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে হত্যা মামলায় মো. আ. রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আরও দুই জন জড়িত। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন তিনি। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি খুশি আলম ওরফে সাইফুল ইসলাম ও মো. আ. রহিম খলিফার উপস্থিতিতে আজ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

অপর আসামি আ. রহমান পলাতক রয়েছেন।

;

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রাশেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম আসামির উপস্থিতি এ রায় দেন।

আসামি মো. রাশেদ রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়পুর গ্রামের আলী হায়দারের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী গ্রামের খোকন ছৈয়ালের মেয়ে সুমির সাথে রাশেদের বিয়ে হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় সংসারে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। বিয়ের ছয় মাসের মাথায় ৩ মে দিবাগত রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ সুমি মারা যান বলে তার স্বামী রাশেদ শ্বশুর বাড়িতে খবর দেন। পরে ভিকটিমের মা থানায় জানালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় এবং থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা তুলে ধরে একই বছরের ৭ জুলাই রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের মা হাজেরা বেগম। একই বছরের ১৯ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন।

;

ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকির আত্মসমর্পণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

সোমবার (২৩ মে) দুপুর ১২টায় তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। পরে তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন তিনি।

দুদকের করা এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার দাশ কারাগারে থাকলেও তার স্ত্রী চুমকি এতদিন পলাতক ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশে বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ও কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনসহ আটজনের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়।

;

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ ট্রাস্টির জামিন নামঞ্জুর, পুলিশে সোপর্দ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা সংক্রান্ত অর্থ আত্মসাতের মামলায় আসামি ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যের আগাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের পুলিশে সোপর্দ করেছে হাই কোর্ট।।

রোববার (২২ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

চার আসামি হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এমএ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান।

এর আগে বুধবার আংশিক শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজান সাঈদ সময়ের আবেদন করলে রোববার দিন ধার্য করেন আদালত। বুধবার বোর্ডের সদস্যের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, এএফ হাসান আরিফ। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।

প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৫ মে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। অপর আসামিরা হলেন- বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এমএ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান ও আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমিন মো. হিলালী।

এ মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমাল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর ও গোপন করার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

;